আজঃ বৃহস্পতিবার ১৪ মে, ২০২৬

রূপগঞ্জে সস্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি ও লুটতরাজ নির্মূলে শান্তি সমাবেশ

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রুপগন্জে ,মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও লুটতরাজ নির্মূলে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিএনপি শান্তি সমাবেশ করেছে। গতকাল ১৩সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেলে রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এ কর্মসূচি পালন করে। ডহরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এ শান্তি সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি গোলাম রসূল।
সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির নির্বাহী সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মনিরুজ্জামান মনির, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মাহাবুবুর রহমান, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সম্পাদক মাহফুজ আহম্মেদ, জেলা কৃষকদলের সভাপতি শাহিন মিয়া, তারাবপৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রিপন, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবু মাছুম, রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এডভোকেট আমিরুল ইসলাম ইমন, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল মিয়া, তারাবো পৌর বিএনপি’র যুগ্ন সম্পাদক হাফিজুর মিয়া, রূপগঞ্জ উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি হাওয়া বেগম, সাধারণ সম্পাদক রোমানা আফরিন প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও লুটতরাজ নির্মূল করতে হবে। বিএনপিতে কোন অপরাধীর জায়গা নেই। সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। সংখ্যলঘু, ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের জানমাল নিরাপত্তায় সকলকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। তবেই এদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।
পরে বিক্ষোভ মিছিল তারা আড়াইহাজার-রূপগঞ্জ সড়কের ডহরগাঁও এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদী থেকে অবৈধ মাটি উত্তোলন: ট্রাক্টরসহ ১জন আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের ৬, ৭ ও ৮ নম্বর স্পার বাঁধ এলাকায় পদ্মা নদী ও আশপাশের কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় মাটিভর্তি একটি ট্রাক্টরসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে সুন্দরপুর ইউনিয়নের শিবিরহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইকরামুল হক নাহিদ। অভিযানে মাটি পরিবহনের সময় মোঃ সোহবুল হকের ছেলে মোঃ সুমন আলী (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি সদর উপজেলার জয়ন্দীপুর রামকৃষ্ণপুর এলাকার বাসিন্দা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি স্বীকার করেন, পদ্মা নদীর তীরবর্তী জয়ন্দীপুর এলাকার কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে তা বিভিন্ন ইটভাটায় পরিবহন করা হচ্ছিল।

পরে তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে “ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩” এর ১৫ ধারায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জরিমানার টাকা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।

অভিযান চলাকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইকরামুল হক নাহিদ বলেন, নদী ও কৃষিজমি রক্ষায় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

এদিকে স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই প্রভাবশালী একটি চক্র রাত-দিন ট্রাক্টর ও ভেকু দিয়ে নদীর তীর ও ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এতে একদিকে যেমন কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে নদীর তীর ভাঙনের ঝুঁকিও বাড়ছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, “ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রতিদিন শত শত ট্রাক্টর মাটি বহন করছে। প্রশাসনের অভিযানকে আমরা স্বাগত জানাই, তবে শুধু জরিমানা নয়—স্থায়ীভাবে এই মাটি লুট বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে নদী ও কৃষিজমি রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চট্টগ্রামে ব্যাংকের ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ : ৫ কর্মকর্তার কারাদণ্ড।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে জনতা ব্যাংকের শেখ মুজিব রোড করপোরেট শাখার ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা আত্মসাতের মামলায় ব্যাংকের সাবেক পাঁচ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ধারায় আট বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন জনতা ব্যাংক শেখ মুজিব রোড করপোরেট শাখার সাবেক কর্মকর্তা মো. আবু তৈয়ব, বাবুল চন্দ্র মজুমদার, রনেন্দ্র বিকাশ সাহা, মোসলেম উদ্দিন এবং জনতা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সাবেক এসপিও (আইডি রিকন) মো. সাঈদ হোসেন। রোববার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ৪৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এসময় পাঁচ আসামিই আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।এ মামলায় একই শাখার সাবেক কর্মকর্তা নুরুল হুদাকে খালাস দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আরেক আসামি আবু বকর সিদ্দিকীর রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে।মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০০০ সালের ২৯ মার্চ পর্যন্ত সময়ে জনতা ব্যাংক শেখ মুজিব রোড করপোরেট শাখার কয়েকজন কর্মকর্তা ও গ্রাহক যোগসাজশে ব্যাংকের বিভিন্ন হিসাব থেকে অবৈধভাবে অর্থ স্থানান্তর করেন।

পরে সেই অর্থ বিভিন্ন চলতি ও এসটিডি হিসাবের মাধ্যমে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়। এ ঘটনায় বিশেষ পরিদর্শন দলের তদন্তে ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা আত্মসাতের তথ্য উঠে আসে। পরবর্তী সময়ে ২০০০ সালের ৬ এপ্রিল জনতা ব্যাংকের তৎকালীন ওই শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. আবুল কাসেম মিয়া নগরের ডবলমুরিং থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৪ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। পরে ২০১৩ সালের ৬ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

দুদক চট্টগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর এড.মো. এনামুল ইসলাম জানান, ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত পাঁচ আসামিকে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় পাঁচ বছর, ৪২০ ধারায় দুই বছর এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। সব সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে। তিনি আরও জানান, আদালত প্রত্যেক আসামিকে ৪৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ