আজঃ বুধবার ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সভাপতি জুলফিকার মাহমুদ নিয়াজ আজকের রূপান্তর ডটকমের নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে যোগ দিয়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

ভোলা দক্ষিণ প্রেসক্লাব ও লালমোহন মিডিয়া ক্লাবের অভিনন্দন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পর্যটন শহর ভোলার চরফ্যাশন থেকে প্রকাশিত বহুল প্রচারিত আজকের রূপান্তর ডটকমের নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে যোগ দিয়েছেন ঐতিহ্যবাহী চরফ্যাসন প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি জুলফিকার মাহমুদ নিয়াজ। ২২ আগস্ট বৃহস্পতিবার আজকের রূপান্তর পত্রিকার প্রকাশক স্বাক্ষরিত এক প্রেসনোটে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

জানা যায়, প্রথিতযশা সাংবাদিক জুলফিকার মাহমুদ নিয়াজ ১৯৮৪ সনে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। তার সাংবাদিকতা জীবনে তিনি জাতীয় দৈনিক মিল্লাত পত্রিকার নিজস্ব প্রতিনিধি হিসেবে সুনামের সাথে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি ব্যবসায়ী জীবনের পাশাপাশি বিভিন্ন সংবাদপত্রের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত আছেন। গত ৯ আগস্ট তিনি চরফ্যাশন প্রেসক্লাব সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে ঐতিহ্যবাহী চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত হন। পরে তিনি বহুল প্রচারিত আজকের রূপান্তর ডটকম অনলাইন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে যোগদান করেন।

তিনি আজকের রূপান্তর পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে যোগদান করায় : তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন আজকের রূপান্তর পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদকসহ পত্রিকায় কর্মরত সকল সহকর্মীরা। এছাড়াও জুলফিকার মাহমুদ নিয়াজ আজকের রূপান্তরের ডটকমের নির্বাহী সম্পাদক নিযুক্ত হওয়ায় তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চরফ্যাসন প্রেসক্লাবের সকল সংবাদিক,পাঠক, শুভাকাঙ্খী ও সুশীল সমাজ। নির্বাহী সম্পাদক হওয়ায় তিনি আজকের রূপান্তর ডটকম পত্রিকার পরিবারকেও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। পাশাপাশি তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব সুনামের সাথে পালন করবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। এব্যাপারে গণমাধ্যমকর্মীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
এদিকে আজকের রূপান্তর ডটকমের নবনিযুক্ত নির্বাহী সম্পাদক ও চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সভাপতি জুলফিকার মাহমুদ নিয়াজকে লালগোলাপ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন- ভোলা দক্ষিণ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দ্য রেডটাইমসের স্টাফ রিপোর্টার প্রভাষক কবি রিপন শান, সহসভাপতি ও দৈনিক আজকের পত্রিকার ভোলা জেলা প্রতিনিধি মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশ, সহ-সভাপতি মোঃ হেলাল উদ্দিন নয়ন, সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আমাদের বাংলার ভোলা জেলা প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম রণি, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হাসিব ইশতিয়াক আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক পলাশ তালুকদার,সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মোর্শেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল আশরাফুল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এসএম মামুন হোসাইন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোহাম্মদ ইস্রাফিল নাঈম, সমাজকল্যাণ ও জনসংযোগ সম্পাদক জসিম মাতাব্বর প্রমুখ। আরো অভিনন্দন জানিয়েছেন লালমোহন মিডিয়া ক্লাবের আহ্বায়ক প্রভাষক তারেকুল ইসলাম খালেক, যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন জুয়েল, যুগ্ম আহ্বায়ক প্রভাষক মোসলেউদ্দিন মুরাদ, সদস্য সচিব মিজান হাওলাদার, এডহক কমিটির সদস্য জসিম মাতাব্বর, মিজান পাটোয়ারী, প্রভাষক আনোয়ার হোসেন ও এমরান হাসান আলীম ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আওয়ামিলীগের সাবেক পৌর কাউন্সিলর জুলফিকার মিয়ার বিএনপিতে যোগদান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

লালমোহন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী জুলফিকার মিয়া বিএনপিতে যোগদান করেছেন। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে তিনি ঢাকায় বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম) এর বাসায় গিয়ে ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান সম্পন্ন করেন।

এ সময় মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ তাকে দলে স্বাগত জানান। দলীয় একটি সূত্র বলছে, আগাম রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে সামনে রেখে জুলফিকার মিয়ার এই যোগদান বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করবে বলে সকলে মনে করছেন।

অন্যদিকে বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে আওয়ামিলীগের এমপি নুরনবী চৌধুরী শাওন কর্তৃক নির্যাতিত, নিষ্পেষিত বিএনপির অনেক ত্যাগি নেতারা এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। নাম জানাতে অনিচ্ছুক এক নেতা বলেন- বিএনপির এমন দিন আসবে কখনো চিন্তাও করিনি। তবে কী আওয়ামিলীগ দিয়ে বিএনপির ত্যাগীদের আবার নির্যাতনের স্বীকার করতে চায় মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ? কেন আমরা এতদিন নির্যাতিত ছিলাম? এই দিন দেখার জন্য?

এ বিষয়ে জুলফিকার মিয়াকে একাধিকবার ফোন করলে তার মুঠো ফোনটি বন্ধ দেখায়। তবে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তার এই সিদ্ধান্ত ঘিরে আলোচনা সমালোচনার শুরু হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছে; এভাবে আওয়ামিলীগ দ্বারা বিএনপি সাজাতে থাকলে ভোটের মাঠে এর প্রভাব বিস্তার করবে।

আওয়ামিলীগের সাবেক পৌর কাউন্সিলর জুলফিকার মিয়ার বিএনপিতে যোগদান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

লালমোহন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী জুলফিকার মিয়া বিএনপিতে যোগদান করেছেন। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে তিনি ঢাকায় বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম) এর বাসায় গিয়ে ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান সম্পন্ন করেন।

এ সময় মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ তাকে দলে স্বাগত জানান। দলীয় একটি সূত্র বলছে, আগাম রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে সামনে রেখে জুলফিকার মিয়ার এই যোগদান বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করবে বলে সকলে মনে করছেন।

অন্যদিকে বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে আওয়ামিলীগের এমপি নুরনবী চৌধুরী শাওন কর্তৃক নির্যাতিত, নিষ্পেষিত বিএনপির অনেক ত্যাগি নেতারা এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। নাম জানাতে অনিচ্ছুক এক নেতা বলেন- বিএনপির এমন দিন আসবে কখনো চিন্তাও করিনি। তবে কী আওয়ামিলীগ দিয়ে বিএনপির ত্যাগীদের আবার নির্যাতনের স্বীকার করতে চায় মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ? কেন আমরা এতদিন নির্যাতিত ছিলাম? এই দিন দেখার জন্য?

এ বিষয়ে জুলফিকার মিয়াকে একাধিকবার ফোন করলে তার মুঠো ফোনটি বন্ধ দেখায়। তবে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তার এই সিদ্ধান্ত ঘিরে আলোচনা সমালোচনার শুরু হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছে; এভাবে আওয়ামিলীগ দ্বারা বিএনপি সাজাতে থাকলে ভোটের মাঠে এর প্রভাব বিস্তার করবে।

আলোচিত খবর

আরব আমিরাতে ভিসা সংকটে বড় হুমকির মুখে বাংলাদেশি শ্রমবাজার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যের  অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা জটিলতায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বাংলাদেশি কর্মীরা। নতুন ভিসা ইস্যু বন্ধ থাকা এবং অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন প্রবাসীরা। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালালেও কবে ভিসা উন্মুক্ত হবে— সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানাতে পারছে না বাংলাদেশ মিশন। বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আমিরাত সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।

ভিসা জটিলতা শ্রমবাজারের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রভাব পড়ছে প্রবাসীদের কর্মসংস্থান, আয়-রোজগার এবং দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশি কর্মীদের বিরুদ্ধে ভিসার মেয়াদ শেষে অবৈধভাবে বসবাস, লিঙ্গ পরিবর্তন, সনদ জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ ওঠায় ভিসা নীতিতে কড়াকড়ি করেছে আমিরাত সরকার। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন বাংলাদেশিরা।

এদিকে দুবাইয়ে স্কিল ভিসা চালু থাকলেও সেখানেও কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। গ্র্যাজুয়েশন সনদ ছাড়া বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া হচ্ছে না। সনদকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, পরে দূতাবাস বা কনস্যুলেটের যাচাই এবং শেষে আমিরাতের বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হচ্ছে। দীর্ঘ ও জটিল এ প্রক্রিয়ায় হতাশ কর্মপ্রত্যাশীরা।

বাংলাদেশ মিশনের তথ্যানুসারে, স্কিল ভিসায় সনদ জালিয়াতি ঠেকাতে তিন মাস আগে চালু করা হয়েছিল বারকোড ব্যবস্থা। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই সেটিও জাল করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে ইউএই সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযোগ আসছে। রাষ্ট্রদূতের মতে, বাংলাদেশিদের মানসিকতা না বদলালে ভিসা সংকট নিরসন সম্ভব নয়।

আবুধাবি বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ বলেন, “গত সাত মাস ধরে ভিসা ইস্যুতে চেষ্টা চালিয়েও কোনো অগ্রগতি হয়নি।কবে হবে সেটিও অনিশ্চিত। আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি, তবে বিষয়টি পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। ”

 

জনশক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা পরিবর্তনের জটিলতা দ্রুত সমাধান না হলে অনেক বাংলাদেশি কর্মীকে দেশে ফিরে যেতে হতে পারে। অনেকেই জানেন না, ভিসা বাতিল হলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে প্রবাসীদের মানসিক চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে বর্তমানে যারা আমিরাতে অবস্থান করছেন, তারা পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়।

বাংলাদেশি প্রবাসী সংগঠকরা মনে করেন, এ অচলাবস্থা কাটাতে সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি প্রবাসীদেরও ভিসা নীতিমালা মেনে চলা জরুরি। নইলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজারে বাংলাদেশ বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ