বাংলা চলচ্চিত্র ল:

বিয়ে – স্বামী – সন্তানের কথা সবাই জানতো : মিহি

বিনোদন ডেস্ক:

বাংলা সিনেমা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্বামী শুভ’র সঙ্গে দাম্পত্য কলহ নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন টিভি অভিনেত্রী মিহি। তরুণ প্রজন্মের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী বলেছেন, আমি বিয়ে করেছি আমার বাচ্চাও আছে। আমার কাছের মানুষরা সবাই জানে এটা। আমি স্বামী – সন্তানের বিষয়টা কখনও আড়াল করিনি। স্বামী শুভকে তালাক দেওয়ার পরে বিষয়টি নিয়ে কথা হচ্ছে। কেউ কেউ বলছে আমি এক কোটি টাকা দেনমোহর নেওয়ার জন্য এমনটা করেছি। কিন্তু ওর কী ক্ষমতা আছে এক টাকা আমাকে দেওয়ার। আমি ওর কাছে মুক্তি পাওয়ার জন্য তালাক দিয়েছি। সে একজন প্রতারক। প্রতারণার স্বীকার অনেক মানুষ আমার কাছে প্রতিনিয়ত আসে।

জানা যায়, অভিনেত্রী মিহি আহসান ব্যবসায়ী শুভ চৌধুরী (মো. জাহাঙ্গীর কামাল) বিয়ে করেছিলেন এক কোটি টাকা দেনমোহরে। বিয়ে করে বেশ কয়েক বছর ধরে স্বামী ও সন্তান নিয়ে উত্তরার একটি বাসায় সংসার করছিলেন মিহি। মিহি শোবিজ দুনিয়ায় কাজ করলেও স্বামী ও সন্তানের বিষয়টি আড়াল ছিল। তালাকের চিঠি পেয়ে শুভও মিহি’র বিরুদ্ধে বেশকিছু অভিযোগ আনেন। মিহি নাকি একাধিক নাটকের পরিচালকের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন।

সাবেক স্বামীর এসব অস্বীকার করেছেন মিহি। বলেন, ২০১৭ সালে কলেজে পড়ার সময় সে আমাকে মিথ্যা বলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। নিজের প্রথম বিয়ে গোপন করে আমাকে বিয়ে করে। আমার সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল এক লাখ টাকা দেনমোহরে। কিন্তু তার গোপন বিয়ের খবর জেনে যাওয়ার পর সে আমাকে বলে তাকে ডিভোর্স দিয়েছে। কিন্তু নিয়মিত তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতো। ফলে আমি আমার মায়ের বাসায় চলে আসি। ২০১৯ সালের ঘটনা এটা। তখনই আমি তাকে তালাকের চিঠি দেই। এর ৯০ দিনের মধ্যে সে আমাকে যেকোনো মূল্যে গ্রহণ করতে রাজি হয়। আগের স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে সে আমার কাছে চলে আসে। এরপর এক কোটি টাকা দেনমোহর দিয়ে সে নিজেই আমার বিশ্বস্ততা অর্জন করার চেষ্টা করে।

শুভ কখনোই সংসার করতে চায় না। সে সংশোধন হবে না, প্রতারণা ব্যবসার সঙ্গেই যুক্ত থাকবে। ফলে সংসার হবে না – এমনটাই জানিয়েছেন মিহি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাকে ব্যবসা করার জন্য ২০ লাখ টাকা দিয়েছি। টাকা নিয়ে দুবাই গেছেন। সেখানেও মামলা খেয়েছেন তিনি। বুঝতে পেরেছি তার সঙ্গে সংসার করা সম্ভব না। আমি তাকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছি গত ৩০ জুন। এটা কার্যকর হতে ৩ মাস সময় লাগবে। দীর্ঘ সময় ধরে তার সঙ্গে আমার ঝামেলা চলছে। তাকে লিগ্যাল নোটিস পাঠিয়েছি আমার নামে ভিত্তিহীন কথা বলার জন্য। তার নামে সাইবার ক্রাইমে মামলাও করেছি, সেটি তদন্তও চলছে।

মিহির স্বামীর দাবি – স্ত্রী মিহিকে নিয়ে ডজন খানেক নাটক প্রযোজনা করেছেন। তবে স্বামীর প্রযোজনায় মাত্র একটি নাটকে কাজ করেছেন বলে জানান মিহি। ‘তুমি রবে মনে’ নামের নাটকটিতে মিহি ছোট একটি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। অনেক ভেবে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ফারজানা আহসান মিহি। এক কোটি টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে হয়েছিল। ৩০ ভরি অলংকার দেওয়ার কথা থাকলেও সেটি দেয়নি বলে উল্লেখ করেন এই অভিনেত্রী। যে অলংকার দিয়েছিল সেটি বিয়ের পর স্বামী চুরি করে নিয়ে বিক্রি করেছেন বলে মিহি’র অভিযোগ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার : কণ্ঠশিল্পী জুলির বিবৃতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‌্যালিতে বিতর্কিত ঈদ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতাযুক্ত শিল্পীকে দিয়ে গান পরিবেশন করানোর অভিযোগ তুলে একটি কুচক্রী মহল ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি। এসব অপপ্রচার সর্বতোভাবে ‘মিথ্যা’ দাবি করে তিনি বিবৃতি দিয়েছেন। সম্প্রতি এ বিষয়ে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করেন এই শিল্পী।


বিবৃতিতে কণ্ঠশিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি বলেন, একজন পেশাদার শিল্পী হিসেবে বিভিন্ন রাজনৈতিক বা সামাজিক সংগঠনের অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করা তাঁর পেশাগত দায়িত্বের অংশ, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে তাঁর সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যম এবং সামাজিকমাধ্যমে আমার ব্যাপারে ছড়নো বিভ্রান্তমূলক ও মিথ্যা তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কিছু ব্যক্তি আমার সফলতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মানহানীর সংবাদসহ নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মানহানিকর। একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে আমার সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছে। আমি উক্ত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবাদমাধ্যমের কাছে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে শিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি বলেন, সংবেদনশীল কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা অনুসরণ করা হয়নি।

তিনি বলেন, আমি কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের দলীয় পদ-পদবীতে ছিলাম না এবং এখনো নেই। ১৭ বছর ধরে পেশাদার শিল্পী হিসেবে বিভিন্ন আয়োজনে গান গেয়ে আসছি। কিন্তু অতীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময় ধারণ করা ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে একটি কুচক্রী মহল আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেনস্তা করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের মানহানিকর মিথ্যাচার থেকে সকলকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে এই শিল্পী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে মানহানি ও অপপ্রচারের ঘটনায় প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তিনি।

ইতালির ভেনিস শহরে অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তায় প্রতিক্রিয়া জানান মডেল পিয়া

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইতালির ভেনিস শহরে অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তা ও হামলার ঘটনা ঘটেছে।বিনোদন অঙ্গনে এনিয়ে প্রতিবাদ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের বাইরে ঘটে যাওয়া এ ধরনের ঘটনা এবং নারী ও শিল্পীদের প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান নিষ্ঠুরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মডেল, অভিনেত্রী ও আইনজীবী পিয়া জান্নাতুল।

মঙ্গলবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নিজের উদ্বেগ ও হতাশার কথা জানান তিনি। সরাসরি বাঁধনের নাম উল্লেখ না করে পিয়া জান্নাতুল লেখেন, ‘মানুষ দিন দিন এতটা নিষ্ঠুর আর সংবেদনহীন হয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে নারী আর শিল্পীদের প্রতি, যেটা সত্যিই ভাবায়।

তিনি আরো লেখেন, ‘দেশের বাইরে থাকলেই যে মানুষের চিন্তাভাবনা বদলে যায় বা মনটা আরও খোলামেলা হয়ে যায়, আসলে তা নয়। আমার কাছে আসল উন্নতি বোঝা যায় একজন মানুষ অন্যকে কতটা সম্মান করে, কতটা বুঝতে পারে আর কতটা মানবিক থাকতে পারে, সেখানেই। দুঃখের বিষয়, এই জায়গাগুলোতেই আমরা যেন ধীরে ধীরে পিছিয়ে যাচ্ছি।

গত সোমবার রাতে ভেনিসের মেস্ত্রে এলাকায় আজমেরী হক বাঁধনকে‘জুলাই জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে
হামলা করেন।এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ভাই ও শিশু সন্তান। পরে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ‘ভেনিস ছাত্রলীগ’ ও ‘বঙ্গবন্ধুর সৈনিক’ পরিচয় দিয়ে অভিনেত্রীকে এরপর তাকে গালিগালাজ ও হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি এসে বাঁধন জানান, পার্কের মধ্যে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। তার গায়ে কোমল পানীয় ও পানি ছুড়ে মারা হয় এবং মারধরের সময় তার মুঠোফোন ফেলে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার প্রতিবাদ জানান অভিনেত্রী। পরে এ ঘটনায় স্থানীয় ভেনিস থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও জানা গেছে।২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন আজমেরী হক বাঁধন

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ