আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

বিএনপি নেতা লিয়াকত আলী ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বাঁশখালীর গন্ডামারা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী ও তাঁর স্ত্রী  জেসমিন আকতার এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুনীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ মঙ্গলবার দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২ এর সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল মালেক বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন এবং চেয়ারম্যান দায়িত্বকালীন অসাধু উপায়ে অর্জিত অর্থ দিয়ে স্ত্রীর নামে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এরমধ্যে ১ কোটি ৬ লক্ষ ২৬ হাজার টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন এবং ২ কোটি ৮৫ লক্ষ ১৩ হাজার টাকা অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয়েছে। 

লিয়াকত আলী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক ছিলেন। এস আলমের কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে গিরে নানাভাবে আলোচিত সমালোচিত ছিলেন তিনি। 

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২ এর সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল মালেক বলেন, দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা তৎসহ দন্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামরাটি দায়েররকরা হয়েছে। 

 মামলার এজেহারে বলা হয়েছে, লিয়াকত আলীর  দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১,০৬,২৬,২৬২/- টাকা সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করেন এবং ২,৮৫,১৩,৬৬২/- টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনপূর্বক ভোগ দখলে রেখে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬
(২) ও ২৭ (১) ধারায় শান্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এছাড়া মোহাম্মদ লেয়াকত আলী  কর্তৃক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব কালীন অসাধু উপায়ে অর্জিত অর্থ দিয়ে তার স্ত্রী আসামী জেসমিন আকতার এর নামে সম্পদ অর্জনের সহযোগিতা করায় দন্ডবিধির ১০৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

তিনি দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ২,৩৯,৭৫,০০০/- টাকার স্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য ঘোষণা দেন। দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণী যাচাইকালে তার নামে ১৬টি দলিল মূলে ২,৬৫,৫৫,৮৭৯/- টাকার স্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য
পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে (২,৬৫,৫৫,৮৭৯-২,৩৯,৭৫,০০০) =
২৫,৮০,৮৭৯/- টাকার স্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করেন। অর্থাৎ দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ২৫,৮০,৮৭৯/- টাকার স্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করায় দুর্নীতি দমন
কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬ (২) ধারায় শান্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে কোন অস্থাবর সম্পদ অর্জনের ঘোষণা দেননি। তার
দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণী যাচাই/অনুসন্ধানকালে তার নামে (১) একটি প্রাইভেট কার যার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো ঘ-১১-০৩৬২ মূল্য- ১১,৮০,০০০/- টাকা, (২) বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম হতে গত ২৯.০৬.২০২০ তারিখে রেজিস্ট্রেশন নং-২০২০০৩০৪২৫৯ মূলে মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয় ক্রয়- ৫,০০,০০০/- টাকা, (৩) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, বাঁশখালী শাখা, চট্টগ্রামের হিসাব
নং-৩২০৮-০৩১১০৭০০২৯ তে ব্যাংক হিসাব বিবরণী মোতাবেক প্রাপ্ত- ১,৩৯,৯৪৬/- টাকা, (৪) ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, পাচঁলাইশ শাখা, চট্টগ্রাম এর হিসাব নং- ০২৩৬১২২০০০০১৫৫৬ তে ব্যাংক হিসাব বিবরণী মোতাবেক প্রাপ্ত- ১,০৪,৬১৫/- টাকা, (৫) ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, পাচঁলাইশ শাখা, চট্টগ্রাম এর হিসাব নং-০২৩৬১১৮০০০০০০০৩ তে ব্যাংক হিসাব বিবরণী মোতাবেক প্রাপ্ত- ৩৭,২৯৩/- টাকা, (৬) ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, বাঁশখালী শাখা, চট্টগ্রাম এর হিসাব নং-০১৮৭১৪১০০০০০২৫৮ তে ব্যাংক হিসাব বিবরণী মোতাবেক প্রাপ্ত-
৫১,৮৩,০৮৮/- টাকা, (৭) ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, বাঁশখালী শাখা, চট্টগ্রাম এর হিসাব নং-
০১৮৭১২২০০০০৯০০৩ তে ব্যাংক হিসাব বিবরণী মোতাবেক প্রাপ্ত- ৪৪১/- টাকা ও (৮) ব্যবসায় বিনিয়োগ, ২০২৩-২৪ কর
বৎসরের আয়কর রিটার্ন মোতাবেক- ৯,০০,০০০/- টাকাসহ মোট = (১১,৮০,০০০+৫,০০,০০০+ ১,৩৯, ৯৪৬+১, ০৪, ৬১৫+
৩৭,২৯৩+৫১,৮৩,০৮৮+৪৪১+৯,০০,০০০) =৮০,৪৫,৩৮৩/- টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ তিনি
দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ৮০,৪৫, ৩৮৩/- টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করেন। অর্থাৎ দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ২৫,৮০,৮৭৯/- টাকার স্থাবর সম্পদ ও
৮০,৪৫,৩৮৩/- টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট (২৫, ৮০, ৮৭৯+ ৮০, ৪৫, ৩৮৩) = ১,০৬,২৬,২৬২/- টাকার সম্পদ অর্জনের
তথ্য গোপন করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬ (২) ধারায় শাস্তিযোগ্যঅপরাধ করেছেন।

অন্যদিকে পর্যালোচনায় দেখা যায় জেসমিন আকতার ( ১) ব্যবসা হতে আয়
৬৬,৭৯,৩৩৩/- টাকা (২) কৃষি হতে আয় ৩৩,৯৭,১৯৭/- টাকা, (৩) ব্যাংক সুদ ৬,৪৪, ৩৩১/- টাকা ও (৪) অন্যান্য হতে
আয় ১৬,৭৩৯/- টাকাসহ তার নামে মোট (৬৬,৭৯, ৩৩৩+৩৩,৯৭, ১৯৭+৬, ৪৪, ৩৩১+১৬, ৭৩৯) = ১,০৭,৩৭,৬০০/-
টাকা আয় করেছেন। সংগৃহীত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় তার উক্ত আয় গ্রহণযোগ্য মর্মে বিবেচনা করা হয়েছে। একই সময়ে তিনি পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়সহ বাবদ মোট ৪৬,৫০,০০০/- টাকা ব্যয় করেছেন মর্মে তার আয়কর নথিতে প্রদর্শন করেছেন। যাচাই/অনুসন্ধানকালে সংগৃহীত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় তার উক্ত ব্যয় গ্রহণযোগ্য মর্মে বিবেচনা করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন
কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীর দায়ের কলামে তিনি কোন দায়ের তথ্য প্রদান করেননি। এছাড়া দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণী যাচাই/অনুসন্ধানকালে দায়/ঋণ সংক্রান্ত কোন রেকর্ডপত্র দাখিল বা উপস্থাপন করেননি। বিধায় তার নামে কোন দায় নেই মর্মে
প্রতীয়মান হয় ।

যাচাই/অনুসন্ধানকালে সংগৃহীত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় আসামী জেসমিন আকতার এর নামে ৩,৪৬,০১,২৬২/- টাকার
স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। একই সময়ে তিনি ৪৬,৫০,০০০/- টাকার পারিবারিক ব্যয়সহ অন্যান্য ব্যয় করেছেন। ব্যয়সহ তার মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ (৩,৪৬, ০১, ২৬২+৪৬,৫০,০০০) = ৩,৯২,৫১,২৬২/-টাকা। উক্ত সম্পদ অর্জনের বিপরীতে তার বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া যায় ১,০৭,৩৭,৬০০/- টাকার। এক্ষেত্রে
তার অর্জিত সম্পদের চেয়ে তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ পাওয়া যায় (৩,৯২,৫১,২৬২-
১,০৭,৩৭,৬০০) = ২,৮৫,১৩,৬৬২/- টাকার। অর্থাৎ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ২,৮৫,১৩,৬৬২/- টাকার সম্পদ অর্জনপূর্বক ভোগ দখলে রাখায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারায় শান্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
তাছাড়া আসামী জেসমিন আকতার দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ২,৩৯,৭৫,০০০/- টাকার
স্থাবর সম্পদ অর্জন এবং কোন অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেননি মর্মে ঘোষণা দেন। তার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণী যাচাইকালে তার নামে ৩,৪৬,০১,২৬২/- টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে (৩,৪৬, ০১, ২৬২-২, ৩৯,৭৫,০০০) = ১,০৬,২৬,২৬২/- টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করেন। অর্থাৎ আসামী দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১,০৬,২৬,২৬২/- টাকার
সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান এবং জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ২,৮৫,১৩,৬৬২/- টাকার সম্পদ অর্জনপূর্বক ভোগ দখলে রাখায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারায় শান্তিযোগ্য
অপরাধ করেছেন। এছাড়া আসামী জেসমিন আকতার এর নামে তার স্বামী আসামী মোহাম্মদ লেয়াকত আলী কর্তৃক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব কালীন অসাধু উপায়ে অর্জিত অর্থ দিয়ে তার স্ত্রী জেসমিন আকতার এর নামে সম্পদ অর্জনের সহযোগিতা করায় দন্ডবিধির ১০৯ ধারায় শান্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করে : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেড চিটাগাং ক্যাটল (আরসিসি)-এর গুরুত্ব তুলে ধরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, লাল গরুর দেশ চট্টগ্রাম। দুধ হয়তো কিছুটা কম দেয়, কিন্তু মাংসের দিক থেকে এবং জাতগত বৈশিষ্ট্যে রেড চিটাগাং ক্যাটলের তুলনা পৃথিবীর কোথাও নেই। তাই এই জাত সংরক্ষণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। উপদেষ্টা বুধবার সকালে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি হাব সংলগ্ন মাঠে “চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডেইরি খাতের উন্নয়ন: সম্ভাবনা ও করণীয়” -শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপষ্টো বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে গুঁড়া দুধ আমদানি করে। এই টাকা যদি দেশীয় দুধ উৎপাদন বাড়াতে ব্যয় করা হয়, তাহলে আমদানির প্রয়োজন কমবে। গুঁড়া দুধ তরল দুধে ভেজালের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তাই আমাদের শপথ নিতে আমদানি কমিয়ে দেশীয় তরল দুধের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল ও ভর্তুকি প্রসঙ্গে উপষ্টো বলেন, ব্যাপক আলোচনা ও প্রচেষ্টার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্প খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল রেয়াত এবং ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া সম্ভব হয়েছে। এটি প্রাথমিক উদ্যোগ হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। তিনি খামারি নিবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নিবন্ধন ছাড়া প্রকৃত চিত্র জানা সম্ভব নয়। অনলাইনে নিবন্ধন হলে সব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে এবং নীতিনির্ধারণ সহজ হবে।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিসম্প ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর মাধ্যমে খামারিরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, পিজি গ্রুপ গড়ে উঠেছে এবং অনেকের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে ডেইরি কার্যক্রম। তিনি বলেন, অনেকে বলছেন, লাভ-ক্ষতির হিসাব না করেও এটি এখন তাদের জীবনের অংশ। এর মানে ভবিষ্যতে এখান থেকেই তারা টেকসইভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।
নারীরে উদ্দেশে তিনি বলেন, দুধ শুধু উৎপানের পরিসংখ্যান নয়-মানুষ কতটা দুধ গ্রহণ করছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য দুধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা হাড়ের রোগ ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

এলডিডিপি’র মাধ্যমে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্কুলে দুধ সরবরাহ শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দরিদ্র ও শহুরে শিশুদের জন্য যা কার্যকর উদ্যোগ। তিনি বলেন, বাংলাশে তরুণদের দেশ। ডেইরি ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। আমরা সংগ্রামী জাতি-দেশের উন্নয়নের জন্য এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।

সেমিনারে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাশে ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (কৃত্রিম প্রজনন) মোঃ শাহজামান খান তুহিন, পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. বেগম শামছুননাহার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (পরিচালক) ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেইন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বয়জার রহমান। এছাড়া এলডিডিপিথর আওতায় ডেইরি হাব কার্যক্রম: বাস্তবায়ন, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা শীর্ষক উপস্থাপনা ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক ডা. মোঃ মোস্তফা কামাল।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ