আজঃ রবিবার ৩ মে, ২০২৬

সিলেট রেঞ্জে ১৪ বছরের অধিক সময় ধরে কর্মরত রয়েছেন এক পুলিশ পরিদর্শক

বিশেষ প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেট রেঞ্জে ১৪ বছরের অধিক সময় ধরে কর্মরত রয়েছেন এক পুলিশ পরিদর্শক। তিনি সিলেট রেঞ্জের সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থানায় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত ) হিসাবে কর্মরত রয়েছেন বলে একটি দায়িত্বশীল সুত্র নিশ্চিত করেন শুক্রবার।অভিযোগ রয়েছে, সিলেট রেঞ্জের হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ সহ বিভিন্ন থানায় তিনি কৌশলে একই রেঞ্জে ১৪ বছরের অধিক সময় ধরে কর্মরত রয়েছেন।তাহিরপুর থানায় বদলী সুত্রে ২০২৩ সালের ১৮ জানুয়ারি পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হিসাবে যোগদান করেন কাউসার আলম। যোগদানের পর থেকেই নানা কর্মকান্ডে বিতর্কিত হওয়ার পাশাপাশী এক নারী কনষ্টেবলসহ একাধিক সহকর্মীদের বিরুদ্ধে অহেতুক পুলিশ হেডকোয়ার্টারে বেনামী অভিযোগ করাতে করাতে সিদ্ধহস্ত হয়ে উঠেন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কাউসার আলম।
দেশের চলমান জরুরী আইন চলাকালীন সময়েও থেমে থাকেনি ওই গুনধর পুলিশ অফিসারের ঘুষ বাণিজ্য। সীমান্তের ওপার থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে আসা ভারতীয় কয়লা, চুনাপাথর, চিনি, জাদুকাটানদী নদী থেকে বিভিন্ন সময়ে আটক বালি বোঝাই ট্রলার থেকেও জব্দের পর থানা থেকে ছাড়িয়ে নিতে ভোক্তভোগীদের নিকট থেকে তিনি দু’হাতে ঘুষের টাকা আদায় করেছেন।
সম্প্রতি জাদুকাটা নদীতে এক শ্রমিক পানিতে ডুবে মৃত্যুর পর উজানের চর (ভারতীয় চর);র বালি ব্যবসায়ী , শ্রমিক সর্দার এবং মূল ঘটনা আড়াল করতে গিয়ে নিহতের পরিবারের লোকজনকে প্রভাবিত করে নিয়মিত মামলা এড়াতে জেলা ম্যাজিষ্টেটের নিকট ভুয়া কাগজ পত্র তৈরী করিয়ে দিয়ে বিনা ময়নাতদন্তেই মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করিয়ে লাশ বাণিজ্যেও আড়ালে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।
পুলিশ হেডকোয়াটার্সের দায়িত্বশীল সুত্র জানান, তাহিরপুর থানায় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কাউসার আলমের ব্যাপারে একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত চলমান রয়েছে। কাউসার আলম বিভিন্ন সময় সহকর্মীদের বিরুদ্ধে বেনামী অভিযোগ করে পুলিশ প্রশাসনকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলার অপেচষ্টা করেছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভাঙ্গুড়ায় অবৈধ মাটি কাটার অভিযোগে যুবককে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদন্ড।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভাঙ্গুড়ায় অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে এক যুবক কে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার ২ মে বিকাল ৩ টার দিকে উপজেলাধীন খানমরিচ ইউনিয়ন এর মহিষবাথান এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪০), পিতা-
মো: আলহাজ্ব আফজাল প্রাং, সাং-মহিষবাথান, ভাঙ্গুড়া, পাবনা কে বালুমহাল ও মাটি ব্যাবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মিজানুর রহমান। এ সময় ভাঙ্গুড়া থানার এসআই সুব্রত কুমার সহ পুলিশ টিম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটার কার্যক্রম চলছিল, যা কৃষিজমি ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠেছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব মিজানুর রহমান জানান, অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ব্র্যাক ডেইরির উদ্যোগে “আদর্শ দুগ্ধ খামার ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণ” শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ খামারি, সমৃদ্ধ ডেইরি” স্লোগানকে সামনে রেখে ব্র্যাক ডেইরি এন্ড ফুড প্রজেক্টের উদ্যোগে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় দুগ্ধ খামার কে লাভজনক ও টেকসই করতে “আদর্শ দুগ্ধ খামার ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণ” শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার সকাল ১১ টার দিকে উপজেলা হলরুমে ব্র্যাক ডেইরি এন্ড ফুড প্রজেক্টের আয়োজনে এই কর্মশালা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণে খামারিদের আধুনিক পদ্ধতিতে গরু লালন-পালন, সুষম-খাদ্য ব্যবস্থাপনা, রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থা, কৃত্রিম প্রজনন, দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর খামার পরিচালনার বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

আয়োজকরা জানান, বর্তমান সময়ে লাভজনক দুগ্ধ খামার গড়ে তুলতে বিজ্ঞান ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ ধরনের প্রশিক্ষণ খামারিদের দক্ষতা বাড়াবে এবং উৎপাদন খরচ কমিয়ে আয় বৃদ্ধি করতে অনেক সহায়তা করবে।

উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ আরিফুজ্জামান। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি অফিসার জনাব ডা: মোছা: রুমানা আক্তার রোমি, উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা: শারমিন আক্তার। উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো: নুরুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন ব্র্যাক ডেইরি এন্ড ফুড প্রজেক্ট এর লাইভ স্টোক সার্ভিস শাখার ম্যানেজার ডা: রিপন মিয়া ও ভেটেরিনারি সার্জন ডা: মো: ইমরান হোসেন।

উক্ত অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাক ডেইরি এন্ড ফুড প্রজেক্ট এর শাহজাদপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ডা. মোঃ রিয়াজুল ইসলাম এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এরিয়া ম্যানেজার মো: আসাদুজ্জামান ।

প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, খামার ব্যবস্থাপনায় পরিচ্ছন্নতা, সময় মতো টিকা প্রদান, উন্নত জাতের গবাদিপশু নির্বাচন এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে দেশে গুনগত মান সম্মত দুগ্ধ উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের দুগ্ধ শিল্প আরো উন্নত ও টেকসই হবে।

প্রশিক্ষণের বিশেষ অতিথি তার বক্তব্যে আশা প্রকাশ করেন যে, এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এলাকার দুগ্ধ খামারিরা আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে আরও উন্নত ও লাভজনক খামার গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন।
এছাড়া প্রশিক্ষণের অন্যান্য আলোচকদের মধ্যে ব্র্যাক ডেইরি এন্ড ফুড প্রজেক্টের শাহজাদপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ডা. মোঃ রিয়াজুল ইসলাম

খামারিদের মডেল ফার্ম গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিশেষ করে গাভী ছেড়ে পালন এবং গাভীকে ২৪ ঘন্টা পরিষ্কার পানি সরবরাহের মাধ্যমে গাভীর দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি করার কৌশল আলোচনা করেন। অন্যান্য বক্তাগণ খামারের আপদকালীন সময়ের জন্য বিশেষ করে বর্ষাকালে গাভীর খাদ্য চাহিদা পূরণ করার জন্য সাইলেজ তৈরি, কমপ্লিট মিল্কিং, খামারের হাইজিন ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নত করার উপর জোর দেন।

এ সময় স্থানীয় খামারি, কৃষি উদ্যোক্তা, প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা প্রশিক্ষণকে সময়োপযোগী ও বাস্তবধর্মী হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রশিক্ষণার্থীগণ ব্র্যাক ডেইরির এ ধরনের উদ্যোগ এর ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তারা ব্র্যাক ডেইরির সঙ্গে থেকে নিয়মিত দুধ সরবরাহের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। তারা ব্র্যাক ডেইরির এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার জন্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রশিক্ষণটিতে ভাঙ্গুড়া, চাটমোহর ও ফরিদপুর উপজেলার প্রায় ১০০ জন দুগ্ধ খামারী অংশগ্রহন করেন।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ