সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম আয়োজিত হিজরী সাল ১৪৪৬ বরণ এবং মাসব্যপী শোহাদায়ে কারবালা মাহফিল শুরু

মোঃ আব্দুর রহিম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আহলে বায়েতে রসুল (সা.) স্মরণে শোহাদায়ে কারবালা উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম প্রতিষ্ঠিত আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও আলহাজ্ব হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের আয়োজনে ১ মহররম ১৪৪৬ হি: সালকে স্বাগত জানিয়ে সোমবার সকালে মোস্তফা হাকিম ভবন, এইচ.এম ভবন এবং ২১৮ দেওয়ানহাটস্থ কর্পোরেট হাউজে খতমে কোরআনে পাক, মিলাদ, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা এবং বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও ১ মহররম চট্টগ্রাম জেলার কুমিরাস্থ কাজিপাড়া ফয়েজুননেছা জামে মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মসজিদ ভিত্তিক মিলাদ ও দোয়া মাহফিল ৩০ মহররম পর্যন্ত চট্টগ্রাম নগর ও জেলার ৩০টি মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। পৃথিবীর জন্মলগ্ন থেকে নানা ঘটনা প্রবাহের ঐতিহ্য বহণ করে আসছে পবিত্র মহররম মাস। কারবালার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মহররম মাস আরো বেশী স্মরনীয় হয়ে আসছে। এ উপলক্ষে দেওয়ানহাটস্থ কর্পোরেট হাউজে খতমে কোরআনে পাক, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন তাহের গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এম.এ তাহের। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম। প্রধান আলোচক ছিলেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ লিয়াকত আলী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেন, ১০ মহররম ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে অন্যায় অসত্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে শাহাদতের অমিয় সুধা পান করেন হযরত হোসাইন (রা:)। তিনি বলেন, হিজরী বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররম তাৎপর্যমন্ডিত একটি মাস। তিনি আরো বলেন, মুসলিম ইতিহাসে এ মাসের ১০ তারিখে আসমান-জমিন সৃষ্টি সহ পৃথিবীতে অনেক স্মরণীয় ও যুগান্তকারী ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। মহররম সংশ্লিষ্ট ২০টি ঘটনার প্রথমত: হলো আকাশ জমিন, পাহাড়-পর্বত সব সৃষ্টি, হযরত আদম (আ:) এর সৃষ্টি, নূহ (আ:) মহাপ্লাবন শেষে জুদি পাহাড়ে অবতরণ, হযরত ইবরাহিম (আ:) নমরুদের প্রজ্জলিত অগ্নিকুন্ড থেকে মুক্তিলাভ, হযরত মোহাম্মদ (সা: মক্কা শরীফ থেকে হিজরত করে মদিনায় গমন, হযরত ইমাম হোসাইন (রা:) এবং তাঁর ৭৭ ঘনিষ্টজন স্বৈরশাসক ইয়াজিদের নিকট কারবালা প্রান্তরে নিমর্মভাবে শাহাদাত বরণ সহ ২০ টি ঘটনার মাস মহররম। তিনি মহররম মাসের মর্যাদা রক্ষায় সকলের সহযোগীতা কামনা করেন। মহররম মাসের প্রথম দিনের কর্মসূচীতে আলহাজ্ব হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ নিজামুল আলম, নির্বাহী পরিচালক, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সরোয়ার আলম, পরিচালক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ফারুক আজম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাইফুল আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাহিদুল আলমসহ আলেম, হাফেজ এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মোনাজাত পরিচালনা করেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ লিয়াকত আলী। মিলাদ পরিচালনা করেন মাওলানা রাশেদুল হক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মাইজভান্ডার আহমদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন শাহজাদা ডা. সৈয়দ হোসেইন সাইফ নিহাদুল ইসলাম মাইজভান্ডারী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাইজভান্ডার দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, মুর্শিদে বরহক, শাহসুফি ডা. সৈয়দ দিদারুল হক মাইজভান্ডারী (রহ.)’র সুযোগ্য শাহাজাদা আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভান্ডারী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের, মান্যবর সহ-সভাপতি, বিশিষ্ট লেখক গবেষক ও চিকিৎসক শাহজাদা ডা. সৈয়দ হোসেইন সাইফ নিহাদুল ইসলাম মাইজভান্ডারী (ম.) ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হযরত গাউসুল আজম মাইজভান্ডারীর উত্তরাধিকারী পুত্র অছিয়ে গাউসুল আজম, খাদেমুল ফোকরা, মাওলানা শাহসূফি সৈয়দ দেলাওর হোসেইন মাইজভান্ডারী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মাইজভান্ডার আহমদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন।

হাফেজ শাহ্ বজলুর রহমান (রহ.)-এর ১১৬তম পবিত্র ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত হয়েছে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দরবার-এ বেতাগী আস্তানা শরীফের প্রতিষ্ঠাতা, উপমহাদেশের ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম বীর পুরোধা ও আধ্যাত্মিক সাধনার মহান ব্যক্তিত্ব সৈয়দুল আজম হযরত আল্লামা হাফেজ হাকিম শাহ মুহাম্মদ বজলুর রহমান (রহ.) এবং তাঁর পিতা হযরত শাহ রাহাত আলী (রহ.)-এর পবিত্র মহান ৮ সফর উপলক্ষে ১১৬তম ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দরবার-এ বেতাগী আস্তানা শরীফে বেতাগী আনজুমানে রহমানিয়ার ব্যবস্থাপনায় এ ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত হয়।ওরশ উপলক্ষে ২০ জুলাই থেকে তিনদিনব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি পালন করা হয়। এর মধ্যে অন্যতম ছিল ইতেকাফ, যা ৫ সফর (সোমবার) বাদ আসর থেকে শুরু হয়ে ৮ সফর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত চলমান ছিল।

এছাড়া কর্মসূচির মধ্যে ছিল পবিত্র খতমে কোরআন শরীফ, খতমে খাজেগান শরীফ, খতমে গাউছিয়া শরীফ, খতমে হিজবুল বাহার শরীফ, খতমে দালায়েলুল খায়রাত শরীফ, খতমে সূরা ইখলাস শরীফ, খতমে সূরা মুজ্জাম্মিল শরীফ, খতমে তাহলীল শরীফ, খতমে ইউনুস শরীফ, জিকির, মিলাদ মাহফিল এবং বৃহস্পতিবার রাতে আখেরি মোনাজাত ও তবারুক বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

অনুষ্ঠানে দরবার-এ বেতাগী আস্তানা শরীফের সাজ্জাদানশীন পীরে তরিকত মাওলানা মোহাম্মদ গোলামুর রহমান আশরফ শাহ (মা.জি.আ.) সভাপতির বক্তব্য প্রদান করেন। বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, ভক্ত-অনুরাগী ও আশেকানে রাসূল (সা.) ওরশ শরীফে অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ