সারাদেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পেল সেনাবাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা পেয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা আগামী দুই মাসের জন্য।১৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রুর স্বাক্ষরকৃত এ প্রজ্ঞাপনে পরবর্তী ৬০ দিনের জন্য সেনা কর্মকর্তাদের এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

সেনাবাহিনীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ‘ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮’ এর ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারার অপরাধের বিবেচনায় নিতে পারবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যেসব ক্ষমতা রয়েছে-
ধারা ৬৪ : ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার বা গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়ার এবং হেফাজতে রাখার ক্ষমতা।
ধারা ৬৫ : গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা বা তার উপস্থিতিতে গ্রেপ্তারের নির্দেশনা যার জন্য তিনি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন।
ধারা ৮৩/৮৪/৮৬ : ওয়ারেন্ট অনুমোদন করার ক্ষমতা বা ওয়ারেন্টের অধীনে গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অপসারণের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা।
ধারা ৯৫(২) : নথিপত্র ইত্যাদির জন্য ডাক ও টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের দ্বারা অনুসন্ধান এবং আটক করার ক্ষমতা।
ধারা ১০০ : ভুলভাবে বন্দি ব্যক্তিদের হাজির করার জন্য অনুসন্ধান-ওয়ারেন্ট জারি করার ক্ষমতা।
ধারা ১০৫ : সরাসরি তল্লাশি করার ক্ষমতা, তার (ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি) উপস্থিতিতে যে কোনো স্থানে অনুসন্ধানের জন্য তিনি সার্চ ওয়ারেন্ট জারি করতে পারেন।
ধারা ১০৭ : শান্তি বজায় রাখার জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা।
ধারা ১০৯ : ভবঘুরে এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তির ভালো আচরণের জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীর ক্ষমতা।
ধারা ১১০ : ভালো আচরণের জন্য নিরাপত্তা প্রয়োজনীয় ক্ষমতা।
ধারা ১২৬ : জামিনের নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা।
ধারা ১২৭ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার আদেশ দানের ক্ষমতা।
ধারা ১২৮ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য বেসামরিক শক্তি ব্যবহার করার ক্ষমতা।
ধারা ১৩০ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহার করার ক্ষমতা।
ধারা ১৩৩ : স্থানীয় উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ক্ষেত্র বিশেষে ব্যবস্থা হিসেবে আদেশ জারি করার ক্ষমতা।
ধারা ১৪২ : জনসাধারণের উপদ্রবের ক্ষেত্রে অবিলম্বে ব্যবস্থা হিসেবে আদেশ জারি করার ক্ষমতা।
উল্লিখিত ক্ষমতা ছাড়াও, যে কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর অধীনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার জন্য সরকার এবং সেই সঙ্গে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারের মধ্যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
এই আইনের অধীনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে সংঘটিত অপরাধ বা ঘটনাস্থলে তার বা তার সামনে উন্মোচিত হওয়া অপরাধগুলো বিবেচনায় নিতে পারেন। অভিযুক্তের স্বীকারোক্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী অপরাধীকে সাজা দিতে পারেন। তবে কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে তা দুই বছরের বেশি হবে না।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রুর স্বাক্ষরকৃত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে পরবর্তী ৬০ দিনের জন্য সেনা কর্মকর্তাদের এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

সেনাবাহিনীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ‘ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮’ এর ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারার অপরাধগুলো বিবেচনায় নিতে পারবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
আইনের এসব ধারা অনুযায়ী একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যেসব ক্ষমতা রয়েছে-
ধারা ৬৪ : ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার বা গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়ার এবং হেফাজতে রাখার ক্ষমতা।
ধারা ৬৫ : গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা বা তার উপস্থিতিতে গ্রেপ্তারের নির্দেশনা যার জন্য তিনি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন।
ধারা ৮৩/৮৪/৮৬ : ওয়ারেন্ট অনুমোদন করার ক্ষমতা বা ওয়ারেন্টের অধীনে গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অপসারণের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা।
ধারা ৯৫(২) : নথিপত্র ইত্যাদির জন্য ডাক ও টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের দ্বারা অনুসন্ধান এবং আটক করার ক্ষমতা।
ধারা ১০০ : ভুলভাবে বন্দি ব্যক্তিদের হাজির করার জন্য অনুসন্ধান-ওয়ারেন্ট জারি করার ক্ষমতা।
ধারা ১০৫ : সরাসরি তল্লাশি করার ক্ষমতা, তার (ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি) উপস্থিতিতে যে কোনো স্থানে অনুসন্ধানের জন্য তিনি সার্চ ওয়ারেন্ট জারি করতে পারেন।
ধারা ১০৭ : শান্তি বজায় রাখার জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা।
ধারা ১০৯ : ভবঘুরে এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তির ভালো আচরণের জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীর ক্ষমতা।
ধারা ১১০ : ভালো আচরণের জন্য নিরাপত্তা প্রয়োজনীয় ক্ষমতা।
ধারা ১২৬ : জামিনের নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা।
ধারা ১২৭ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার আদেশ দানের ক্ষমতা।
ধারা ১২৮ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য বেসামরিক শক্তি ব্যবহার করার ক্ষমতা।
ধারা ১৩০ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহার করার ক্ষমতা।
ধারা ১৩৩ : স্থানীয় উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ক্ষেত্র বিশেষে ব্যবস্থা হিসেবে আদেশ জারি করার ক্ষমতা।
ধারা ১৪২ : জনসাধারণের উপদ্রবের ক্ষেত্রে অবিলম্বে ব্যবস্থা হিসেবে আদেশ জারি করার ক্ষমতা।
উল্লিখিত ক্ষমতা ছাড়াও, যে কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর অধীনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার জন্য সরকার এবং সেই সঙ্গে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারের মধ্যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
এই আইনের অধীনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে সংঘটিত অপরাধ বা ঘটনাস্থলে তার বা তার সামনে উন্মোচিত হওয়া অপরাধগুলো বিবেচনায় নিতে পারেন। অভিযুক্তের স্বীকারোক্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী অপরাধীকে সাজা দিতে পারেন। তবে কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে তা দুই বছরের বেশি হবে না।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালী আহলা শ্রীশ্রী জয়কালী বিগ্রহ মন্দির প্রাঙ্গনে খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়েই শারদোৎসবের প্রস্তুতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী আহলা গ্রামে অবস্থিত শ্রীশ্রী জয়কালী বিগ্রহ মন্দির প্রাঙ্গনে দুর্গাপুজো ২০২৬-এর প্রস্তুতিতে জমজমাট হয়ে উঠল ধলঘাট-আহলা মিলন সংঘ। মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হল এ বছরের দুর্গাপুজোর খুঁটি পুজো। গত শুক্রবার সকাল ১১টায় শ্রীশ্রী জয়কালী বিগ্রহ মন্দির প্রাঙ্গনে খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেল শারদোৎসবের প্রস্তুতি।

এ বছর ধলঘাট-আহলা মিলন সংঘের দুর্গাপুজো পা দিচ্ছে ৫৮তম বর্ষে। ফলে এবারের পুজোকে ঘিরে শুরু থেকেই রয়েছে বাড়তি উত্তেজনা।৫৮তম বর্ষকে স্মরণীয় করে তুলতে বিশেষ আয়োজনের এবারের ভাবনা-মনের মানুষ। ভাবনা ও সৃজনে- কাল্পনিক ইভেন্টস্, মাতৃরূপায়নে- শ্যামসুন্দর স্টুডিও ও আলোক সজ্জায়: এপেক্স লাইটিং।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ধলঘাট-আহলা মিলন সংঘের সাধারণ সম্পাদক সুমন দে ও শারদীয় দুর্গাপুজোর সাধারণ সম্পাদক নয়ন কান্তি দে, চিত্তরঞ্জন চৌধুরী, অনিমেষ বিশ্বাস (বাসু), সজল দে, তাপস চৌধুরী, স্বপ্নীল দে সৌরভ, উন্মেষ দে, আকাশ দে, শ্রীমন্ত দে, জয় দে, অর্ক দে, আদিত্য দে ও সকলের উপস্থিতিতে খুঁটি পুজোর অনুষ্ঠান ও ব্যানার উম্মোচনের মধ্য দিয়ে পরিণত হয় মিলনোৎসবে।

ধলঘাট-আহলা মিলন সংঘের পুজো কমিটি ২০২৬-এর সাধারণ সম্পাদক বলেন, “এ বছর আমাদের পুজোর ৫৮তম বর্ষ। তাই এবারের উদযাপনকে আমরা স্মরণীয় করে তুলতে চাই। পুজোর থিম প্যান্ডেল এবং দুর্গাপ্রতিমার দুটোই হবে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। আমরা আশাবাদী, এবারের পুজো সকলের নজর কাড়বে।” শুধু উৎসব উদযাপন নয়, সম্প্রীতির বার্তাকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আনন্দ ও সম্প্রীতির পরিবেশে উৎসব পালনই তাঁদের মূল লক্ষ্য।

খুঁটি পুজোর সঙ্গে সঙ্গেই তাই শুরু হয়ে গেল ধলঘাট-আহলা মিলন সংঘের ৫৮তম বর্ষের দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন। থিম, প্রতিমা এবং সামাজিক উদ্যোগ সব মিলিয়ে এ বছরের পুজোকে ঘিরে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে প্রত্যাশা। এখন অপেক্ষা শরতের, যখন আলো, মন্ডপ আর উৎসবের আবহে আরও একবার সেজে ধলঘাট-আহলা মিলন সংঘের শ্রী শ্রী জয়কালী বিগ্রহ মন্দির।

পূর্বধলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে তরুণ দলের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার পূর্বধলায় নানাবিধ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পূর্বধলা উপজেলা সদরের হেলিপ্যাড সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা তরুণ দলের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।​প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।

পরবর্তীতে দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা ও আনন্দঘন পরিবেশে কেক কাটার আয়োজন করা হয়।
​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির বর্তমান আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবু তাহের তালুকদার।

নেত্রকোনা জেলা তরুণ দলের সভাপতি শেখ ফারুকের সভাপতিত্বে এবং পূর্বধলা উপজেলা তরুণ দলের সদস্য সচিব মিজানুর রহমান মিজানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আব্দুর রহিম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বাবুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান ফকির, সায়েদ আল মামুন শহীদ ফকির, রুহুল আমিন ফকির, সেলিম উদ্দিন, আনোয়ারুল ইসলাম আনার, সালাউদ্দিন আহমেদ নওয়াব ও আশরাফ উদ্দিন তালুকদার।

​এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বিকাশ ঘোষ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী তুরাগ ও উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাজু আহমেদসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ