আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

লালমনিরহাটে ট্রাক আটকিয়ে ২০৬ তামাক লুট

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

৫ আগস্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার পতন ও দেশ ছেরে পালিয়ে যাওয়ার পর পরেই শুরু হয় সারাদেশে জুড়ে তান্ডব, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, তারেই ধারাবাহিকতায় লালমনিরহাট জেলার সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নে বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট এর মতো ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
এর ধারাবাহিকতায়,গত ৮ আগষ্ট রাজপুর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান মোফা তার থেকে তার একটি তামাক গোডাউন থেকে ২০৬ মন তামাক ট্রাক যোগে হারাগাছ পৌরসভা এলাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে রাজপুর ইউনিয়ন এর ২ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য সাজা মিয়ার নির্দেশে তার দলীয় সন্ত্রাসী ক্যাডার বাহিনীরা তামাকের ট্রাক টি আটক করে সমস্ত তামাক লুট করে নিয়ে গিয়ে তার বাড়ির গোডাউনে রক্ষিত রাখে। তার কাছে তামাক আটকের কথা জানতে চাইলে প্রথমে তিনি অস্বীকার করেন পরে তামাক নিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি স্বীকার করেন এবং বলেন যে আমি চেয়ারম্যান মোফার কাছে টাকা পাবো সে কারনে তামাক গুলো আটক করেছি, এ ব্যপারে তামাকের মালিক মোফাজ্জল হোসেন মোফা চেয়ারম্যান এর নিকট যানতে চাইলে তিনি বলেন সাজা মেম্বার আমার কাছে ২ লাখ টাকা পেতো তা আমি অনেকদিন আগে পরিশোধ করে দিয়েছি। মোফা চেয়ারম্যান আরো বলেন রাজপুরে আমার তামাকের গোডাউন লুট ও আমার বাড়ির গোডাউন থেকে তামাক হারাগাছ নিয়ে যাওয়ার সময় লুট এসব কোন টাকা পয়সা পাওনা দাওনার কোন বিষয় না আমি আওয়ামী লীগ এর রাজনীতি করি এটাই আমার অপরাধ। আমি বর্তমানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ঢাকায় নিহত ছাত্রদের ৩ টি হত্যা মামলায় আত্মগোপন করে আছি আর সন্ত্রাসীরা এই সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে আমার কোটি টাকার তামাক লুট করে নিয়ে যায়। আমি বর্তমান তত্বাবধায়ক সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড, মোহাম্মদ ইউনুস সহ সকল উপদেষ্টা মহোদয়ের সু-দৃষ্টি কামনা করছি যাতে করে আমার গোডাউনে রক্ষিত কোটি টাকার তামাক ফেরতের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চালের কার্ড দিবে বলে প্রতারনা স্বর্ণালংকার লুট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে প্রতারক চক্রের ফাঁদে পড়ে শামসুন নাহার (৬০) নামের এক বৃদ্ধা কানের দুল ও স্বর্ণের রকেটসহ মূল্যবান জিনিসপত্র হারিয়েছেন। রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে গোমদন্ডী বুড়ি পুকুর পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগীরা হলেন বোয়ালখালী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মজুমদার তালুকদার বাড়ির শামসুন নাহার ও তার পুত্রবধূ খুরশিদা বেগম (২৭)।

খুরশিদা বেগম জানান, বুড়িপুকুরপাড় এলাকার একটি মাদ্রাসায় ছেলেকে দেখতে যান তারা। পরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলে প্রায় ৩০ বছর বয়সী এক যুবক তাদের পথরোধ করে ‘চাউলের কার্ড’ করে দিলে সরকারি চাউলের বস্তা দেওয়া হবে বলে জানায়। পরে তাদের আঙুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে বলে। তিনি বলেন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট কাজ করছে না বলে ওই যুবক জানতে চায় তাদের কাছে কোনো স্বর্ণ আছে কি না। তখন তিনি এক জোড়া কানের দুল খুলে দেন। পরে আবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার কথা বলে তাকে সামনে একটি দোকানে যেতে বলে এবং শাশুড়ি শামসুন নাহারকে সেখানে রেখে যেতে বলে।এ সুযোগে তিনজন প্রতারক শামসুন নাহারকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়।

শামসুন নাহার জানান, তাকে সিএনজিতে করে অলিবেকারী এলাকায় নিয়ে গিয়ে এক জোড়া কানের দুল ও ধারালো কিছু দিয়ে গলার স্বর্ণের রকেট কেটে নেয় প্রতারকরা। পরে একটি স্থানে নামিয়ে দিয়ে তারা পালিয়ে যায়। প্রতারক চক্র শাশুড়ি ও পুত্রবধূর কাছ থেকে দুই জোড়া কানের দুল প্রায় ১২ আনা স্বর্ণ, একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের ফাইল নিয়ে যায়। সব মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল হাতিয়ে নেয় তারা।
এ ঘটনায় বোয়ালখালী থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন খুরশিদা বেগম।

চট্টগ্রামে ফুটপাতে উদ্ধার নবজাতকের চিকিৎসা শেষে জিম্মায় দিল পুলিশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী থানা এলাকায় পরিত্যক্ত এক নবজাতককে উদ্ধার করে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে আইনি প্রক্রিয়ায় নিরাপদ জিম্মায় দিয়েছে পুলিশ।

কোতোয়ালী থানা পুলিশ জানায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কোতোয়ালী থানাধীন ব্রিজঘাট সংলগ্ন এস আলম বাস কাউন্টারের বিপরীত পাশের ফুটপাতে পরিত্যক্ত অবস্থায় একদিন বয়সী একটি ছেলে নবজাতক উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিশুটিকে গামছা ও তোয়ালে জড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দুর্বল থাকায় কোতোয়ালী থানা পুলিশের তত্ত্বাবধানে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

কোতোয়ালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) নূরে আল মাহমুদ জানান, প্রায় ২০ দিনের চিকিৎসা শেষে শিশুটি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শিশুটিকে হাটহাজারী উপজেলার চিকনণ্ডী ইউনিয়নের বাদামতল এলাকার বাসিন্দা জেসমিন আক্তারের জিম্মায় দেওয়া হয়। শিশুটির সার্বিক খোঁজখবর নিয়মিত রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ