চট্টগ্রামে স্কুলের সামনে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীর যাতায়তে প্রতিনিয়ত ভোগান্তি র‌্যাম্প নির্মাণ বন্ধের দাবি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের বাংলাদেশ মহিলা সমিতি (বাওয়া) স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র‌্যাম্প নির্মাণ বন্ধের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন। বুধবার সকাল নয়টা থেকে ওই প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা স্কুলের সামনে মূল সড়কে ঘণ্টাব্যাপি এ বিক্ষোভ কর্মসূচি করে।
এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, এখানে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে র‌্যাম্প নির্মাণকাজের ফলে স্কুলের সামনে সবসময় যানজট দেখা দিচ্ছে। মূল সড়কের দুই-তৃতীয়াংশই ছোট হয়ে গেছে। ফলে প্রতিদিন ক্লাস শুরুর আগে ও পরে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া আমাদের স্কুলের বিপরীত পাশে রয়েছে সিএমপি স্কুল অ্যান্ড কলেজ। তাই স্কুলের সামনে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র‌্যাম্প নির্মাণ বন্ধ করতে হবে। প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীর যাতায়তে ওই সড়কে প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহাতে হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাওয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের মূল ফটকের সামনে গর্ত খননের কাজ প্রায় শেষ করেছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণকারী সংস্থা। তারপরও বাকি অংশ দিয়ে গাড়ি চলাচল করছে ধীর গতিতে। কারণ নির্মাণকাজের ফলে ওই এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে ছোট ছোট অসংখ্য গর্ত, যেখানে পানি জমে থাকায় রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে গেছে। এ কারণে ওই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। তীব্র যানজটে সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ।
জানতে চাইলে চট্টগ্রাম ট্রাফিক বিভাগ উত্তরের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) কীর্তিমান চাকমা বলেন, র‌্যাম্প নির্মাণকাজ শুরুর আগে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ম্যাক্সের কাছে ফুটপাত ঘেঁষে কাজ শুরু করার অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি তা না করায় চার লেনের রাস্তাটি আড়াই লেনে পরিণত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জিইসি থেকে লালখান বাজার সড়ক চট্টগ্রাম নগরের মূল সড়ক। প্রতিদিন কয়েকহাজার যানবাহন এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে। কিন্তু এখন রাস্তা ছোট হয়ে যাওয়ায় নগরের প্রবর্তক, গোলপাহাড় ও কাজীর দেউড়ি এলাকায় চাপ পড়ছে। ট্রাফিকজ্যাম এড়াতে ওইসব সড়ক ব্যবহার করছে গাড়ির চালকরা। জানা গেছে, চলতি বছরের মে মাসে বাওয়া স্কুলের সামনে র‌্যাম্প নির্মাণের আপত্তি জানিয়ে কাজ বন্ধের জন্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) চেয়ারম্যান বরাবরে লিখিত আবেদন করেন স্কুল অধ্যক্ষ। এই বিষয়ে বাওয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুহ. আরিফ উল হাছান চৌধুরী বলেন, প্রতিদিন আমাদের ও সিএমপি স্কুল এন্ড কলেজের প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী এই সড়ক হয়ে যাতায়াত করে। ফলে ক্লাস শুরুর আগে ও পরে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। র‌্যাম্প নির্মাণ করা হলে যানজট চিরস্থায়ী রূপ নিবে। তিনি আরও বলেন, আমরা এই নিয়ে গত মে মাসে নির্মাণকাজ বন্ধ ও বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সিডিএ চেয়ারম্যান বরাবরে একটা চিঠি দিয়েছিলাম। এরপরেও কর্তৃপক্ষ তাদের কাজ চলমান রেখেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভালকান অ্যাসপায়ার লিমিটেড ও ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রামের মধ্যে সমঝোতা স্বাক্ষর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভালকান অ্যাসপায়ার লিমিটেড ও ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রামের মধ্যে সমঝোতা স্বাক্ষর হয়েছে। এ উপলক্ষে ভালকান অ্যাসপায়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান এসএম সাফাত ইশতিয়াক এবং ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির এক্সটার্নাল এনগেজমেন্টের পরিচালক ও সিপিডিসি এর পরিচালক ড. রওনক আফরোজ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই সমঝোতার মাধ্যমে ভালকান অ্যাসপায়ার লিমিটেড ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রাম ক্যাম্পাসের Career Excellence Partner হিসেবে যাত্রা শুরু করল।

চুক্তি অনুযায়ী ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির বর্তমান শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাই ভালকান অ্যাসপায়ার পরিচালিত সকল Corporate Soft Skill Training -এর বেসিক কোর্সসমূহ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করার সুযোগ পাবেন। এছাড়াও প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ভালকান অ্যাসপায়ার শিক্ষার্থীদের জন্য চাকরীর সুযোগ সৃষ্টি, ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং এবং পেশাগত উন্নয়নমূলক সেবা প্রদান করবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, ভালকান অ্যাসপায়ারের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বে আমরা আনন্দিত। আমাদের লক্ষ্য অভিন্ন এবং আমি আশা করি, তারা তাদের সর্বোচ্চ সামর্থ দিয়ে ইডিইউর শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার উন্নয়নে কাজ করবে।

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির এক্সটার্নাল এনগেজমেন্টের পরিচালক ও সিপিডিসি এর পরিচালক ড. রওনক আফরোজ বলেন, আমরা সবসময় আমাদের শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে নতুন নতুন সুযোগ তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ভালকান অ্যাসপায়ারের সে এই অংশীদারিত্ব আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। ভালকান অ্যাসপায়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম সাফাত ইশিতয়াক বলেন, চট্টগ্রাম ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির সন্মানিত কতৃপক্ষের আন্তরিক অভ্যর্থনায় অত্যন্ত আনন্দিত। এই অংশীদারিত্ব এখানকার শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও ক্যারিয়ার উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করবে। আমি আশ্বস্ত করছি, ভালকান অ্যাসপায়ার শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ মানের প্রশিক্ষণ ও সেবা প্রদানে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

চারটি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না করলে কোনো প্রকল্পই অনুমোদন দেওয়া হবে না : অর্থমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন সরকারি অর্থের অপচয় মেনে নেওয়া হবে না বলে। তিনি বলেছেন, যেকোনো সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে করদাতার টাকার সঠিক ব্যবহার ও প্রতিদান নিশ্চিত করতে হবে।

চারটি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না করলে কোনো প্রকল্পই অনুমোদন দেওয়া হবে না মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) আয়োজিত ২৪তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সরকারি অর্থে নেওয়া প্রতিটি বিনিয়োগ প্রকল্পে মূল্যমান নিশ্চিত করা, বিনিয়োগের বিপরীতে প্রাপ্তি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশগত প্রভাবকে গুরুত্ব দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের পর্যায়ে নিতে হলে সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে নিয়মিত বেঞ্চমার্কিং করতে হবে।একই সঙ্গে নিজেদের গবেষণা, ব্যবস্থাপনা ও কার্যক্রমের পিয়ার রিভিউ নিশ্চিত করতে হবে। নিজেদের কাজের মূল্যায়ন নিজেরা করলে চলবে না, অন্যদের মূল্যায়নের মাধ্যমে দুর্বলতা চিহ্নিত করে তা সংশোধন করতে হবে।

গবেষণা ও উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে নিতে গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিকল্প নেই। শুধু ভালো কাজ করলেই হবে না, সেই কাজকে বিশ্বব্যাপী দৃশ্যমানও করতে হবে।তাছাড়া শুধু ভবন নির্মাণে বিনিয়োগ করলে হবে না। অবকাঠামোর পাশাপাশি দক্ষ জনবল, গবেষণা সুবিধা, ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে ভারসাম্য না থাকলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, সরকারি অর্থে নেওয়া প্রতিটি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মূল্যমান, বিনিয়োগের বিপরীতে প্রাপ্তি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশগত বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে। জনগণের করের টাকা ব্যয় করে নির্মিত অবকাঠামো থেকে কী ফল পাওয়া যাচ্ছে, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী।

চুয়েটের আইটি ইনকিউবেটর প্রসঙ্গে আমির খসরু আরো বলেন, এটি কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। তিনি ঢাকায় ফিরে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

শিল্পখাতের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের উন্নত প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের কেন্দ্রগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিল্পখাতের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও সহযোগিতা রয়েছে। বাংলাদেশেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা সক্ষমতা শিল্পখাতের প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, দেশের অন্যান্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো চুয়েটের গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকেও যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও গবেষণায় অর্থের অভাবে সম্ভাবনাময় উদ্যোগ যেন থেমে না যায়, সেদিকেও নজর দিতে হবে।তিনি আরও বলেন, শুধু লেখাপড়ায় নয়, শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, বিতর্ক ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমেও অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুয়েটের সহযোগিতা জোরদার করে নতুন প্রযুক্তি ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। এলাকার সন্তান হিসেবে চুয়েটের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সবসময় পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা, শিক্ষকদের দক্ষতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে চুয়েটকে আরও এগিয়ে নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং উন্নয়নে বিদেশি অধ্যাপক নিয়োগ, অ্যাডজাঙ্কট ফ্যাকাল্টি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও গবেষণা কার্যক্রম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুয়েটের সংযোগ জোরদার এবং মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে একটি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ