আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

শিবপুর পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ

শিবপুর প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নরসিংদী পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ এর শিবপুর জোনাল অফিসের বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। পরিশোধিত বিল বকেয়া দেখানো ও ভৌতিক বিল করাসহ গ্রাহকদের হয়রানি করা হচ্ছে। আবার সেই বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের জন্য সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে।

পুনঃসংযোগ পেতেও গুনতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। এসব বিষয়ে অভিযোগ দিয়েও গ্রাহকরা সময়মতো প্রতিকার পাচ্ছেন না। পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে কোনো বিষয়ে জানতে গেলে গ্রাহকদের সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের খারাপ আচরণ করারও অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, জরুরি প্রয়োজনে শিবপুর পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের হেল্প লাইন নাম্বারে কল করে বেশিরভাগ সময় তাদের ফোন বন্ধ বা ব্যস্ত পাওয়া যায়। মাঝেমধ্যে কল ধরলেও গ্রাহকদের সাথে খারাপ আচরণ করা হয়। অতিরিক্ত লোডশেডিং আর দিনে মাত্র কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ দিয়েই বিল করা হয় আগের চেয়ে দ্বিগুণ। মাঠে না গিয়ে মুখস্থ বিল লেখার অভিযোগও রয়েছে।

মোঃ রিফাত ভূঁইয়া নামের একজন ব্যক্তি বলেন, আমি জুলাই মাসের বিদ্যুৎ বিল বিকাশে পরিশোধ করি। তারপরও আগস্ট মাসে জুলাই মাসের বিদ্যুৎ বিল যুক্ত হয়। তা সংশোধন করতে অফিসে গেলে আমার সাথে তুই তো কারি ভাবে খারাপ আচরণ করে। সংশোধন করার পর নতুন প্রিন্টের জন্য ১০ টাকা খরচ হয় বলে তাদের নাকি লোকসান হচ্ছে। কিছু বলতে গেলেই তারা বলে এত বেশি কথা কস কে?

লুৎফর রহমান নামের এক ব্যক্তি বলেন, মিটারে বর্তমান রিডিং আছে ১৪৮৫২। আর বিলের কাগজে রিডিং এসেছে ১৫২০০। আমার ছাড়াও এলাকার আরো বেশ কয়েকজনের বিদ্যুৎ বিল বেশি এসেছে।

খড়িয়া গ্রামের রাকিবুল জানান, গত দুই মাস বাড়িতে কেউ ছিলনা এরপরও ১৭০০ টাকা বিদ্যুৎ বিল এসেছে। আমার ঘরে একটি লাইট ও একটি ফ্যান রয়েছে। আমরা যদি বাড়িতেও থাকতাম তাহলেও দুই মাসে সর্বোচ্চ ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা বিল আসার কথা।

এদিকে শিবপুর বিদ্যুৎ অফিসে হয়রানি ও অতিরিক্ত বিল সহ লোডশেডিং নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করছেন গ্রাহকরা। আর এর প্রেক্ষিতে রোববার (০১ সেপ্টেম্বর) শিবপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম সাইফুল আলমের সাথে সাক্ষাৎ করতে যান উপজেলার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সমাজের একাংশ।

ছাত্ররা জানায়, সাক্ষাতের প্রথম থেকেই আমাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তিনি (ডিজিএম) বিষয়টাকে ঘোলাটে করে ফেলেন। একপর্যায়ে তিনি আমাদেরকে কথা সংক্ষিপ্ত করতে বলেন, না হয় চলে যেতে নির্দেশ দেন। তা না হলে তিনি এমন কথা বলবেন যা আমাদের খারাপ লাগবে। এসবের পর কথা কাটাকাটি শুরু হয় এবং আমরা চলে আসতে বাধ্য হই। ওনার (ডিজিএম সাইফুল আলম) ব্যবহার ছিল খুবই জঘন্য। একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আচরণ কিভাবে এত খারাপ হয়?

এ ব্যাপারে শিবপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম মোঃ সাইফুল আলম বলেন, আমি ছাত্রদের সাথে খারাপ আচরণ করিনি। তারা যে প্রশ্ন করেছে আমি তার উত্তর দিয়েছি।

মাঠে না গিয়ে মুখস্থ বিল লেখা ও অতিরিক্ত বিল আসার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, অতিরিক্ত বিলের বিষয়টি সারাদেশেই এখন আলোচনায়। তবে মাঠে না গিয়ে মুখস্ত বিদ্যুৎ বিল লেখার বিষয়ে এখনো আমি কোন অভিযোগ পাইনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, যত পরিকল্পনা গ্রহণ করি, এগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে দুটি বিষয় কড়াকড়িভাবে নজর দিতে হবে। একটি হলো, মানুষের নিরাপত্তা। যাতে করে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে। অতীতে বিএনপি যখন দেশ পরিচালনা করেছে, আমাদের কেউ অন্যায় করলেও, আমরা ছাড় দিইনি। রোববার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম মহানগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, আগামীতে সরকারে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আরেকটি বিষয়টি হচ্ছে দুর্নীতি। বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে।


অতীতে বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি দমন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই আগামীতে দুর্নীতি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তারেক রহমান বলেন, আগামীতে বিএনপির ওপর আস্থা রাখুন। ধানের শীষে ভোট দিন।
এবার ভোটের আগে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বেন, তারপর কেন্দ্রে যাবেন। সেখানে ফজরের নামাজ পড়ে লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন। গত ১৫ বছর আপনাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আবার এরকম একটি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তাই এবার ধানের শীষে ভোট দেন।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।


তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের একটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বিভিন্ন খাল-নালা বন্ধ হওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে আমরা খাল কাটতে চাই। আপনারা কী আমাদের সঙ্গে খাল কাটা কর্মসূচিতে যোগ দিতে চান?। চট্টগ্রামে একাধিক ইপিজেড রয়েছে। যেখানে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো বিএনপির আমলে হয়েছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আবার আমাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে আরও ইপিজেড করা হবে। সবমিলিয়ে চট্টগ্রাম হবে বাণিজ্যিক রাজধানী।

ফরিদপুরে স্কুল শিক্ষার্থী সুরাইয়া হ-ত্যা-র বিচার দাবিতে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে মানববন্ধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মোছা. সুরাইয়া খাতুন হ-ত্যা-র প্রতিবাদ ও হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের ফাঁ-সি-র দাবিতে বি-ক্ষো-ভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন স্বজন, সহপাঠী ও এলাকাবাসী।
ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার খেলার মাঠে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।


এ সময় জন্তিহার গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেতা, শিক্ষক সাংবাদিক ও সমাজকর্মী এস এম নাহিদ হাসানের ছায়া নির্দেশনায়, মানববন্ধনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কালিয়াকৈর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করে। ব্যানার-ফ্যাস্টুন হাতে ঘণ্টাব্যাপী চলা মানবন্ধনে বক্তারা নি-হ-ত সুরাইয়ার হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারের দাবি জানান। তা না হলে, আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেন বক্তারা।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ