বিনোদন বাংলা:

তবে কি চমকের সুখের ঘরে দুঃখের আগুন

বিনোদন ডেস্ক:

ছোটপর্দার খবর:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার ছোটপর্দার অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমককে বিয়ের ১৩ দিনের মাথায় তাদের দাম্পত্য জীবনের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ী আজমান নাসির।

বুধবার দিনভর সংবাদমাধ্যমে চমকের স্বামী নাসিরের একাধিক বিয়ের খবর প্রকাশের পর বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। ভিডিওতে নাসির বলেন, আমার দু’জন একসঙ্গে ভালোবেসে সারাটি জীবন কাটাতে চেয়েছি। কিন্তু আপনারা (সংবাদমাধ্যম) যেভাবে নিউজ করছেন তাতে আমার মনে হচ্ছে না আমরা বেশিদিন সুখে শান্তিতে থাকতে পারবো।

ভিডিওর শুরুতে নাসির বলেন, চমকের স্বামীর চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস। তথ্য কী ? আমার দুটি বিয়ে নিয়ে আপনারা নিউজ করছেন। হ্যাঁ, শরিয়ত মোতাবেক দুটি বিয়ে করেছিলাম এবং শরিয়ত মোতাবেক ডিভোর্সও হয়েছে। এর অনেক পরে চমকের সঙ্গে পরিচয়। আমাদের প্রেম হয় এবং শরিয়ত মোতাবেক আমরা বিয়ে করি।

এরপর চমককে নিয়ে তিনি বলেন, এখানে নিউজে চমককে অনেক ছোট করা হয়েছে। চমক একটি অসাধারণ মেয়ে এবং কোনো পুরুষ মনে হয় না চমককে প্রত্যাখান করবে। আমি অতি সাধারণ একজন ছেলে। তারপরও চমক আমাকে যে পরিমাণ ভালোবেসেছে, এটা আমার জন্য ভাগ্যের বিষয়। হয়তো অনেক পুণ্যের কাজ করেছিলাম, যার জন্য চমকের মতো মেয়েকে আমার স্ত্রী হিসেবে পেয়েছি।

এরপর প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে চমকের স্বামী বলেছেন, এখন আমি জানতে চাই আমার ভুল কোথায় ? আগের দুটি ডিভোর্সের পর শরিয়ত মোতাবেক চমককে বিয়ে করেছি। এটা কি অপরাধ ? মানুষ তো এখন একসঙ্গে থাকছে, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছে। আমি তো এরকম কিছু করিনি। আমার তো চমকের সঙ্গে পরিচয় ডিভোর্সের অনেক পর। চমক তো আমার অতীত সম্পর্কে জানতেও চায়নি। সে আমাকে ভালোবেসেছে, আমি তাকে ভালো বেসেছি। আমার দু’জন একসঙ্গে ভালোবেসে সারাটি জীবন কাটাতে চেয়েছি। কিন্তু আপনারা যেভাবে নিউজ করছেন তাতে আমার মনে হচ্ছে না আমরা বেশিদিন সুখে শান্তিতে থাকতে পারবো। আপনারা চানও না আমরা সুখে শান্তিতে এভাবে থাকি।

এই সময় বলেন, আপনারা কী চান ? যেভাবে কমেন্টে লিখছেন নয়দিনও টিকবে না নয় টাকার দেনমোহরের বিয়ে। আপনারা কি চান আমাদের আবার ডিভোর্স হয়ে যাক ? আমাদের ডিভোর্স হয়ে গেলে কি আপনারা খুশি হবেন ? এটাই কি সমাধান ? নাকি আমরা দু’জন দুজনের সঙ্গে সারাজীবন সুখে শান্তিতে থাকতে পারি সেটা চান ?

এরপর নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আজমান বলেছেন, দু’টো ডিভোর্স হওয়ার পর আমার ভরসাই উঠে গিয়েছিল। মেয়েরা কী পরিমাণ প্রতারক হতে পারে হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। চমকের সাথে পরিচয় হওয়ার পর উপলব্ধি হয়েছে আসলে সব মেয়ে একরকম নয়। আমি আমার কুৎসিত অতীত কখনও চমকের সামনে আনতে চাইনি। চেয়েছি আমার অতীত থেকে সবসময় চমককে দূরে সরিয়ে রাখতে। কিন্তু আপনাদের নিউজের কারণে আমার অতীত বারবার চমকের সামনে চলে আসছে। আমি চমকের সামনে মুখ দেখাতে পারছি না। নিউজের পর চমকের সামনে দাঁড়াতে পারিনি।

সবশেষে আজমান বলেন, আমি হয়তো সাধারণ একজন মানুষ। হয়তো জানি না কথাগুলো কীভাবে গুছিয়ে বলবো। জীবনের প্রথম ক্যামেরার সামনে কথা বলছি। আমি এতটুকুই চাই আপনারা আমাকে চমকের সঙ্গে সুখে সংসার করতে দিন। আমি সত্যি তাকে ভালোবাসি। ও আমার পুরো পৃথিবী। আপনারা আমার পৃথিবীটা এলোমেলো করে দেবেন না প্লিজ।

এদিকে ভিডিওর ক্যাপশনে আজমান লিখেছেন, দুঃখিত চমক। স্বামীর ভিডিওটি শেয়ার করে চমকও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

জানা যায়, ২০০৮ সালের ১০ জুন স্মান্তা ইসলামকে প্রথম বিয়ে করেন ব্যবসায়ী আজমান নাসির। ২০১১ সালের নভেম্বরে তাদের কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু দাম্পত্য কলহের কারণে ২০১৬ সালের অক্টোবরে তাদের ছাড়াছাড়ি হয়। এরপর ২০১৮ সালের ১৮ জুলাই প্রেম করে বিয়ে করেন লামিয়া ফারহিনকে। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে তাদের কন্যাসন্তানের জন্ম হয়।

জানা গেছে, লামিয়ার সঙ্গে সংসার করা অবস্থায় চমকের সঙ্গে পরিচয় হয় নাসিরের। গড়ে ওঠে সম্পর্ক। স্ত্রী লামিয়া জেনে যান। তাদের সংসারে শুরু হয় টানাপোড়েন। দুজনই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন। ২০২৩ সালের অক্টোবর আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হয় তাদের। বছর না যেতেই নাসিরের তৃতীয় স্ত্রী হলেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী চমক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সুকন্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ সংগীত ভূবণকে সমৃদ্ধ করার এক নতুন সংযোজন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


সুকন্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ সংগীত ভূবণকে
সমৃদ্ধ করেছে।চট্টগ্রামের সংগীত ভান্ডারে এসংঠনের অগ্রযাত্রা সংস্কৃতি জগতের জন্য আনন্দলোক।
বন্দর নগরীর চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউটে ৩১ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যায় সুকন্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ বাংলাদেশ আয়োজিত প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তাগনের বক্তব্যে এক উঠে আস। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ টিভি ও বেতার শিল্পী বিদ্যার্থী পরিষদের প্রধান উপদেষ্ঠা সুব্রত দাশ অনুজ।

বাচিক শিল্পী সুপ্রিয়া চৌধুরীর সঞ্চালনায় বিদ্যার্থী পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক অরুণ নাথ এর সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান -কিরন শর্মা, ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরাম এর নির্বাহী পরিচালক উৎপল বড়ুয়া, তবলা শিল্পী লিটন মিত্র।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যার্থী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো: লোকমান হোসেন, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিদ্যার্থী পরিষদের উপদেষ্টা লিটন সরকার, অঞ্জনা পারিয়াল, প্রণব দাশ গুপ্ত,সুবর্না দাশ,পরিষদের কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা জানান গৌরী ললিত কলা একাডেমির পরিচালক নাসরিন সুলতানা খানম, উদ্বোধনী বক্তব্যে বিদ্যার্থী পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা শিল্পী সুব্রত দাশ অনুজ বলেন সুর,তাল প্রতিটি মানুষের আছে কেউ উপলব্ধি করতে পারে কেউ পারে না। সুরের ছোঁয়ায় মানব জীবনে পরিবর্তন হয়।

সম্মানিত অতিথি সাংবাদিক কিরণ শর্মা তাঁর বক্তব্য বলেন – সঙ্গীত বাঙ্গালি সংস্কৃতিতে ওতপ্রোতভাবে জড়িত সঙ্গীত মানুষের মনকে বিকশিত করে।
চট্টগ্রামের শিল্প ও সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। বৈচিত্র্যময় লোকসংগীত, মাইজভাণ্ডারী গান, কবিয়াল গান জনপদের অনন্য ঐতিহ্য বহন করে চলেছে।
সুকন্ঠ বিদ্যার্থী পরিষদ সেধারার সাথে সংযোজিত হয়ে চট্টগ্রামের সংগীত ভান্ডারকে আরো সমৃদ্ধ করবে।তিনি সুকন্ঠ বিদ্যার্থী পরিষদের সাফল্য কামনা করে পাশে সবসময় থাকবেন ব্যক্ত করেন।


ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরাম এর নির্বাহী পরিচালক সংস্কৃতি প্রেমী উৎপল বড়ুয়া বলেন শুদ্ধ সংগীতের বিকল্প নেই, সঙ্গীতর চর্চা মানুষের মন পরিশুদ্ধ করে তোলে। সভাপতির সমাপনি বক্তব্যে সাংবাদিক অরুণ নাথ বলেন চরাউৎরায় দেশের বৈরী পরিস্থিতিতে সংস্কৃতি কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে যারা সহযোগিতা করছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যদের পরিবেশনায় দলীয় সঙ্গীতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয় এর পর দেশের গান পরিবেশন করেন নরেন্দ্র বিশ্বাস ,

দ্বৈত গান পরিবেশন করেন কান্তা বিশ্বাস ও টুম্পা দাশ, লিজা দাশ ও সজীব চৌধুরী, একক গান পরিবেশন করেন কৌশিক দত্ত, অনিন্দিতা ভট্টাচার্য, উর্বশী চক্রবর্তী, তন্দ্রা সিংহ মৌ,জয়শ্রী ধর,মো: লোকমান হোসেন, রুবেল চৌধুরী, আনিকা দাশ, নীলাদ্রি সেন গুপ্ত, প্রণয় ধর,আবৃত্তি পরিবেশন করেন বাচিক শিল্পী লিটন সরকার, নৃত্য পরিবেশন করেন হিতৈষী দাশ কৃতি, এর পর গান পরিবেশন করেন কৃষ্ণ চৌধুরী, দীপান্ত ভট্টাচার্য, অর্ঘ্যদ্বীপ সরকার,অভ্রনীল দে,

অর্চিতা দে,অণ্বেষা ধর,স্মৃতি দে, প্রিয়ম বিশ্বাস, প্রমা অবন্তী বিশ্বাস, ঋতু সাহা,আশিষ চৌধুরী, প্রমুখ। দর্শক শ্রোতাদের উপস্থিতি কানায় কানায় হল ভর্তি হয়ে দাঁড়িয়ে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে হয়েছে। সঙ্গীত প্রেমীদের অনুরোধে গানে গানে রাত দশটা অবধি চলে অনুষ্ঠান। যন্ত্রানুসঙ্গে ছিলেন কী বোর্ডে পঙ্কজ নাথ, তবলায় রাজু দাশ,সানি দে, সায়ন দে, অক্টোপেডে প্রণব দাশ,গিটারে মো: সেলিম।

ঢালিউড তারকা পূর্ণিমার জন্মদিন আজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌন্দর্য আর নিখুঁত অভিনয় পূর্ণিমা এখনো জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলা চলচ্চিত্রে নিজের অবস্থান অটুট রেখেছেন ঢালিউড জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমা। বয়স বাড়ার পরও তার সৌন্দর্য ভক্তদের মুখ শুধু একই কথা—পূর্ণিমার বয়স বাড়ছে, সৌন্দর্যও বাড়ছে।
আজ এই নন্দিত অভিনেত্রীর শুভ জন্মদিন। তার জন্ম ১৯৮১ সালের ১১ জুলাই চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে । সেই হিসেবে আজ তিনি ৪৫ বছরে পা রাখলেন (৪৪ বছর পূর্ণ করলেন)।

‘এ জীবন তোমার আমার’এসিনেমার মধ্যদিয়ে
১৯৯৮ সালে ১৫ বছর বয়সে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু পূর্ণিমার। জাকির হোসেন রাজু‘ পরিচালিত এসিনেমায় রিয়াজের বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার।
প্রায় ২৮ বছরের অভিনয়জীবনে প্রায় ৮০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন পূর্ণিমা।দীর্ঘ ক্যারিয়ারে চলচ্চিত্রের ধারা ও সময়ের পরিবর্তন ঘটলেও পূর্ণিমার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ