আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬

নোয়াখালীতে পানির সেফটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে আহত- ৭

রিপন মজুমদার স্টাফ রিপোর্টার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় পানির সেফটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে ৭জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
জেলা শহর মাইজদীর হাসপাতাল রোডের আদর হসপিটাল ভবনের আদর হসপিটাল ফার্মেসিতে এই ঘটনা ঘটে।দগ্ধরা হলেন, আদর ফার্মেসির কর্মচারি মো.দুলাল (২৬) দিনমজুর আশিক (২৮) ও রাফেল (৩২)সহ অন্তত সাতজন। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সৈয়দ মহিউদ্দি আব্দুল আজিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আহতদের মধ্যে ৭জনকে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। একজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এছাড়াও কয়েকজন সামান্য আহত হয়।

আদর হসপিটাল ফার্মেসির প্রেপাইটর মো.আব্দুল কাদের বলেন, রাত ৯টার দিকে আদর হসপিটাল ভবনের নিচে বেজমেন্টে পানির সেফটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে যায় দিনমজুর আশিক ও রাফেল। তখন আমি ফার্মেসিতে ছিলাম না। একপর্যায়ে পানির ট্যাংক পরিষ্কার করার সময় রাত সোয়া ৯টার দিকে আকস্মিক বিকট শব্দে পানির ট্যাংক বিস্ফোরণ হয়। এতে আমার ফার্মেসি দোকান ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে উড়ে যায়। ওই সময় দোকানে থাকা কর্মচারি দুলাল, দিনমজুর আশিক ও রাফেল দগ্ধ হয়ে গুরুত্বর আহত হয়। কাদের আরও বলেন, আমার ফার্মেসিতে ১৭-১৮ লাখ টাকার ওষুধ ছিল। সর্ব মোট আমার ২০-২৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স নোয়াখালীর সহকারি পরিচালক মো.ফরিদ আহমেদ বলেন, বহুতল ভবনের বেজমেন্টে থাকা পানির সেফটিক ট্যাংক হঠাৎ করে বিকট এ শব্দে বিস্ফোরণ হয়। এতে আদর ফার্মেসি লন্ডভন্ড হয়ে যায়। বিস্ফোরণের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে বলা যাবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে আহত নিহতদের মাঝে চেক বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও জেলায় বিভিন্ন স্থানেসড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ নিহত ও আহত ৭ টি পরিবারের মাঝে চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেল এর আয়োজনে এই চেক বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গোলাম ফেরদৌস, ঠাকুরগাঁও বিআরটি এর সহকারী পরিচালক ইঞ্জি: মোহাম্মদ আলী আহসান মিলন, মোটরযান পরিদর্শক মাফুজ রানা, উচ্চমান সহকারী রুস্তম আলীসহ অন্যান্যরা।সেখানে সাতটি পরিবারের মাঝে ২১ লক্ষ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

সিএমএম ; শুধু সন্দেহে নয়, কারণ দেখিয়ে গ্রেফতার পুলিশকে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে উপযুক্ত কারণ ব্যাখ্যা ছাড়া কাউকে ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ দেখানোর আবেদন না করার জন্য পুলিশকে নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রামের মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) এজিএম মনিরুল হাসান সরকার। গত সোমবার বিকালে অনুষ্ঠিত পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্সে এ নির্দেশনা দেন তিনি। একই সঙ্গে ভিকটিমের মেডিকেল সনদ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট এবং বিচারপ্রার্থীদের হয়রানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।

কনফারেন্সে প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ হাসানুল ইসলাম। এতে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কোস্ট গার্ড, সিডিএ, সিটি করপোরেশন, চমেক হাসপাতাল এবং আইনজীবী সমিতির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন করার ক্ষেত্রে কেস ডায়েরির অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করতে হবে এবং সেখানে গ্রেপ্তার দেখানোর যৌক্তিক কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। শুধু সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা যাবে না বলেও পুলিশ কর্মকর্তাদের সতর্ক করেন সিএমএম।

কনফারেন্সে ভিকটিমকে পরীক্ষাকারী চিকিৎসকের জবানবন্দি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধ করা, মেডিকেল অফিসারদের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর সংযুক্ত করা এবং নির্ধারিত সময়ে মেডিকেল সনদ সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে চমেক হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে স্বপ্রণোদিত হয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন সিএমএম। তিনি পুলিশ ও জেলা প্রশাসনকে এ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানান।

বিচারপ্রার্থীদের হয়রানি ও ঘুষ দাবির অভিযোগ সরাসরি জানাতে ‘সিএমএম চট্টগ্রাম সমীপে’ নামে চালু করা উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে সিএমএম বলেছেন, বিচারপ্রার্থীদের অভিযোগ গ্রহণের জন্য একটি ইমেইল চালু করা হয়েছে এবং আদালত প্রাঙ্গণে অভিযোগ বক্স স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি সরাসরি অভিযোগ জানতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ