বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চমেক হাসপাতালে ব্যাথায় কাতরাচ্ছেন অর্ধশতাধিক

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক দফা দাবিতে ডাকা অসহযোগ আন্দোলনে বিক্ষোভকারী, ছাত্রলীগ-যুবলীগ ও পুলিশের মধ্যে চতুর্মুখী সংঘর্ষের ঘটনায় এখনো চমেক হাসপাতালের বিছানায় ব্যাথায় কাতরাচ্ছে প্রায় অর্ধশতাধিক ছাত্র-মানুষ। তার মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট বা নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে চারজনকে, একজন ভেন্টিলেশনে আছেন। এ ঘটনায় চিকিৎসা নেওয়ার সংখ্যা ১৮৩ বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কারো মাথা কিংবা শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত, গুলি, আবার কারো শরীরে বেধড়ক পেটানোর ক্ষত, কেউবা শরীরের নানান জায়গায় ছররা গুলির ক্ষত নিয়ে কাতরাচ্ছেন হাসপাতালের বিছানায়।
আইসিইউতে থাকা তিনজন হলেন, ২৩ বছর বয়সী শাহেদ, ১৯ বছর বয়সী মো. হাসান এবং ২৭ বছর বয়সী মিনহাজ রনি এবং আদনান শরীফ। এর মধ্যে শাহেদ, হাসান এবং মিনহাজ রনিসহ তিনজনই গানশ্যুট ইনজুরির শিকার এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছেন এবং ভেন্টিলেশনে থাকা ওই যুবকের নাম মো. হাসান।
চমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহত বাকিদের মধ্যে ২০ নম্বর চক্ষু ওয়ার্ডে ২ জন, ২ নম্বর ক্যাজুয়ালিটি ওয়ার্ডে ২৪ জন, ২৮ নম্বর নিউরো সার্জারি ওয়ার্ডে ৮ জন, ২৬ নম্বর অর্থোপেডিক ওয়ার্ডে ৮ জন, ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে ১ জন, ৮৪ নম্বর ওয়ার্ডে ১ জন, এবং ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ জন ভর্তি রয়েছেন। এসব ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন সকলে আশংকামুক্ত আছেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন।
তিনি বলেন, গত সোমবারের সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে বর্তমানে হাসপাতালে ৫৩ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং একজনকে ইতিমধ্যেই ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। আর বাকিরা শঙ্কামুক্ত আছেন বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে আগুনে ৭ দোকান ভস্মীভূত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বাকলিয়ার তুলাতুলিতে একটি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে ৭টি দোকান পুড়ে গেছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তুলাতলীর জামাই বাজার এলাকার আলী মার্কেটে আগুনের এ ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, দুপুর ১টা ৫ মিনিটে তারা আগুন লাগার খবর পায়। আগুন নির্বাপণে চারটি ইউনিট অংশ নেয়।

বেলা পৌনে ৩টার দিকে আগুন নির্বাপণ সম্ভব হয়। আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক শাহ ইমরান জানায়, আগুনে মার্কেটটির ৫ থেকে ৭ টি দোকান পুড়ে গেছে। আগুন নেভানোর পর ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণের কাজ চলছে।

ছেলেকে হত্যার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, স্ত্রী অন্যত্র বিয়ে করায় ক্ষুদ্ধ স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাবা ছেলেকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে, এমন অভিযোগে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।নাঈম (১৪)লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরজঙ্গালিয়া গ্রামের ইব্রাহীম খলিলের ছেলে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে এ ঘটনায় নিহতের মা ফাতেমা আক্তার সুমি বাদী হয়ে নিহতের বাবাকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর আগে, গত মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যা গ্রামের একটি ধানখেতের পাশ থেকে নাঈমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নাঈমের নানা এবায়েদ উল্যাহ বলেন, সোমবার রাতে নাঈম আমার বসতঘরে ঘুমিয়ে ছিল। ভোরে ফজরের নামাজের সময় আমি ঘুম থেকে উঠে দেখি, ঘরের দরজা খোলা এবং নাঈম শয়নকক্ষে নেই। পরে সকাল ৭টার দিকে সার আনতে যাওয়ার পথে বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে ধানখেতের পাশে রাস্তার ওপর নাঈমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখতে পাই।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় তিন বছর আগে তার মা-বাবার বিচ্ছেদ হয়। এরপর নাঈম নানার বাড়িতে থেকে চরজব্বর ইউনিয়নের দারুল উলুম মাদানী নগর মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগে পড়াশোনা করত। সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর রাতের খাবার খেয়ে নানার বসত ঘরেই ঘুমিয়ে ছিল নাঈম। সকালে। মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে ধানক্ষেতের পাশে পাওয়া যায় তার মরদেহ। গত ২০-২৫ দিন আগে নাঈমের মা সুমি আক্তার দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে নাঈমের বাবা ইব্রাহীম খলিল সাবেক স্ত্রী সুমির ওপর ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে।

পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিলেন। ছেলের আয়-রোজগার খেয়ে কীভাবে মা খায়, তা দেখে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন তিনি। ঘটনার পরপরই নাঈমের মা সুমি তার সাবেক স্বামী খলিলকে সন্দেহ করেন। সকালে নাঈমের মৃত্যুর খবর জানাতে খলিলকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল ধরেননি। পরে তিনি নিজে ফোন করলে ছেলের মৃত্যুর খবর তাকে জানানো হয়। সুমি দ্বিতীয় বিয়ে করায় খলিল তার ছেলেকে শ্বশুরের ঘর থেকে ডেকে নিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ পেয়ার বলেন, বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত বাবাকে আটক করা হয়। থানায় জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ছেলের হত্যাকান্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। শুক্রবার বিকেলে তাকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ