আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ময়মনসিংহ:

ময়মনসিংহে টিইউসি’র সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ওবায়দুর রহমান গৌরীপুর ময়মনসিংহ।

টিইউসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র (টিইউসি) ময়মনসিংহ জেলা কমিটির ৯ম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকাল ৫ টায় মালগুদাম চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলন উদ্বোধন করেন টিইউসি কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক সাহিদা পারভীন শিখা।
সম্মেলনে মাহবুব বিন সাইফকে সভাপতি ও আব্দুর রাজ্জাককে সাধারণ সম্পাদক করে ৪০ সদস্যবিশিষ্ঠ জেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
টিউসি জেলা কমিটির সভাপতি মাহবুব বিন সাইফের সভাপতিত্বে সম্মেলনে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সম্মেলন প্রস্তুতি পরিষদের আহবায়ক মোকছেদুর রহমান জুয়েল।
সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন খানের সঞ্চালনায় সম্মেলনে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক মোবারক হোসেন, সিপিবি ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সভাপতি কমরেড এমদাদুল হক মিল্লাত প্রমুখ।
পরে কাউন্সিল অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে মাহবুব বিন সাইফকে সভাপতি ও আব্দুর রাজ্জাককে সাধারণ সম্পাদক করে ৪০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- কার্যকরী সভাপতি শ্রী কমল বসাক, মোকছেদুর রহমান জুয়েল, সহ-সভাপতি মোঃ শাহজাহান শেখ, আকবর আলী, খোকন মিয়া, মোখলেছুর রহমান ফরাজী, মুন্তাজ আলী, মকবুল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেন, সহ-সম্পাদক দিলীপ সরকার, মুকুল আহমেদ, আকবর হোসেন, তোফাজ্জল হোসেন, আঃ মজিদ, আঃ বারেক, হুমায়ূন কবীর কাজল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কাদেরিয়া কিবরিয়া, অর্থ সম্পাদক হাসনাইন আলম হাসান, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহ-দপ্তর সম্পাদক আতিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক রাশেদুল হাছান কাজল, সহ-প্রচার সম্পাদক বাবুল আহমেদ, আইন ও দর কষাকষি সম্পাদক বাধন সরকার, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক আঃ মতিন মাস্টার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শামীমা আক্তার, সমাজকল্যাণ সম্পাদক হানিফ মিয়া, ক্রীড়া সম্পাদক আবুল কাশেম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, কার্যকরী সদস্য- এনায়েত হোসেন খান, সারিয়াকুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম মুন্সী, সুব্রত দাস সুজন, এড. আল আমিন আহমেদ জুন, তারা রাণী, জাহাঙ্গীর আলম, ফারুক হোসেন ও ফরিদ আহমেদ।
সম্মেলনে গণসংগীত পরিবেশন করে উদীচী ময়মনসিংহ জেলা সংসদের শিল্পীবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সংরক্ষিত এমপির মনোনয়ন পেতে চট্টগ্রামের নারী প্রার্থীদের অতীতের কর্মকান্ড হাইকমান্ডে তুলে ধরার চেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। যার ফলে চট্টগ্রাম থেকে বিএনপির একাধিক নেত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হওয়ার প্রত্যাশায় রয়েছেন। সংসদ ও সরকার গঠনের পর এবার দলীয় মনোনয়ন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ চলমান রয়েছে। বিশেষ করে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের একাধিকজন নেত্রী সক্রিয় যোগাযোগ রাখছেন।সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, সংরক্ষিত আসনে চট্টগ্রামের যোগ্য ও ত্যাগীদের মূল্যায়ন চাই।

চট্টগ্রাম থেকে আলোচনায় থাকা সম্ভাব্যদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপির সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেত্রী ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা। আইন অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা এবং দলীয় কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার কারণে তাঁর নাম আলোচনায় এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অনদিকে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি মেহেরুন নেছা নার্গিস, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সভাপতি জান্নাতুল নাঈম রিকু, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদা খানম এবং মহিলা দলের নেত্রী মেহেরুন্নসা নার্গিসের নামও মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছেন। এছাড়াও জাসাসের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমা সাঈদ ও ফটিকছড়ির গুম হওয়া বিএনপি নেতা শহিদুল আলম সিরাজ চেয়ারম্যানের সহধর্মিনী সুলতানা পারভীনের নামও আলোচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

বিএনপির দলীয় একাধিক সূত্র বলছে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, পেশাগত দক্ষতা ও তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতাকে গুরুত্ব দিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিও মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে। তবে সংরক্ষিত নারী আসনে তফসিলের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রত্যাশীরা।

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেত্রী ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা বলেন, আমি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দল আমাকে মনোনয়ন দেয়নি। এখনো দলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে মেনে নেব। সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, আমি গত ১৭ বছর ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত আছি।

ছাত্র জীবন থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এই দীর্ঘ পথচলায় একাধিক মামলা ও পাঁচ-ছয় বার গ্রেপ্তারও হয়েছি। অনেক সময় বাসায় থাকতে পারিনি, পরিবার-পরিজনের সঙ্গ থেকেও বঞ্চিত হয়েছি। আমি চাই, চট্টগ্রামে আমার এই দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মূল্যায়ন করা হোক। ব্যক্তিগত জীবনে আমি কোনো প্রাপ্তির কথা ভাবিনি; শুধু আদর্শ ও দলের জন্য কাজ করে গেছি। আমার মতো ত্যাগী নেত্রীদের যথাযথ সম্মান ও মূল্যায়ন করা সময়ের দাবি। ২০০১ সালেও আমি মনোনয়ন নিয়েছিলাম, তখনও মূল্যায়ন করা হয়নি। ম্যাডাম ভবিষ্যতে মূল্যায়নের আশ্বাস দিয়েছিল।

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে জাসাসের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমা সাঈদ বলেন, আন্দোলন-সংগ্রাম ও দলীয় কর্মসূচিতে ঝুঁকি নিয়েও দীর্ঘদিন সক্রিয়ভাবে কাজ করে গেছি। চট্টগ্রামের পাশাপাশি ঢাকার বিভিন্ন কর্মসূচিতেও ছিলাম সরব, পাশাপাশি অনলাইন ও অফলাইন—দুই মাধ্যমেই দলের পক্ষে ভূমিকা রেখেছি।

নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে : চসিক মেয়র।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় নগর উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার মহানগরের টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় মেয়র দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়েছেন। মেয়র বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমন্বয় ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। তার ভাষ্য, একজন মেয়র দিয়ে এত বড় নগরের সব সমস্যা সামাল দেওয়া সম্ভব নয়।

কাউন্সিলর না থাকায় নাগরিক সেবা দেওয়া খুবই চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে। তিনি জানান, তার সঙ্গে ৪১ জন সাধারণ ও ১৪ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর থাকার কথা। কিন্তু বর্তমানে কাউন্সিলর না থাকায় বিভিন্ন ওয়ার্ডভিত্তিক সমস্যা দ্রুত সমাধান করা যাচ্ছে না। তাই চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনসহ অন্যান্য সিটি করপোরেশনে দ্রুত নির্বাচন প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের দীর্ঘমেয়াদি নির্বাচন পর্যবেক্ষক সুজান জিন্ডেল ও তার সহকারী মো. মাসুক হায়দার।

জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে ডা. শাহাদাত বলেন, ২০০১ সালের পর দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন সরকার উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখবে। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-র সময়কার অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রসঙ্গও তুলে ধরেন।

মতবিনিময় শেষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা জানান, বাংলাদেশের জাতীয় আইনি কাঠামো ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে তারা সংসদীয় নির্বাচনের মূল্যায়ন করেছেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়া পুরোপুরি শেষ হলে একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে, যাতে ভবিষ্যৎ নির্বাচনী ব্যবস্থার উন্নয়নে সুপারিশ থাকবে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি মন্ত্রিপরিষদের নতুন সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা জানান।

জানা যায়, এরপর প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার কথা রয়েছে। এ সময় তারা উভয় নেতার মাজার জিয়ারতও করবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ