আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার

পরিকল্পিত জনসংখ্যা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম হাতিয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক

জেলা শিল্পকলা একাডেমির সামনে বেলুন উড়িয়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের শুভ উদ্বোধন করছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম বলেছেন, কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর দক্ষতা বাড়াতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা ও বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নানাবিধ প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তির ব্যবহারে সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকারী-বেসরকারী চাকুরিতে পুরুষের পাশাপাশি নারীদের অংশগ্রহণের হার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিকল্পিত জনসংখ্যা আগামী ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম হাতিয়ার। এজন্য জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে পরিণত করতে হবে। পাশাপাশি সুস্থ ও সবল জাতি গঠনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। ছেলে হোক আর মেয়ে হোক, দু’টি সন্তানের বেশী নয়, একটি হলে ভালো হয়। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে সাম্যের ভিত্তিতে পরিবার পরিকল্পনা সেবা আরও বেগবান করতে হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে জেলা শিল্পকলা একাডেমির অডিটরিয়ামে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল-‘অর্ন্তভূক্তিমূলক উপাত্ত ব্যবহার করি, সাম্যের ভিত্তিতে সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ি’। আলোচনা সভার পূর্বে বেলুন-কপোত উড়িয়ে ও র‌্যালির মাধ্যমে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের শুভ উদ্বোধন করেন তিনি। অনুষ্ঠানে পরিবার পরিকল্পনা সেবা, প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারী ও অন্যান্য সেবার বিশেষ অবদানের জন্য বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে ১০ ক্যাটাগরিতে সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের মোট ২০ জন কর্মী ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা স্মারক-ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করেন প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা মমতা, ব্র্যাক, এফপিএবি, মেরীস্টোপস, বিএভিএস, ইমেজ, নিস্কৃতি, মাতৃ স্বাস্থ্য সংস্থা, বনফুল, আর.এইচ স্টেপ, ছায়াপথ ও ঘাসফুল’র কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনায় সচেতনতা বাড়াতে নিরলসভাবে কাজ করার কারণে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস পেয়েছে। দেশের প্রত্যেকটি মানুষের হাতকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যেতে হবে। তাহলে আজকের বাংলাদেশ হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পিত আগামীর উন্নত সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ।
আলোচনা সভায় অন্যান্য অতিথিবৃন্দ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার স্বপ্ন উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রত্যেক কাজে নারীদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরী। নারীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের সকলকে আন্তরিক হতে হবে। পরিবার পরিকল্পনা সেবা আরও বেগবান করতে অবকাঠামো উন্নয়ন ও আধুনিকায়নসহ লজিস্টিক সাপোর্ট বৃদ্ধি করতে হবে। দেশে এখন একটি আধুনিক ও স্মার্ট জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সকলের পারফরমেন্স বাড়াতে হবে। নিরাপদ প্রসবসেবা, প্রসব পরবর্তী সেবা সমূহ আরও গতিশীল করতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে জনবল ও যন্ত্রপাতি সংকট সত্ত্বেও সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে সাধারণ সেবা গ্রহীতাদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতসহ প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারীর হার বৃদ্ধি করতে হবে। মাঠ পর্যায়ে নিরাপদ সেবা দেয়ার জন্য কিভাবে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারি সে ব্যাপারে পলিসি নিতে হবে। মানসম্মত পরিবার পরিকল্পনা সেবা নিশ্চিত করা গেলে সফলতা অবশ্যই আসবে। এজন্য দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয়কে কাজে লাগোতে হবে।
পরিবার পরিকল্পনা চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক গোলাম মোহামদ আজমের সভাপতিত্বে ডবলমুরিং থানা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা লিক্সন চৌধুরী ও কর্ণফুলী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. সোমা চৌধুরীর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আবুল কালাম। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শাহজাদা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. ইফতেখার আহমদ, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আবদুল মালেক, জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ.এন.এম ওয়াসিম ফিরোজ। মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে চট্টগ্রাম জেলায় পরিবার পরিকল্পনার সার্বিক কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরেন পরিবার পরিকল্পনা চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নাজমুল হাসান। বক্তব্য রাখেন পরিবার পরিকল্পনা চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (সিসি) ডা. ছেহেলী নার্গিস, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা মমতা’র সিনিয়র পরিচালক স্বপ্না তালুকদার ও বিএভিএস’র মেডিকেল অফিসার ডা. এস.এম এমদাদ উল্লাহ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

যশোরের চাড়াভিটায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


যশোরে বাঘারপাড়ার চাড়াভিটা ও তার পার্শ্বতি এলাকায়  হঠাৎ নেমে আসে কালবৈশাখী ঝড়। আকস্মিক ঝড় ও বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেলা ২টার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘে ডেকে   মেঘা আচ্ছন্ন হয়ে ঝড় বাতাসের সাথে বজ্র বূষ্টি শুরু হয়ে

টানা আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় চলে এই ঝড়।চাড়াভিটা বাজারে পাশেই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ও কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি উপ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঝড়ের কারণে দুপুরের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।, গত কয়েক দিন ধরে যশোর অঞ্চলে  তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে ছিল। বিশেষ করে খেটেখাওয়া মানুষ গরমে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। দুপুরের পর আকাশ কালো মেঘে গুমোট আকার ধারণ করে শুরু হয় প্রচণ্ড ঝড়। সেই সঙ্গে বজ্রপাত।

বাঘারপাড়া  উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের চাড়াভিটা বাজার সহ কয়েকটি  এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে তীব্র আঘাত হানে। বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে এবং অনেকের ঘরের চালের টিন উড়িয়ে নিয়ে যায়। বিভিন্ন গাছ ভেঙ্গে আঁচড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির উপরে।যে কারণে  বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় কয়েকটি এলাকায় ভূতুড়ে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে এবং অসংখ্য স্থানে তার ছিঁড়ে পড়েছে। আম ও কাঁঠালেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।এলাকাবাসী জানান, এ ধরনের ঝড় অনেক দিন দেখা যায়নি।। একই সঙ্গে এলাকার কৃষকদের আম ও কাঁঠালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ভাঙ্গুড়ায় ন্যায্য মূল্যে কৃষকের ধান সংগ্রহের সময় শেষ, সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় চলতি বোরো মৌসুমে সরকারি খাদ্যগুদামের ধান সংগ্রহ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সরকারের নির্ধারিত মূল্যে ধান বিক্রির সুযোগ পেয়ে উপজেলার কৃষকদের মধ্যে সন্তোষ দেখা দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জন করেছে খাদ্য বিভাগ।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় কর্তৃক তালিকাভুক্ত কৃষকদের মধ্য থেকে আগে আসলে আগে বিক্রয় ভিত্তিতে ধান ক্রয় করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কৃষি বিভাগের নিবন্ধিত কৃষকরা কৃষি কার্ড ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরকারি খাদ্যগুদামে ধান বিক্রির সুযোগ পান। সংগ্রহ নীতিমালা অনুযায়ী কৃষকদের কাছ থেকে ধান গ্রহণের পর মূল্য সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমেছে এবং কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পেয়েছেন।
উপজেলায় প্রায় ৪ হাজার ৭০০ নিবন্ধিত কৃষকের কৃষি কার্ড ও কৃষক হিসাব রয়েছে। ধান বিক্রি করা অনেক কৃষক জানান, বাজারমূল্যের তুলনায় সরকারি মূল্য বেশি হওয়ায় তারা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। উৎপাদন খরচ মিটিয়ে অতিরিক্ত আয় করতে পারায় তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

খাদ্যগুদাম কর্তৃপক্ষ জানায়, ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরকারি বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। কৃষকদের পরিচয়, কৃষি কার্ড এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পরই ধান গ্রহণ করা হয়েছে। সব অর্থ সরাসরি কৃষকদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে।ভাঙ্গুড়া খাদ্যগুদামের উপ-পরিদর্শক নিরঞ্জন কুমার ঘোষ বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকেই ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। সব ধরনের কাগজপত্র যাচাই করে ধান গ্রহণ করা হয়েছে এবং কৃষকদের নিজস্ব হিসাবেই অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

ভাঙ্গুড়া এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম জানান, সরকার চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে গত ৩ মে থেকে সারাদেশে কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ শুরু করে। ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নির্ধারিত ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান ইতোমধ্যে সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে ধানের দাম কিছুটা কম থাকায় কৃষকরা প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে সরকারি গুদামে ধান দিতে আগ্রহী হয়েছেন। ফলে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্নভাবে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়েছে।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা কৃষ্ণপদ বর্ম্মন বলেন, ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের কৃষি কার্ড ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাইয়ের পরই বিল অনুমোদন করা হয়েছে। সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকরা উপকৃত হয়েছেন।
স্থানীয় কৃষকদের আশা, আগামী মৌসুমেও সরকার একইভাবে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ অব্যাহত রাখবে। এতে কৃষকরা উৎপাদনে আরও উৎসাহিত হবেন এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি দেশের খাদ্যশস্য সংগ্রহ ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ