সুবর্ণচরে সফল খামারি ও উদ্যোক্তাদের কে সম্মাননা প্রদান

মোঃএনায়েত হোসেন নোয়াখালী প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালী সুবর্ণচর উপজেলাতে তিনটি ক্যাটাগরিতে ছয়জন সফল খামারি উদ্যোক্তাদেরকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। উপজেলার সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ আয়োজনের আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং বাস্তবায়নে সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা।

সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক সাইফুল ইসলাম সুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটন) সুবর্ণচর বিভাগীয় আঞ্চলিক কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড.মো.নুর আলম সিদ্দিকী,বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,সুবর্ণচর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্তকর্তা ডা.মো.ফখরুল ইসলাম, সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থার মাইক্রোফাইন্যান্স উপ-পরিচালক সামছুল হক, কৃষিবিদ শিবব্রত ভৌমিক প্রমূখ।

প্রাণিসম্পদ খাতে নিবিড় ফ্রি রেঞ্জিং পদ্ধতিতে দেশি মুরগি পালনের সফল হওয়ায় শেফালী বেগম এবং নিরাপদ মাংসের জন্য জলবায়ু সহিষ্ণু বাউ মুরগি পালনের অবদানের জন্য অজিবা খাতুন সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ ছাড়া কৃষি খাতে পরিবেশবান্ধব মারচিং পেপার ব্যবহার করে উচ্চমূল্যের ফসল চাষে সফল কৃষক মো.সাকিব এবং জলবায়ু অভিযোজনক্ষম সর্জান প্রযুক্তিতে ফসল উৎপাদন করায় মো.সিরাজ কে সম্মাননা দেয়া হয়।
মৎস্য খাতে উত্তম ব্যবস্থাপনায় গলদা চিংড়ি চাষে মো.সাদেম আলী,কাকড়া মোটাতাজাকরণ সফল চাষী বাবলু চন্দ্র কাঁহার কে সম্মাননা ক্রেস্ট নগদ অর্থ ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন,কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে।বেকারত্ব দূরীকরণে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় আধুনিক এবং বিষমুক্ত সবজি চাষ, প্রাণী পালনসহ কৃষি খাতে খামারি এবং উদ্যােক্তারা এগিয়ে যাচ্ছে। এনোয়াখালীর সুবর্ণচরে সফল খামারি ও উদ্যোক্তাকে সম্মাননা প্রদান
নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালী সুবর্ণচরে তিনটি ক্যাটাগরিতে ছয়জন সফল খামারি উদ্যোক্তাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
উপজেলার সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ আয়োজনের আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং বাস্তবায়নে সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা।

সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক সাইফুল ইসলাম সুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটন) সুবর্ণচর বিভাগীয় আঞ্চলিক কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. নুর আলম সিদ্দিকী,বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,সুবর্ণচর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্তকর্তা ডা.মো.ফখরুল ইসলাম, সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থার মাইক্রোফাইন্যান্স উপ-পরিচালক সামছুল হক, কৃষিবিদ শিবব্রত ভৌমিক প্রমূখ।

প্রাণিসম্পদ খাতে নিবিড় ফ্রি রেঞ্জিং পদ্ধতিতে দেশি মুরগি পালনের সফল হওয়ায় শেফালী বেগম এবং নিরাপদ মাংসের জন্য জলবায়ু সহিষ্ণু বাউ মুরগি পালনের অবদানের জন্য অজিবা খাতুন সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ ছাড়া কৃষি খাতে পরিবেশবান্ধব মারচিং পেপার ব্যবহার করে উচ্চমূল্যের ফসল চাষে সফল কৃষক মো.সাকিব এবং জলবায়ু অভিযোজনক্ষম সর্জান প্রযুক্তিতে ফসল উৎপাদন করায় মো.সিরাজ কে সম্মাননা দেয়া হয়।
মৎস্য খাতে উত্তম ব্যবস্থাপনায় গলদা চিংড়ি চাষে মো.সাদেম আলী, কাকড়া মোটাতাজাকরণ সফল চাষী বাবলু চন্দ্র কাঁহার কে সম্মাননা ক্রেস্ট নগদ অর্থ ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন,কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। বেকারত্ব দূরীকরণে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় আধুনিক এবং বিষমুক্ত সবজি চাষ, প্রাণী পালনসহ কৃষি খাতে খামারি এবং উদ্যােক্তারা এগিয়ে যাচ্ছে। এভাবে সকলে এগিয়ে আসলে খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে বাংলাদেশ।ভাবে সকলে এগিয়ে আসলে খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে বাংলাদেশ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

লতিকচু চাষে আলোর মুখ দেখছেন ভেড়ামারার শিরিনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও কৃষি বিভাগের পরামর্শ মেনে চাষাবাদ করে সফলতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের কাজীহাটা ব্লকের স্বরুপের ঘোপ গ্রামের গৃহিণী মোছাঃ শিরিনা খাতুন (৫২)। এক সময় যে লতিকচুর আবাদ এ অঞ্চলে খুব একটা দেখা যেত না, সেই লতিকচুই এখন তার জন্য সম্ভাবনাময় আয়ের উৎসে পরিণত হয়েছে। মাত্র ২০ শতক জমিতে বারি-পানিকচু-১ জাতের চাষ করে তিনি ইতোমধ্যে এলাকায় সাড়া ফেলে দিয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, শিরিনার পতিত জমিতে সবুজ কচুগাছে ভরপুর লতি। তিনি নিজেই জমি থেকে লতি সংগ্রহ করছেন। শিরিনা খাতুন জানান, ভেড়ামারা কৃষি অফিসের পরামর্শে এবছরের মে মাসে তিনি কচুর চারা সংগ্রহ করে ২০ শতক জমিতে রোপণ করেন। রোপণের ৬০ থেকে ৭০ দিনের মধ্যেই তিনি লতি বিক্রি শুরু করেন। তিনি বলেন, “বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে ১ থেকে ২ মণ লতি বাজারে সরবরাহ করছি। পুরো মৌসুমে লতি বিক্রি করে প্রায় ১ লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা আয় হবে বলে আশা করছি। মৌসুম শেষে কচুর কন্দ বিক্রি করেও বাড়তি আয় করা যায়।” লাভজনক হওয়ায় আগামীতে আরও বেশি জমিতে এ চাষ করবেন বলেও জানান তিনি।

ভেড়ামারা উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মো. সদরুল ইসলাম বলেন, বর্ষায় পানিতে ডুবে যাওয়া নিচু জমিতে কৃষকের আগ্রহ ছিল সীমিত। তবে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার সেই জমিগুলোতে এখন সার্থকভাবে চাষ হচ্ছে লতিকচু। শিরিনা খাতুন তার জলন্ত উদাহরণ। স্যাঁতসেঁতে জমিতে কচুর সফল আবাদ শিরিনা খাতুনের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

ভেড়ামারা উপজেলা কৃষি অফিসার মোছা. মাহমুদা সুলতানা পলি বলেন, যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় লতিকচু চাষে উদ্যোগ নেওয়া হয়। উন্নত জাতের বারি-পানি কচু-১, বারি-পানি কচু-২ এবং স্থানীয় জাতের কচুর চারা, সার ও জৈবসার সরবরাহ করা হয় শিরিনা খাতুনকে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও মাঠ দিবসের মাধ্যমে শিরিনা খাতুনের পতিত জমিতে এই লতি কচু চাষে উদ্ধুদ্ধ করা হয়। লতিকচু চাষ এখন শুধু নিজস্ব ভোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি পরিণত হয়েছে বাণিজ্যিক কৃষির একটি স্থায়ী মডেলে। সঠিক দিকনির্দেশনা ও বাজার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই খাত থেকে শিরিনা খাতুন নিয়মিত আয় করতে পারছেন, যা অর্থনৈতিকভাবে তাকে স্বাবলম্বী করে তুলছে।

কুষ্টিয়ায় বস্তায় আদা চাষে সোহাগের নীরব বিপ্লব: বীজ ছড়িয়েছে ১০ উপজেলায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গত মৌসুমে ৭ হাজার বস্তায় আদা চাষ করে তাক লাগানো কুষ্টিয়া মিরপুরের সফল কৃষি উদ্যোক্তা মোঃ আব্দুর রহমান সোহাগ এবার গড়ে তুলেছেন ১৫ হাজার বস্তার বিশাল আদা খামার। পিতা মোঃ আফতাব উদ্দিনের সন্তান সোহাগের এই নীরব কৃষি বিপ্লব শুধু নিজের খামারেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, ২০২৫-২৬ মৌসুমে তাঁর উৎপাদিত উন্নত জাতের বীজ আদা ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে জেলার বাইরে অন্তত ১০টি উপজেলায়। পাশাপাশি নিজ গ্রাম নওদা খাঁড়ারার বহু আগ্রহী কৃষকও তাঁর বীজ ব্যবহার করে চলতি মৌসুমে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেতে শুরু করেছেন।

সরেজমিনে নওদাখাঁড়ারা ব্লকে সোহাগের খামারে গিয়ে দেখা যায় এক মনোরম দৃশ্য। সুবিন্যস্তভাবে সাজানো ১৫ হাজার বস্তায় লকলকিয়ে বাড়ছে আদা গাছ। খামারের প্রতিটি গাছের উচ্চতা গড়ে প্রায় আড়াই ফুটে পৌঁছেছে। কোনো ধরনের রোগবালাইয়ের লক্ষণ নেই, গাছে গাছে ফুটে উঠেছে সতেজ ও স্বাস্থ্যকর আবহ।

গত মৌসুমে ‘যশোর অঞ্চলের টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্প’–এর আওতায় বস্তায় আদা চাষ করে উপজেলা পর্যায়ে সেরা যুব উদ্যোক্তার স্বীকৃতি পান সোহাগ। সেই অভিজ্ঞতা এবং পরবর্তীতে অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে এবার তিনি নেমেছেন আরও বড় পরিসরে। আদা চাষের আধুনিক প্রযুক্তি ও উচ্চফলনশীল ব্যবস্থাপনা সরাসরি দেখতে তিনি সম্প্রতি সফর করেছেন থাইল্যান্ড, মিয়ানমার ও মালয়েশিয়া। সেই আন্তর্জাতিক বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং পরীক্ষামূলকভাবে লাগানো বৈচিত্র্যময় জাতের আদা খামারে প্রয়োগ করায় এবারের গাছগুলোর বৃদ্ধি বিগত বছরের চেয়েও অনেক বেশি দৃষ্টিনন্দন।

উদ্যোক্তা মোঃ আব্দুর রহমান সোহাগ জানান, “গত বছরের ভুলত্রুটি ও অভিজ্ঞতা থেকে এবার মাটির মিশ্রণ ও পরিচর্যায় বিশেষ পরিবর্তন এনেছি। পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো থেকে যে প্রযুক্তি ও আধুনিক কলাকৌশল দেখে এসেছি, তা এই খামারে শতভাগ বাস্তবায়ন করছি। গাছের বর্তমান স্বাস্থ্য ও বৃদ্ধি দেখে আমি শতভাগ আশাবাদী—গতবারের চেয়ে এবার প্রতি বস্তায় ফলন ও গুণগত মান দুটোই বহুগুণ বাড়বে।”

সোহাগের খামার দেখে ও তাঁর কাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করে উপকৃত স্থানীয় কৃষকরা জানান, অনাবাদী বা ছায়াযুক্ত জমিতে বস্তা পদ্ধতিতে আদা চাষের যে পথ সোহাগ দেখিয়েছেন, তা পুরো অঞ্চলের বেকার যুবক ও কৃষকদের মাঝে নতুন আয়ের পথ খুলে দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তি আর বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে সোহাগের এই ১৫ হাজার বস্তার প্রকল্প দেশের মসলা ফসলের ঘাটতি পূরণে একটি শক্তিশালী ও অনুকরণীয় মডেল হতে চলেছে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ