আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামসহ ২৫ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক ঃ চট্টগ্রামে ফরিদা খানম

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত উপসচিব ফরিদা খানম। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্র্বতী সরকার বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরের সংস্কার শুরু করেছেন। এরই অংশ হিসেবে গত ২০ আগস্ট চট্টগ্রামসহ দেশের বেশিরভাগ জেলার জেলা প্রশাসককে (ডিসি) প্রত্যহার করে নিয়েছিল। অবশেষে ২০ দিন পর নতুন জেলা প্রশাসক পেল চট্টগ্রামসহ ২৫টি জেলা। আজ ৯ সেপ্টেম্বর সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখার স্মারক নং-০৫.০০.০০০০.১৩৯.১৯.০০১.২৪-৪০৬ মূলে উপসচিব হোসনা আফরোজ স্বাক্ষরিত জারীকৃত প্রজ্ঞাপনে চট্টগ্রামসহ ২৫টি জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। এর আগে ২০২২ সালের ২৩ নভেম্বর চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োাগ পান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান। তাকে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের পরিচালক পদে বদলি করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত উপসচিব ফরিদা খানম তার স্থলাভিষিক্ত হলেন।
অন্তবর্তীকালীন সরকার শপথ নেওয়ার মাসপূর্তির একদিন পর ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ ২৫ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা, ফরিদপুর, সিলেট, হবিগঞ্জ, ময়মনসিংহ, শেরপুর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রংপুর, গাইবান্ধা, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, বগুড়া, জয়পুরহাট, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, চাঁদপুর, গাজীপুর, কুমিল্লা, মৌলভীবাজার, খুলনা ও গোপালগঞ্জে নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানভীর আহমেদকে ঢাকা, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে সংযুক্ত উপসচিব মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যাকে ফরিদপুর, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পি.কে.এম এনামুল করিমকে সিলেট, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. মো. ফরিদুর রহমান হবিগঞ্জ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার একান্ত সচিব মুফিদুল আলমকে ময়মনসিংহ, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব তরফদার মাহমুদুর রহমানকে শেরপুর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ফারহানা ইসলামকে কুষ্টিয়া, দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল আওয়ালকে ঝিনাইদহ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপসচিব মো. অহিদুল ইসলামকে মাগুরা, কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ রবিউল ফয়সালকে রংপুর, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে সংযুক্ত উপসচিব চৌধুরী মোয়াজ্জম আহমদকে গাইবান্ধা, দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল আউয়ালকে নওগাঁ ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রাজীব কুমার সরকারকে নাটোরের জেলা প্রশাসক হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এ ছাড়া পাবনায় স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম, বগুড়ায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হোসনা আফরোজা, জয়পুরহাটে বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি-২ এর সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. সাইদুজ্জামান, কক্সবাজারে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, নোয়াখালীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে সংযুক্ত উপসচিব খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ, চাঁদপুরে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন, গাজীপুরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব নাফিসা আরেফীন, কুমিল্লায় পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঃ আমিরল কায়সার, মৌলভীবাজারে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইসরাইল হোসেন, খুলনায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং গোপালগঞ্জে ঢাকা হজ্জ অফিসের পরিচালক মুহম্মদ কামরুজ্জামান জেলা প্রশাসক হিসেবে বদলি হয়েছেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির দিনে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। ওইদিনই বিলুপ্ত হয় মন্ত্রিসভা। পরদিন ৬ আগস্ট দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেন রাষ্ট্রপতি।
এরপর গত ৮ আগস্ট শপথ নেন অন্তর্র্বতী সরকার। এ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এছাড়াও অন্তর্র্বতী সরকার রয়েছেন ২০ জন উপদেষ্টা। অন্তর্র্বতীকালীন সরকার প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে রদবদল আনছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মাঠ প্রশাসনকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেয় অন্তর্র্বতীকালীন সরকার। দায়িত্ব নেওয়ার পরই জনপ্রশাসনে বড় পরিবর্তনে হাত দেয় সরকার।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ