আজঃ সোমবার ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দেয়ায় আইনের ব্যত্যয় ঘটেনি’ সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবীরা।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়ি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দেয়ায় কোন প্রকার আইনের ব্যত্যয় ঘটেনি। আইনের সকল বিধিবিধান মেনে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছেন। একটি গোষ্ঠী এনিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে যা আইনসঙ্গত নয়।বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন সরওয়ার আলমগীরের আইনজীবী এডভোকেট রেজাউল করিম রণি।

তিনি বলেন, হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ মঙ্গলবার সরওয়ার আলমগীরের রিট শুনানী শেষে তাঁর প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করে অবিলম্বে প্রতীক বরাদ্দের জন্য রিটার্নিং অফিসারকে নির্দেশ দেন। আদেশ অনুযায়ী আইনজীবী প্রত্যয়ণপত্রের মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্দ দেন রিটার্নিং অফিসার। সুপ্রীম কোর্টের ৪৪ ডিএলআর (এডি) ২১৯ পৃষ্টার আদেশ অনুযায়ী আইনজীবী প্রত্যয়ণপত্রের ভিত্তিতে অর্ডার কার্যকর করা বৈধ। এটা মানতে সকলে বাধ্য।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট হাসান আলী চৌধুরী বলেন, রিটার্নিং অফিসার সরওয়ার আলমগীরকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ সম্পূর্ণ আইনের মধ্য দিয়েছেন। তিনি কোন বেআইনি কাজ করেননি।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন আপিল আদেশে সকালে সরওয়ার আলমগীের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করলেও বিকালে অবৈধ ঘোষণা করে। সেটাও আইনজীবী প্রত্যয়ণপত্রের মাধ্যমেই করা হয়েছে।

এডভোকেট রেজাউল করিম রণি বলেন, সরওয়ার আলমগীরের প্রার্থীতা ঠেকাতে জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমিন নানাভাবে চেষ্টা করেছেন। একের পর এক মামলা করেছেন। তিনি ঋণখেলাপি ছিলেন না। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধি অনুযায়ী তিনি ৫টি ব্যাংকের ঋণ রিসিউল করেছেন। কোন কোন ব্যাংকে অনেক আগেই ঋণ পরিশোধ করেছেন। তারপরও ব্যাংকের পক্ষ হয়ে নুরুল আমিন মামলা করেছেন। অথচ যারা পাওনাদার তারা কোন মামলা করেনি। ব্যাংক এশিয়া ও প্রিমিয়ার লিজিং তাদের মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের আপিল বোর্ড ফটিকছড়ি  (চট্টগ্রাম -২) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে। একইদিন বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের আদেশের সত্যায়িত অনুলিপি ছাড়াই লয়ার সার্টিফিকেট জমা দিয়ে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে এক সপ্তাহ ভোটের প্রচারণার মাঠের বাইরে থাকার পর মঙ্গলবার হাইকোর্টের আদেশে বিএনপির প্রার্থী  সরওয়ার আলমগীর তার প্রার্থীতা ফিরে পান। কিন্তু একটি গোষ্ঠী লয়ার সার্টিফিকেট ও হাইকোর্টের অনলাইন ডকুমেন্টস অনুযায়ী বিএনপির প্রার্থীকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দেবার কারণে চট্টগ্রামের  জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম মিঞাকে নিয়ে অপপ্রচার শুরু করে ।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক  এডভোকেট হাসান আলী বলেন, ‘ লয়ার সার্টিফিকেটকে গুরুত্ব দেবার জন্য সুপ্রিম কোর্টের অবজারভেশন আছে। মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও আসিফ হাসানের বেঞ্চ বিএনপির প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা ও প্রতীক ফিরিয়ে দেবার নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনার লয়ার সার্টিফিকেট ও  অনলাইনে কোর্ট অর্ডারের বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম মিঞা সরওয়ার আলমগীরকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছেন। এখানে আইনের কোন ব্যত্যয় ঘটেনি। ‘
আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, গত ১৮ জানুযারী নির্বাচন কমিশনের আপিল বোর্ড একই দিন দুই ধরনের আদেশ দিয়েছেন। একবার সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছিলেন।

পরে আবার চেম্বার জজের স্থগিতাদেশ সামনে এনে মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন। গত ১৮ জানুয়ারী জামাতের প্রার্থী নুরুল আমিনের পক্ষে নির্বাচন কমিশনে লয়ার সার্টিফিকেট ও অনলাইনের স্কিনশট উপস্থাপন করা হয়েছিলো, চেম্বার জজের স্বাক্ষরিত কোন নির্দেশনা নির্বাচন কমিশনে না পৌঁছার পরও সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিলো। তখন বিষয়টি নিয়ে কথা না তুললেও হাইকোর্টের রায়ে বিএনপির প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেবার পর এই বিষয়ে  বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে একটি গোষ্ঠী। তারা আসলে নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত করছেন। ‘
আইনজীবীরা বলেন, ব্যাংকের একটি মামলায় জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমিন চেম্বার জজ আদালতে ৮ সপ্তাহের স্থগিতাদেশ আদেশ দিলে বিকাল সাড়ে চারটার দিকে আইনজীবী প্রত্যয়ণপত্র জমা দেন তারা। এটার ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশন সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করে। আইনজীবী প্রত্যয়ণপত্র তাদের বেলায় বৈধ হলে আমাদের বেলায় অবৈধ হবে কেন? এক দেশে কি দুই আইন হয়?

প্রিমিয়ার লিজিং লিমিটেডের সাথে সরওয়ার আলমগীরের মালিকানাধীন এনএফজেড টেরি টেক্সটাইলের পুরোনো আইনী লড়াইকে পূঁজি করে জামাতের প্রার্থী নুরুল আমিন নির্বাচনে মাঠের বাইরে রাখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ওই প্রতিষ্ঠানটি চেম্বার জজ আদালতে  তাদের পিটিশন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এছাড়া বিবদমান এনএফজেড টেরি টেক্সটাইলের ঋন রিসিডিউল করেছেন। চট্টগ্রাম জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা  সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার করার দিন বিএনপির প্রার্থীন সব ঋন রিসিডিউল করা ছিলো । তিনি ঋণ খেলাপী ছিলেন না, এখন ঋণ খেলাপী নন। এবিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আদেশ রয়েছে। এতকিছুর পর প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে  অপপ্রচার করা, গণমাধ্যমকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত ছাড়া আর কিছু নয়। ‘
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট হাসান আলী, আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট  এনামুল হক, এডভোকেট  রেজাউল করিম রনি, এডভোকেট ইউসুফ আলম মাসুদ, এডভোকেট হাসান উদ্দিন প্রমুখ ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির সাথে দুই প্রার্থীর ঐক্যের ঘোষণা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম- ২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপি প্রার্থীর সাথে আরেক দুই প্রার্থী ঐক্যের ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার এক বৈঠকে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সরওয়ার আলমগীর, জনতার দল মনোনীত ইঞ্জিনিয়ার গোলাম নওশের আলী (কলম) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আক্তার (হরিণ) আনুষ্ঠানিকভাবে একসঙ্গে নির্বাচনে কাজ করার ঘোষণা দেন।

ঐক্যের ঘোষণাকালে সরওয়ার আলমগীর বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিগুলোর জাতীয় ঐক্যের সূচনালগ্নে আমরা ফটিকছড়িতে তিন প্রার্থী ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। অন্য প্রার্থীরাও অচিরেই আমাদের সঙ্গে যুক্ত হবেন বলে আশা করি। তিনি অভিযোগ করেন, এক প্রার্থীর পক্ষে আগাম সিলমোহর দেওয়া ব্যালট পেপার প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে তারা প্রশাসনকে অবহিত করেছেন। নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

জনতার দল মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার গোলাম নওশের আলী বলেন, দদেশের এই ক্রান্তিলগ্নে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিগুলোর ঐক্য ছাড়া বিকল্প নেই।
স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আক্তার বলেন, একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ ফটিকছড়ি গড়ার লক্ষ্যে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। নির্বাচন পরবর্তী সময়েও উন্নয়নের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করব।

জানা গেছে, এ আসনে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, ১১ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াতে ইসলামীর অধ্যক্ষ নূরুল আমিন (দাঁড়িপাল্লা), বিএনপি মনোনীত সরওয়ার আলমগীর (ধানের শীষ), বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ মাইজভাণ্ডারী (একতারা), গণঅধিকার পরিষদের রবিউল হাসান তানজিম (ট্রাক), জনতা পার্টির গোলাম নওশের আলী (কলম), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জুলফিকার আলী মান্নান (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবির করিম (ফুটবল) ও জিন্নাত আক্তার (হরিণ)।

শুধু জনপ্রতিনিধি নয়, এই নির্বাচন দেশ পুনর্গঠনের-তারেক রহমান।।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশের মানুষ ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ ভোটের হারানো দিনের অধিকার ফিরে পেতে যাচ্ছেন মন্তব্য করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, হারিয়ে যাওয়া অধিকার প্রয়োগের সময় এসেছে। তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচন নয়, দেশকে পুনর্গঠনের নির্বাচন।


শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তারেক রহমান বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে এবার সময় এসেছে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন আর দেশ পুনর্গঠনে হাত দেওয়ার।

তিনি বলেন, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী করে গড়তে চাই, এজন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। যার মাধ্যমে নারীরা সাবলম্বী হবে। এছাড়া কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। এতে কৃষক সহজে ঋণ-সার-ফসলের বীজ পাবেন। ১২ তারিখ ধানের শীষকে বিজয়ী করলে ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে বলেও প্রতিশ্রতি দেন তিনি। 

দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এই কাজ করতে হলে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ দেশের মালিক জনগণ। তাই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ধানের শীষে ভোট চাই।

বক্তব্যে অঞ্চলটির উন্নয়নে নানা প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান। বলেন, চিনিকলসহ এই অঞ্চলের শিল্প কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা হবে। ঠাকুরগাঁও ক্যাডেট কলেজ করার চেষ্টা করবে বিএনপি। এছাড়া হিমাগার তৈরি করা হবে, যেন কৃষক তাদের পণ্য সংরক্ষণ করতে পারে। পাশাপাশি বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে আইটি সেক্টরেও হাব তৈরি করা হবে। তিনি বলেন, মেডিক্যাল কলেজের দাবি বাস্তবায়ন করবে বিএনপি। এছাড়া পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারেও ইতিবাচক প্রতিশ্রুতি তিনি।

পাশাপাশি সরকার গঠন করলে যতো দ্রুত সম্ভব এই এলাকার বিমানবন্দর চালু করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান।ফ্যাসিষ্ট সরকার নিজেদের স্বার্থ দেখেছে, জনগণের স্বার্থ দেখেনি মন্তব্য করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, সবার চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হেলথ কেয়ারার নিযুক্ত করে ঘরে বসে চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে।

সমাবেশে উপস্থিত হাজারও জনতার উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, দেশটি সবার, বিএনপির শেষ ঠিকানা বাংলাদেশ। জনগণের সমর্থন নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে চায় বিএনপি, যেখানে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কোটি মানুষের নিরাপদ রাষ্ট্র গঠন করতে চায় বিএনপি।

তিনি বলেন, দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে, প্রতিটি মানুষকে বিচার করা হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে,  ধর্মের ভিত্তিতে নয়। এসময় নিরাপদ দেশ গড়ার শপথ নিয়ে তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে  দেশকে গড়ে তুলবো। শেষে তিনি এই এলাকার উন্নয়নসহ দেশের উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন। 

সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে বাঁচাতে গোটা দেশ তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে। কঠিন সময়ে তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাকে শতভাগ সমর্থন দিতে হবে।ধানের শীষের কোনো বিকল্প নাই মন্তব্য করেন মহাসচিব বলেন, ধানের শীষের জয়ের মাধ্যমে দেশকে বাঁচাবেন তারেক রহমান।

আলোচিত খবর

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি হচ্ছে না।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা সংক্রান্ত কোনো চুক্তি হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। রোববার ৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান – ডিপি ওয়ার্ল্ডের পক্ষ থেকে কিছুটা সময় চাওয়া হয়েছে। তবে সরকারের হাতে এখন মাত্র দুইটি কার্যদিবস বাকি রয়েছে। এই সীমিত সময়ের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন করা সম্ভব নয় বলেই বিষয়টি এ পর্যায়ে এগোচ্ছে না।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ