সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশ পুনর্গঠন, এবং পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা চেয়েছেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সফররত মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা এ সহায়তা চান। নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের চ্যালেঞ্জসমূহ উল্লেখ করে বলেন, তার সরকার দ্রুততার সঙ্গে অর্থনীতি পুনর্গঠন, সংস্কার ও পুনরায় সচল করার পাশাপাশি আর্থিক খাতে সংস্কার, বিচার বিভাগ ও পুলিশ বিভাগ কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়েছে।বৈঠকে তিনি উল্লেখ করেন- বর্তমান সময়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্রদের নেতৃত্বে বিপ্লব সম্পর্কে বলেন, এই বিপ্লব বাংলাদেশে নতুন আশা জাগানিয়া যুগের সূচনা করেছে। মার্কিন প্রতিনিধিদলের কাছে অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরে বলেন, তার সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ভোট কারচুপি প্রতিরোধে নির্বাচন কমিশন সংস্কার এবং বিচার বিভাগ, পুলিশ, জনপ্রশাসন, দুর্নীতি দমন কমিশন ও সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে ছয়টি কমিশন গঠন করেছে। স্বৈরাচার সরকারের ঘনিষ্ঠ দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিদের দ্বারা আত্মসাৎকৃত ও পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।অন্তর্বর্তী সরকারকে দুর্নীতির মত বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। দুর্নীতির গভীর সমুদ্রে নিমজ্জিত ছিল।যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব ও অর্থ দপ্তরের আন্তর্জাতিক অর্থায়ন বিষয়ক সহকারী আন্ডার সেক্রেটারি ব্রেন্ট নেইম্যানের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রতিনিধিদল অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, ওয়াশিংটন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহায়তা করতে পারলে আনন্দিত হবে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, ড. ইউনূস সরকারের বাস্তবায়নাধীন সংস্কার কর্মসূচিতে তারা প্রযুক্তি ও আর্থিক সহায়তা দিতে আগ্রহী।ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে আর্থিকখাতের সংস্কার, বিনিয়োগ, শ্রম পরিস্থিতি, রোহিঙ্গা সঙ্কট এবং জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার আসন্ন নিউইয়র্ক সফর নিয়ে আলোচনা হয়।ব্রেন্ট নেইম্যানের নেতৃত্বে মার্কিন প্রতিনিধিদলে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু, যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চ এবং মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের পরিচালক জেরড ম্যাসন। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত ড. লুৎফে সিদ্দিকী, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক (সিনিয়র সচিব) লামিয়া মোরশেদ, পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিন এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শহারিয়ার কাদের সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

একটি মহল ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টি করে দেশের সম্প্রীতি নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে-মীর্জা ফখরুল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ দেশ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও মর্যাদার দেশ। ধর্মকে কেন্দ্র করে বিভেদ সৃষ্টি করে কেউ যেন সমাজে অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে৷ সরকার সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।
মির্জা
শুক্রবার ৩১ জুলাই রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সম্মিলিত সনাতন পরিষদের আয়োজনে ‘সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা ও প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, হাজার বছর ধরে এ ভূখণ্ডে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে আসছে। তাই ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে বিভক্ত করার কোনো সুযোগ নেই। আমি কখনোই আপনাদের সংখ্যালঘু মনে করি না। আপনারা এ দেশের সন্তান, এ দেশের নাগরিক।

তিনি বলেন- মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল সব মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রাম। সেই চেতনা ধারণ করেই একটি গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। ধর্মীয় পরিচয় নয়, নাগরিক পরিচয়ই হবে রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি।

একটি মহল ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টি করে দেশের সম্প্রীতি নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। বাংলাদেশে উগ্রবাদ ও মৌলবাদের কোনো স্থান নেই। আমরা একটি উদার, গণতান্ত্রিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ প্রমুখ।

এক কোটি ৬০ লাখ শিক্ষার্থী প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ড কাপ টুর্নামেন্টের সঙ্গে যুক্ত হবে : শিক্ষামন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশের প্রায় এক কোটি ৬০ লাখ শিক্ষার্থী প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ড কাপ টুর্নামেন্টের আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়ার ভিত্তি শক্ত করে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যেই আয়োজন করা হচ্ছে প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ড কাপ টুর্নামেন্ট। শিক্ষা ও খেলাধুলাকে সমন্বয় করে সুস্থ, দক্ষ ও মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তোলাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলা সম্প্রসারণ এবং যুব সমাজকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের প্রাথমিক পর্যায়ের ২২ লাখ শিক্ষার্থী নিয়ে এর আগে বড় পরিসরে ক্রীড়া আয়োজন করা হয়েছে।এবার মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে দেশব্যাপী এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হচ্ছে। দেশের প্রায় এক কোটি ৬০ লাখ শিক্ষার্থী এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হবে।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে ১৯ হাজার ২২১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১ হাজার ৯৫৬টি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ৩ হাজার ৩৮০টি কলেজ, ৯ হাজার ২৯৬টি মাদ্রাসা এবং ৬৭৮টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম থেকে একইদিনে একই সময়ে দেশের সব উপজেলায় এই টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করা হবে। তবে চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতির কারণে পূর্বনির্ধারিত ৯ আগস্টের পরিবর্তে আগামী সেপ্টেম্বরের ৯ অথবা ১০ তারিখ উদ্বোধনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এসময় ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক প্রমুখ।

প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, একটি ভবন শক্ত করতে হলে যেমন এর ভিত্তি শক্ত করতে হয়, তেমনি ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নের জন্য যেতে হবে একদম তৃণমূল পর্যায়ে। প্রান্তিক পর্যায় থেকে প্রতিভা খুঁজে এনে তাদের বিকাশের সুযোগ তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য।তিনি বলেন, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায় থেকে খেলোয়াড় তৈরি হলে দেশের ক্রীড়াঙ্গন আরও শক্তিশালী হবে।পাশাপাশি মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখতে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ক্রীড়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা স্কলারশিপের সুযোগ পায়।বাংলাদেশের মেধাবী খেলোয়াড়দেরও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করতে হবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ড কাপ টুর্নামেন্টের জন্য লোগো, রিলস, মাসকট, স্লোগান ও থিম সং তৈরিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সাড়া পাওয়া গেছে। নির্বাচিত সেরাদের প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে পুরস্কৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, চট্টগ্রাম থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজন দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ, সুস্থ ও আত্মবিশ্বাসী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ