গার্মেন্টস শিল্পের বর্তমান উদ্ভুত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে জাতীয় শ্রমিক ঐক্যের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সরুজ্জামান রাসেল স্টাফ রিপোর্টার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সু

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে শ্রমিক ঐক্যের সভাপতি এ এ এম ফয়েজ হোসেনের সভাপতিত্বে গার্মেন্টস শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি ও স্বৈরাচার সরকার পতনের একমাস পুর্তি উপলক্ষে শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সংবাদ সম্মেলন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সঞ্চালনা ও দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আতিকুর রহমান।
তিনি বলেন, স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা পতনে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনরত অবস্থায় যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদেরকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। গভীর শ্রদ্ধার সাথে আরও স্মরণ করছি শহিদ আবু সাঈদ ও গার্মেন্টস কর্মী আব্দুল আজিজসহ এ আন্দোলনে শাহাদাত বরণকারী অসংখ্য ছাত্র-জনতাকে। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা ও সুচিকিৎসা নিশ্চিতের দাবিসহ শহিদ ও পঙ্গুত্বদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি।
স্বৈরাচার সরকারের পতনের আজ এক মাস অতিক্রান্ত হলেও স্বৈরাচার সরকারের দোসররা ক্ষমতা ফিরে পেতে ব্যাকুল হয়ে উঠেছে। তারা জুডিশিয়াল ক্যু, সনাতন ধর্মালম্বীদের উসকে দিয়ে অরাজকতা সৃষ্টির পায়তারা, আনসার বিদ্রোহসহ বিভিন্ন ইস্যু সৃষ্টি করে ছাত্র-জনতার বিপ্লবকে প্রতি বিপ্লবে রূপ দেওয়ার নানামুখী ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। এই স্বৈরাচারের সরকারের দোসররা তাদের কুচক্রী পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে না পেয়ে তারা এখন দেশের রপ্তানী আয়ের প্রধান সেক্টর পোশাক শিল্পের উপর ভর করেছে। পোশাক শিল্প এই মুহূর্তে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি। রপ্তানি আয়ের ৮৪ শতাংশ আসে এই খাত থেকে। জিডিপিতে পোশাক শিল্পের অবদান প্রায় ১১ ভাগ। পোশাক শিল্পে প্রায় ৪৪ লাখ শ্রমিক সরাসরি সম্পৃক্ত যার মধ্যে ৬০ শতাংশ নারী শ্রমিক এবং পোশাক শিল্পকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা অন্যান্য বাণিজ্য মিলিয়ে প্রায় ৩ কোটি মানুষের জীবিকা নির্ভর করছে এই খাতের উপর। এক সময় পোশাক শিল্প ছিল ১ মিলিয়ন ডলারের শিল্প। যা আজকে দাঁড়িয়েছে ৪৬ মিলিয়নে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের চীনের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানী কারক দেশ। অর্থনীতিবান্ধব এ শিল্প আরেকটু পরিকল্পিতভাবে গোছানো সম্ভব হলে খুব তাড়াতাড়ি আমেরিকা ও ইউরোপের বাজারে শীর্ষস্থান দখল করবে। গার্মেন্টস শিল্পের শ্রমিকরা প্রতিনিয়ত জুলুমের শিকার হচ্ছে। বছরের পর বছর তাদের বেতন ভাতা নামকাওয়াস্তে বাড়ানো হচ্ছে। শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য দাবি নিয়ে কথা বলতে গেলে বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় তাদের উপর পুলিশ ও দলীয় ক্যাডারদের লেলিয়ে দিয়ে সকল আন্দোলনকে প্রতিহত করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। বিগত দেড় দশকে গার্মেন্টস শ্রমিকের মজুরি যৎসামান্য বেড়েছে। করোনা মহামারী চলাকালীন সময়ে গার্মেন্টস মালিকগণ সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনা পেলেও সেই প্রণোদনার ভাগ শ্রমিকরা পায়নি। বরং সে সময়ে চাকুরি হারিয়ে হাজারো গার্মেন্টস শ্রমিকরা বেকার হয়েছে। ২০২৩ সালে নভেম্বর-ডিসেম্বর নূ্ন্যতম মজুরীর জন্য আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে গাজীপুরে নারীসহ ৪জন শ্রমিককে জীবন দিতে হয়েছে। একই আন্দোলনে অসংখ্য শ্রমিক মারাত্মক আহত হয়ে কর্মশক্তি হারিয়ে ফেলেছে। মিথ্যা মামলার আসামী করা হয়েছে শত শত গার্মেন্টস শ্রমিককে। শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবি উপেক্ষা করে ফ্যাসিবাদী সরকারের তল্পিবাহক ও আর্শীবাদপুষ্ট ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১২৫০০ টাকা নির্ধারণ করেছে। যা শ্রমিকরা প্রত্যাখান করেছে। গত ১ সপ্তাহ ধরে গার্মেন্টস শিল্পে অস্থিরতা চলছে। একের পর এক গার্মেন্টস কারখানা মালিকগণ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। ইতোমধ্যে আশুলিয়া, সাভার ও গাজীপুরের প্রায় দুই শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে কিছু কারখানা শ্রমিকদের মজুরি সংক্রান্ত আন্দোলনে বন্ধ হলেও বেশির ভাগ কারখানা পরিকল্পিতভাবে দুস্কৃতিকারীদের হামলা-ভাংচুরের কারণে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে গার্মেন্টস শিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টি করে বাংলাদেশের শিল্পখাতকে ধ্বংস করার জন্য ফ্যাসিবাদের দোসররা উঠেপড়ে লেগেছে। তাদের প্রধান দুটি লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছে ১) গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংস করে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়া। ২) পার্শ্ববর্তী দেশের পরিকল্পনা সফল করা। ফ্যাসিবাদ সরকারের দোসর বিজিএমইএ-এর বিগত নির্বাচনের ভোট ডাকাতির মাস্টার মাইন্ড কিছু নেতা ও তাদের দলীয় স্থানীয় নেতাদের নেতৃত্বে গার্মেন্টস শিল্পে অরাজকতা সৃষ্টি হচ্ছে বলে আমাদের কাছে প্রতীয়মান। আওয়ামী লীগ ও শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা জনরোষের ভয়ে আত্মগোপনে থেকে শ্রমিক নামধারী বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে গার্মেন্টস শিল্পে অরাজকতা সৃষ্টি করে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসনের অপচেষ্টা লিপ্ত রয়েছে। তার অংশ হিসাবে তারা কারখানাগুলোতে চাকুরির দাবিতে বিভিন্ন বয়সের নারী পুরুষদের পাঠিয়ে ‘চাকরি চাই’ স্লোগান দিয়ে কারখানাগুলোতে ব্যাপক ভাংচুর চালিয়েছে। আমরা মনে করি আমাদের দেশের প্রকৃত গার্মেন্টস শ্রমিকরা কোনোভাবেই এ হামলার সাথে সম্পৃক্ত নয়। শ্রমিকরা কখনো তাদের কারখানা বন্ধ হোক তা চায় না। জাতীয় শ্রমিক ঐক্য শ্রমিক ও দেশের স্বার্থে কাজ করে। দেশপ্রেমিক ও শ্রমিকবান্ধব সংগঠন হিসাবে শ্রমজীবী মানুষ ও দেশের স্বার্থ রক্ষা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। আমরা শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় অঙ্গীকারাবদ্ধ। তাই এই ক্রান্তিকালীন সময়ে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি নিয়ে প্রতিনিয়ত মালিকদের সাথে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে আলোচনা চালিয়ে আসছি। আগামী দিনেও শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে মালিকদের সাথে আলোচনা করে আমরা ভূমিকা রাখবো। গার্মেন্টস শিল্প রক্ষায় সাভার, আশুলিয়া, মিরপুর, ইপিজেড অঞ্চলসহ দেশের সকল পোশাক শিল্প এলাকায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে শ্রমিক ও গার্মেন্টেসের নিরাপত্তা প্রদানের জন্য আমরা আহ্বান জানাচ্ছি এবং পাশাপাশি দুষ্কৃতিকারী ও চক্রান্তকারীদেরকে খুঁজে বের করে দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাই। একই সাথে শ্রমিক-জনতাকেও তাদের কর্মক্ষেত্রকে সুরক্ষিত রাখার আহ্বান জানাচ্ছি। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক জোট বাংলাদেশের সভাপতি মাহতাব উদ্দীন শহীদ, বাংলাদেশ রেলওয়ে এমপ্লয়ীজ লীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান, বাংলাদেশ অটোরিক্সা ও হালকা যান পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম ফারুক, ন্যাশনাল ওয়াকার্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন জনি, জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রগতিশীল গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কামরুন নাহার, বাংলাদেশ দর্জি শ্রমিক ফেডারেশনের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসাইন, বাংলাদেশ প্রগতিশীল নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশনের সহ-সভাপতি নুরুল আমিন, বাংলাদেশ সংবাদপত্র কর্মচারী ফেডারেশনের যুগ্ম মহাসচিব তানভীর হোসাইন, বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা ও লোকাল গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মীর মোঃনজুলহাস প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ফরিদা ইয়াসমিন চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নির্বাচিত হয়েছেন মিরসরাই থানার ফরিদা ইয়াসমিন। এর আগেও তিনি জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছিলেন। অপরাধ দমন ও মাদক উদ্ধারে বিশেষ অবদানের জন্য মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ সভায় পুলিশ সুপার মাসুদ আলম তার হাতে শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কার তুলে দেন।

পুলিশ জানায়, ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত মিরসরাই থানার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রথম নারী ওসি ফরিদা ইয়াসমিন অপরাধ দমন এবং মাদক উদ্ধার অভিযানে সাফল্য দেখিয়েছেন।এছাড়াও ডাকাতির মালামাল উদ্ধার ও আসামী গ্রেফতার, হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতারসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য তাকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মাসুদ আলম ছাড়াও জেলার অন্যান্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ওসি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, এই সম্মাননা মিরসরাই থানার প্রতিটি পুলিশ সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আমরা সর্বদা কাজ করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক, ফের উৎপাদনে ফিরল সিইউএফএল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অবশেষে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় উৎপাদনে ফিরেছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল)।দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে কারখানাটিতে ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হয়। এর আগে গ্যাস সংকটের কারণে গত ৪ মার্চ কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

দীর্ঘদিন পর কারখানাটি পুনরায় চালু হওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের মধ্যে স্বস্তি ও উৎসাহ ফিরে এসেছে।কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মিজানুর রহমান জানান, দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস পর আমরা উৎপাদনে ফিরেছি। এই দীর্ঘ সময়ে যে ক্ষতি হয়েছে, নিয়মিত উৎপাদনের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই তা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।

সিইউএফএলের বিগত কয়েক বছরের ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কারখানাটি মাত্র পাঁচ দিন চালু রাখতে পেরেছিল। ২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি বন্ধ হওয়ার দীর্ঘ সময় পর তা অক্টোবরে চালু হয়। এরপর ২০২৫ সালের বিভিন্ন সময়ে যান্ত্রিক ত্রুটি ও গ্যাস সংকটের কারণে বারবার কারখানাটি বন্ধ ও চালুর প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছে। সর্বশেষ গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, যা দীর্ঘ ছয় মাসেরও বেশি সময় পর ১৫ সেপ্টেম্বর পুনরায় চালু হলো।

সিইউএফএলের উৎপাদন বিভাগের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) উত্তম চৌধুরী মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজ সকালে আমাদের উৎপাদন প্রাথমিকভাবে শুরু হয়েছে। গত মাসের শেষের দিকে আমরা গ্যাস পেলেও কারিগরি ত্রুটির কারণে তাৎক্ষণিকভাবে উৎপাদনে ফিরতে পারিনি। এরপর একে একে সব যন্ত্রপাতি সচল করার চেষ্টা করা হয়েছে। আশা করি, আগামীকালের মধ্যে কারখানাটি পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত ও স্বাভাবিক অবস্থায় আসবে।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ছয়টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হয়। এর আগে গ্যাস সরবরাহ পাওয়ার পর প্রথমে অ্যামোনিয়া উৎপাদন শুরু করা হয়। এরপর ধাপে ধাপে ইউরিয়া প্ল্যান্ট চালুর কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। চালুর প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু যান্ত্রিক জটিলতা দেখা দিলেও তা দ্রুত সমাধান করা হয়।

কাফকোর পাশেই অবস্থিত সিইউএফএলে দীর্ঘদিন ধরেই গ্যাস সংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হয়ে আসছে। কারখানাটির পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনের জন্য দৈনিক প্রায় ৪৮ থেকে ৫২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন হয়। একসময় দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও বিভিন্ন কারণে বর্তমানে এর কার্যকর সক্ষমতা অনেকটাই কমেছে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ