আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ নিহত- ৪

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের পটিয়ায় ট্রাক-সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ ৪ জন নিহত হয়েছে। গতকাল (১১ জুন) বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় মহাসড়ের হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের চরকানাই মিলিটারি পুলের দক্ষিণ পাশের্ব হক্কানি পেপার মিলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, বোয়ালখালীগামী বালু বোঝায় ট্রাকের সাথে পটিয়াগামী সিএনজি অটোরিক্সার সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় সিএনজি অটোরিকশাটি ধুমড়ে মুচড়ে গেলেও ট্রাকের চালক পালিয়ে যায়। দুর্ঘটনায় নিহত ৩ জনের নাম পাওয়া গেলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহত আরেকজনের নাম জানা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা হতাহতদের উদ্ধার করে এবং প্রশাসনে খবর দেয়। এ সময় সড়কের দুর্ঘটনাস্থলের দুই পাশে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। দুর্ঘটনায় মহিলা ও শিশুসহ সিএনজি অটোরিক্সা চালক ঘটনাস্থলেই মারা যায়। নিহত ২ জন পটিয়া উপজেলার জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের মোঃ আলীর মেয়ে রুমি আকতার (৩০) ও একই এলাকার গিয়াস উদ্দিনেরর ছেলে ফাহিম (৫) বলে জানা যায়। এছাড়াও সিএনজি অটোরিক্সা চালক মোঃ আনোয়ার প্রকাশ অনলাইন ড্রাইভারের (৩৭) বাড়ি পার্শ্ববর্তী বোয়ালখালী উপজেলার ১০ নং করলডেঙ্গা ইউনিয়নের আহল্লা শেখ চৌধুরী পাড়া। পটিয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, সিএনজি অটোরিকশায় ৫ জন যাত্রী ছিল। এর মধ্যে ৪ জন মারা যায়। পটিয়া মেডিকেলে ২ জনের লাশ আনা হলে ও বাকি ২ জনের লাশ তাদের স্বজনরা নিয়ে গেছে। আহত আর ১ জনকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় সিএনজি অটোরিক্সাটি ধুমড় মুচড়ে যায়। দূর্ঘটনার পর পটিয়া ফায়ার সার্ভিস, পটিয়া থানা ও কালারপোল পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা দূর্ঘটনাস্থল হতাহতদের উদ্ধার করে মেডিকেলে প্রেরণ করেন। পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জসিম উদ্দিন জানান, নিহতদের মধ্যে মা-ছেলের লাশ পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। গাড়ি ২টি আটক রয়েছে। তবে ঘাতক ট্রাকের চালক পালিয়ে যায়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

ঈদের আনন্দ অসহায় মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের নগরবাসী, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, পেশাজীবী এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর মাঝে বয়ে আনে আনন্দ ও প্রশান্তি। ঈদের মূল শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগতভাবে উদযাপন না করে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ পাশে থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

তিনি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ