বোরহানউদ্দিনে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে সাবেক এমপি হাফিজ ইব্রাহিম

বাংলাদেশের মানুষ আজ মুক্ত স্বাধীন

ভোলা সংবাদদাতা

কেউ আইন হাতে তুলে নেবেন না

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকারের পতনের পর নিজ নির্বাচনী এলাকা বোরহানউদ্দিন-দৌলতখানে ফিরলেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ও ভোলা-২ আসনের সাবেক এমপি আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম। দীর্ঘ সময় পর ভোলার মাটিতে পা রাখলে জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি। প্রিয় নেতাকে শুভেচ্ছা জানাতে সকাল থকেই বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী ভোলার ইলিশা লঞ্চ ঘাট থেকে তাকে বরন করে নেয়। পরে বাংলাবাজার ও দৌলতখানে পথসভায় বক্তব্য রেখে বোরহানউদ্দিন আসলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে তাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে ফ্যাসীবাদী হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ আজ মুক্ত স্বাধীন। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলের চেয়ে বিএনপি সরকারের আমলে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপদে থাকে। বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময়েও নিরাপদে আছেন। বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকলে এ দেশের মানুষ শান্তিতে থাকে। বুধবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬ টায় বোরহানউদ্দিন উপজেলা সড়ক কুড়ালিয়া হাউজের সামনে জনসমুদ্রে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আওয়ামীলীগ আমলে বিএনপি নেতা-কর্মীরা নির্যাতিত হয়েছে। আপনারা কেউ আইন হাতে তুলে নেবেন না। প্রয়োজনে পুলিশের সহায়তা নেবেন। বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির আয়োজনে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাফরুজা সুলতানা, সদস্য সচিব আজম কাজী, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক সরোয়ার আলম খান, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শিহাব হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক জসিম খা, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক হেলাল মুন্সি, সদস্য সচিব জাফর মূর্ধা, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দানেশ চৌধুরী, সদস্য সচিব তানজিল হাওলাদার সহ উপজেলা ও ইউনিয়নের সর্বস্তরের নেতাকর্মীগন উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শিক্ষার্থী সুপর্বার সাফল্যের ঝুলিতে ৫৩ পদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্যে যুক্ত হয়েছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অর্জিত ৫৩টি পদক। পড়ালেখা, গবেষণা, খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রম- সব ক্ষেত্রেই সমান দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে এগিয়ে চলেছে। সর্বশেষ দক্ষিণ এশীয় কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ পদক জিতে আবারও দেশের পাশাপাশি চট্টগ্রামের মুখ উজ্জ্বল করেছে সে।

সুপর্বা সাইডার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের (কেমব্রিজ কারিকুলাম) অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। একাডেমিক কৃতিত্বের পাশাপাশি খেলাধুলা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অসামান্য সাফল্যের জন্য সে টানা তিন বছর- পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে বিদ্যালয়ের ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হয়েছে।

সম্প্রতি ঢাকার মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দশম ক্যাডেট, জুনিয়র, অনূর্ধ্ব-২১ ও সিনিয়র দক্ষিণ এশীয় কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ এবং দ্বিতীয় দক্ষিণ এশীয় অনূর্ধ্ব-১৪ কারাতে কাপ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় সুপর্বা। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান ও শ্রীলঙ্কার প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ আসরে অনূর্ধ্ব-১৪ বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করে সে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম হয়ে বাংলাদেশ দলে সুযোগ পাওয়া সুপর্বা দক্ষিণ এশীয় প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জন করে নিজের প্রতিভার প্রমাণ দেয়। এবারের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে অনূর্ধ্ব-১৪ বিভাগে ১৫৪ জন খেলোয়াড় অংশ নেন। সুপর্বা চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের চক্ষু ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. সোমা রানী রায় এবং কর্নিয়া বিশেষজ্ঞ ও ফ্যাকো সার্জন ডা. সুজিত কুমার বিশ্বাসের মেয়ে।

এর আগে ২০২৪ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে কাতা ও কুমিতে দুই বিভাগেই স্বর্ণপদক জয় করে আলোচনায় আসে সে। এ ছাড়া বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় প্রতিযোগিতায়ও একাধিকবার সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে। কারাতের পাশাপাশি সে স্কুলের বাস্কেটবল ও ফুটবল দলেও নিয়মিত খেলছে।

খেলাধুলার পাশাপাশি গবেষণাতেও রয়েছে সুপর্বার উল্লেখযোগ্য অর্জন। ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক একাডেমিক গবেষণা প্রতিযোগিতায় ‘নিউরোশিল্ড ব্যান্ড-অ্যানেস্থেসিয়ার ঝুঁকি হ্রাসের নতুন ধারণা’ শীর্ষক গবেষণাপত্র উপস্থাপন করে বিশ্বের ৩৭টি দেশের প্রতিযোগীদের মধ্যে চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পায়। এছাড়া ২০২১ সালে আন্তর্জাতিক অনলাইন গণিত অলিম্পিয়াডে রৌপ্য পদকও অর্জন করে।

সুপর্বা জানায়, ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় নিজেকে দক্ষ করে তোলার স্বপ্ন ছিল তার। বিশেষ করে কারাতের প্রতি ভালোবাসাই তাকে নিয়মিত অনুশীলনে অনুপ্রাণিত করেছে। সে বলে, প্রশিক্ষণে কখনো ফাঁকি দিইনি। বৃষ্টি-ঝড় যাই হোক, চেষ্টা করেছি অনুশীলন চালিয়ে যেতে। একই সঙ্গে পড়াশোনাও যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকেও সবসময় নজর রাখি। ভবিষ্যতে দেশকে আরও বড় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করতে চাই।

সুপর্বার মা ডা. সোমা রানী রায় বলেন, সাত বছর বয়স থেকে কারাতে শেখা শুরু করে সে। তার নিষ্ঠা ও পরিশ্রমই আজকের এই সাফল্যের মূল শক্তি। দক্ষিণ এশীয় পর্যায়ে পদক অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের।
বাবা ডা. সুজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও সমান মনোযোগ দিয়ে সুপর্বা যে সাফল্য অর্জন করেছে, তা আমাদের অনুপ্রাণিত করে । আমরা চাই সে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য আরও বড় সাফল্য বয়ে আনুক।

জানা গেছে, খুলশী কারাতে ক্লাবে সুপর্বার কারাতে যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে সে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক ও জাপান-প্রশিক্ষিত কোচ তুলু উস সামসের তত্ত্বাবধানে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশন থেকে দ্বিতীয় ড্যান এবং জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন থেকে প্রথম ড্যান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে সে।শিক্ষক ও প্রশিক্ষকদের মতে, একাডেমিক উৎকর্ষ, গবেষণামনস্কতা এবং খেলাধুলায় ধারাবাহিক সাফল্যের অনন্য সমন্বয় ঘটিয়ে সুপর্বা সুধা বিশ্বাস নতুন প্রজন্মের জন্য একটি অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে উঠছে।

বোয়ালখালীর প্রথম শহিদ এখলাছুর রহমানের ৫৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকীর শ্রদ্ধা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১৯৫৬ সালের ২০ শে মে তিনি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার পোপাদিয়া ইউনিয়নের আকুবদনডী গ্রামে অকুতোভয় বীরোচিত আত্মত্যাগী এখলাছ। মরহুম সৈয়দ জামাল উদ্দীনের ঔরষে মরহুমা সৈয়দা মছুদা খাতুনের গর্ভে জন্ম গ্রহণ করেন এই ক্ষন জন্মা ব্যাক্তিত্ব।মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসে বীর বিক্রমে

কধুরখীলের খোকার দোকান এলাকায় পাকবাহিনীর ওপর গ্রেনেড ছুড়ে মেরেছিলেন এ শহিদ এখলাছ। ওইদিন পাকবাহিনীর হাতে ধরা পড়েন তিনি। সেই সংগ্রামী বীর মুক্তিযোদ্ধা ৭১ সালের ৪ আগস্ট পাকবাহিনীর হাতে শহীদ হন। (তথ্য সূত্র দৈনিক পাকিস্তান, পূর্বদেশ,ইওেফাক ১৯৭১)।

স্বাধীনতা সংগ্রামের উজ্জ্বল নক্ষত্র শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এখলাছুর রহমান ক্যাপ্টেন করিমের গড়া বাহিনী ও ৬৯এর ছাত্র মিছিলে অগ্রনীভূমিকা পালন করেছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি কধুরখীল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।সরাসরি যুক্ত ছিলেন তৎকালীন প্রগতিশীল রাজনীতির সঙ্গে।বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল্লাহ আল নোমান সাহেব এখলাছের সহযোদ্ধা।

উল্লেখ্য তৎকালীন স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজের অধ্যাপক দিলীপ চৌধুরী গ্রুপের অন্যতম মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীন শিক্ষাবিদ রফিক আহমদ শহীদ এখলাছের ভগ্নিপতি। সাধারণ মানুষের উপর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর নির্মমতা ও এদেশীয় সহযোগীদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে গ্রেনেড ছুড়ে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন এ সম্মুখ যোদ্ধা।

দেশ স্বাধীনের পর তাঁর স্মৃতি বিজড়িত বিদ্যাপীঠ কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনকে নামকরণ করা হয় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এখলাছ মিলনায়তন। ইকবাল পার্কের নাম পরিবর্তন এনে করা হয়েছিল শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এখলাছ পার্ক। এছাড়া একটি সড়কের নামকরণ করা হয় এই মহান বীর শহীদের নামে।তবে কিছু ঐতিহাসিক স্মৃতি এখন বিস্মৃতির আড়ালে।

ইতিহাসের বৃহৎ অংশে বোয়ালখালী উপজেলা সদরের স্মৃতি সৌধে এ মহান বীর শহীদের নাম রয়েছে কাজেই দেশমাতৃকার অতুলনীয় আত্মত্যাগের জন্য লাল সবুজের পতাকা জুড়ে ও স্মৃতির দর্পনে চির উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ