আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

চট্টগ্রামে ক্ষুরা রোগেক্রান্ত দেড় হাজার গরু

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে দেখা দিয়েছে মহামারী আকারে গরুর ক্ষুরা রোগের প্রাদুর্ভাব। এনিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন গরুর পালন পালনকারী কৃষকেরা। উপজেলার প্রাণি সম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে গত দেড় মাসে ১৫০০ পশুকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের রেজিস্ট্রারের তথ্যানুযায়ী গত ১৭ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত চিকিৎসা পেয়েছে ক্ষুরা রোগাক্রান্ত ১হাজার ৪১৪টি পশু। উপজেলার শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নে খামারি সুজন পাল বলেন, খামারের ১৩টি গরুর মধ্যে ৫ দিন পূর্বে ক্ষুরারোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১টি ষাঁড়। ষাঁড়টির বাজার মূল্য লক্ষাধিক টাকা হবে। কোরবানি ঈদের ৩ দিন পূর্বে একই রোগে মারা গিয়েছিলো ৭৫ হাজার টাকা দামের ১টি বকনা। বর্তমানে ১টি বাছুর অসুস্থ হওয়ায় চিকিৎসা চলছে। কানুনগোপাড়ার কৃষক মো.আবচারের ২৬ দিনের গরুর বাচ্চাটিও মারা গেছে গত বুধবার (৩ জুলাই)।
জানা গেছে, ক্ষুরারোগে আক্রান্ত হয়ে গত দুই সপ্তাহে এ রোগে মারা গেছে ১০টির বেশি গরু। ক্ষুরা রোগের কারণে পশুর গলা ফুলাসহ নানা ধরনের উপসর্গ দেখা দিচ্ছে বলে জানান কৃষকরা। এছাড়া পশুর গায়ে গোলাকৃতির পক্সেও (লাম্পি স্ক্রিন) আক্রান্ত হচ্ছে। বোয়ালখালীর শ্রীপুর, আমুচিয়া, করলডেঙ্গা, সারোয়াতলী, চরখিজিরপুর গ্রামের প্রান্তিক কৃষকেরা বলছেন, ক্ষুরা রোগের চিকিৎসা ব্যয় বেশি। চিকিৎসকের পরামর্শ পেলেও ঔষধ খরচ অনেক। এ কারণে খামারি ও কৃষকেরা রোগাক্রান্ত গরু স্বল্প মূল্যে মাংস ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছেন। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সেতু ভূষণ দাশ বলেন, কোরবানির ঈদের সময় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে চট্টগ্রামে গরু আসে। এ সময় এই রোগের ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। এ ছাড়া লাম্পি স্ক্রিনে আক্রান্ত হয়ে বড় গরুর চেয়ে বেশির ভাগ বাছুর মারা যাচ্ছে। এজন্য গবাদিপশুর এফএমডি ও লাম্পি স্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণে সরকারি বেসরকারিভাবে পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকা সরবরাহ জরুরি। তিনি আরও বলেন, আক্রান্ত গরুকে চিকিৎসা ও সুস্থ গরুকে টিকা দানের মাধ্যমে রোগ নিয়ন্ত্রণে মাঠে রয়েছি। প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য নানা ধরনের কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। তারপরও অনেকে প্রাণিসম্পদ অফিসের চিকিৎসকদের কাছে আসেন না। স্থানীয় গ্রাম্য হাতুড়ে ডাক্তার দিয়ে পশু চিকিৎসা করাচ্ছেন। এ অপচিকিৎসায় পশু মারা যাচ্ছে। উপজেলা ভেটেরিনারি হাসপাতালে গত ৩ বছর ধরে ভেটেরিনারি সার্জন পদটি শুন্য রয়েছে জানিয়ে এ চিকিৎসক বলেন, দৈনিক শতাধিক রোগাক্রান্ত পশুকে চিকিৎসা দিতে হিমসিম খেতে হচ্ছে। অথচ বোয়ালখালীতে ছোট বড় মিলিয়ে গরুর খামার রয়েছে ১ হাজার ৭৫৭টি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বৃষ্টিতে ৮০০ চাষির মাথায় হাত, উৎপাদিত লবন মিশে গেছে মাটিতে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উৎপাদন খরচের তুলনায় দাম মিলছে কম। এর ওপর হঠাৎ অসময়ের কালবৈশাখী ও ভারী বর্ষণে ক্ষতি হয়েছে লবণমাঠের। এমন অবস্থায় বিপাকে পড়েছেন প্রায় ৮০০ লবণচাষি। চট্টগ্রামের উপকূলীয় উপজেলা বাঁশখালীর লবণ শিল্পে এমন বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ায় মাঠেই গলে গেছে হাজার হাজার মণ লবণ। লবণের এই আকস্মিক উৎপাদন ঘাটতি আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া সংরক্ষণ নিয়ে নতুন শঙ্কা তৈরি করেছে। লবণের সরবরাহ কমলে চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণে বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে।
লবণ মিল মালিকদের মতে, নভেম্বর থেকে মে পর্যন্ত লবণের মৌসুম হলেও শেষ সময়ে কালবৈশাখীর আঘাতে এই খাতটি মুখ থুবড়ে পড়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর চাষাবাদ কম হওয়ায় উৎপাদন ঘাটতির ঝুঁকি আগে থেকেই ছিল, যা এখন আরও ঘনীভূত হয়েছে।

চট্টগ্রাম বৃহত্তর কাঁচা চামড়া আড়তদার সমিতির সভাপতি মুসলিম উদ্দীন জানান, কোরবানির সময় সারা দেশে কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মেট্রিক টন লবণ প্রয়োজন হয়। উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে ৭৪ কেজির লবণের বস্তার দাম ৬০০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০০ টাকায় ঠেকেছে। লবণের দাম বাড়লে চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের খরচও বেড়ে যাবে বলে তিনি জানান।

লবন চাষিরা জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহের টানা বৃষ্টিতে মাঠে প্রস্তুত করা লবণ পানিতে মিশে গেছে। মৌসুমের শেষ সময়ে এমন ক্ষতিতে তারা দিশেহারা। বাঁশখালীর গন্ডামারা, পুইছড়ী, শেখেরখীল, সরল, ছনুয়া ও কাতারিয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার একর জমিতে লবণ চাষ হলেও বর্তমানে অধিকাংশ মাঠই বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে আছে।

বিসিকের লবণ উৎপাদন মনিটরিং সেলের তথ্যমতে, দেশে চলতি বছর লবণের চাহিদা প্রায় ২৭ লাখ ৩৫ হাজার মেট্রিক টন। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার অঞ্চলে প্রতিদিন গড়ে ৩০ হাজার টন লবণ উৎপাদন হলেও সাম্প্রতিক বৈরী আবহাওয়ায় প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার টন উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। গত ৬ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র চার দিনেই উৎপাদন কমেছে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টন।
বাঁশাখলীর ছনুয়া এলাকার লবণ চাষি আবুল কালাম বলেন, সমুদ্রের লোনা পানি শুকিয়ে আমরা লবণ তৈরি করি। কিন্তু বৃষ্টির কারণে মাঠের সব লবণ নষ্ট হয়ে গেছে। এভাবে বৃষ্টি চলতে থাকলে আমরা লাখ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়ব।

বাঁশখালীর গন্ডামারা সমিতির সভাপতি আবু আহমদ জানান, বাঁশখালীতে প্রায় ১০ হাজার চাষি ও ৩০ হাজার শ্রমিক এই পেশায় জড়িত। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে শুধু তাদের সমিতির ৮০০ চাষিরই প্রায় ৪০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রোববার দুপুর পর্যন্ত দেশের ১৩টি জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী বর্ষণের শঙ্কা রয়েছে।

বোয়ালখালীতে সবজির বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে উৎপাদিত নানান জাতের সবজিতে আর্থিক সচ্ছলতার পাশাপাশি উন্নত হচ্ছে গ্রামীণ জীবনযাত্রা। চলতি মৌসুমে রকমারি শীতকালীন সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে, যা দেখে যে কারোই চোখ জুড়িয়ে যাবে। তবে জৈবসার ও সনাতন নানা পদ্ধতির মাধ্যমে নিরাপদ সবজি উৎপাদন করলেও রোগবালাই নিয়ে শঙ্কিত কৃষক। বেসরকারি কোম্পানির বালাইনাশক ব্যবহারে বিপাকে পড়ছেন কৃষকেরা।

বোয়ালখালীর চরনদ্বীপ, খরনদ্বীপ,পোপাদিয়া, আমুচিয়া সারোয়াতলী, কধুরখীল , চরখিজীরপুর বিভিন্ন এলাকার ফসলের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, এখন বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে শোভা পাচ্ছে শীতকালীন বিভিন্ন শাক-সবজি। যার মধ্যে ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, বেগুন, মরিচ, মুলা, টমেটো, মিষ্টি কুমড়া, লাউ, তিতে করলা, ঢেঁড়স, ধুন্দল, চিচিঙ্গাসহ শাকসবজির ভালো ফলন হয়েছে। এতে বাজারদর ভালো পাওয়ায় কৃষকরা অত্যন্ত খুশি। এছাড়া, চরাঞ্চলে তরমুজের বাণিজ্যিক আবাদও সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলেছে, যেখানে ৭৫ দিনেই মিলছে ভালো ফলন।

চরনদ্বীপ, কধুরখীল,খরণদ্বীপ এলাকার কর্ণফুলি নদীর পারের জমিগুলোতে গিয়ে দেখা গেছে সবুজ সবজির চাদরে ঢাকা। মাঠের এই চিত্র শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যই বাড়ায়নি বরং কৃষকদের মুখেও হাসি ফুটিয়েছে।
এবার কৃষি অফিসের প্রদর্শনী পেয়ে ১৪ শতক জমিতে হাইব্রিড জাতের “গ্রীণ বল” বেগুন লাগিয়েছেন শ্রীপুর খরণদ্বীপ এলাকার কৃষক সুবল দে। এতে খরচ বাদে ৫০-৬০ হাজার টাকা লাভ হবে বলে জানান তিনি।
৬০ শতক জমিতে স্নো-ওয়াইট জাতের ফুলকপি চাষ করে ৮০ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন ওই এলাকার কৃষক রূপক দে। তিনি বলেন, ফুলকপি বিক্রির পর পরই একই জমিতে মিষ্টি কুমড়া লাগানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৩০ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। আরো ৩০-৪০ হাজার টাকা বিক্রির আশা করছেন তিনি।
সারোয়াতলীর খিতাপচর এলাকার দক্ষিণা বিলে গিয়ে দেখা গেছে, ধনিয়া পাতার সবুজ সমারোহ। এছাড়াও ঢেঁড়স, ধুন্দল, লাউ, শীম, টমেটোসহ নানান জাতের শাকসবজি।নপাওয়ার ট্রিলারের অভাবে যথাসময়ে চাষাবাদ করা সম্ভব না হলেও কোদালে কুপিয়ে ৬০ শতক জমিতে হাইব্রিড জাতের “রাজা সুপার ” ঢেঁড়স লাগিয়েছেন কৃষক মাহাবুব। এখন ফলন আসতে দেখা গেছে। পাশাপাশি ৬০ শতক জমিতে ধনিয়া পাতার চাষ করেছেন ওই এলাকার কৃষক মো সাজ্জাদ হোসেন। এতে ৬ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এ পর্যন্ত ৪০ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন বলে জানান তিনি।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. শাহানুর ইসলাম বলেন, চলতি মৌসুমে বোয়ালখালীতে শীতকালীন সবজির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে। সরকারি সহায়তা সরকারি প্রণোদনা ও সঠিক পরামর্শের কারণে মৌসুমি শাকসবজি তরমুজসহ বিভিন্ন ফসল চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের। এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামীতে লক্ষ্যমাত্রা আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ