আজঃ বুধবার ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

কক্সবাজার চৌফলদন্ডি ৮ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষন চেস্টা

অন্তর দে (বিশাল) কক্সবাজার:-

কক্সবাজার সদর মডেল থানায় অভিযোগপত্র দাখিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের সবুজ বাগ মডেল স্কুল এন্ড কলেজের ৮ম শ্রেণির পড়ুয়া ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বাপ্পি শর্মা নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
গত বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত অনুমান সাড়ে ১১ টার দিকে চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের শর্মা পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ধর্ষনের অভিযুক্ত যুবক বাপ্পি শর্মা (৩০) একই এলাকার তুফান শর্মার পুত্র বলে জানা যায়।

অভিযোগপত্রের সূত্রে জানা, ভিকটিমের মা শারীরিক অসুস্থতার কারণে চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল গেলে। সেইসময় বাড়িতে একা রেখে যাই তাদের মেয়ে রেশমিকে (ছন্দনাম)।
বাড়িতে পরিবারের অন্য কোন সদস্য না থাকার সুযোগে ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের শর্মা পাড়া এলাকায় বাদীর বসত ঘরে প্রবেশ করে থেকে হাত মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে।
এ-সময় ধর্ষক বাপ্পি শর্মা তার কু- উদ্দেশ্য চরিতার্থে কাজে বাধা গ্রস্থ হলে মেয়েটিকে মারধর করে এবং মুখ মন্ডল সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড় দিয়ে আঘাত করে।

ঐসময় ভিকটিম জোরে জোরে চিৎকার করলে স্হানীয় লোকজন মেয়েটি উদ্ধার করার জন্য এগিয়ে আসলে, তখনই সুযোগ বুঝে পালিয়ে যায় ধর্ষক বাপ্পি শর্মা।

পরবর্তীতে ভিকটিমের বাবা-মা কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে মেয়ে’র ও এলাকাবাসীর কাছে ঘটনার বিষয় বিস্তারিত জানতে পারে।
ভিকটিমের পিতা জানান, বাপ্পি শর্মা বর্তমানে হুমকি প্রদান করতেছে। এইসব ঘটনার বিষয়ে থানায় মামলা মোকদ্দমা করলে আমার মেয়েকে স্কুলে যাওয়ার পথে অপহরণ করে মারবে, কাটবে, খুন- খারাবী করবে ইত্যাদি। ঘটনার দিন ও সময়ে ঘটনাস্থলে আসে তার কু- উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার লক্ষ্যে আমার মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে মারধর করেছে।
এই ঘটনার বিষয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে তারা আমাকে আইনের আশ্রয় গ্রহণের পরামর্শ দেন। আমি ঘটনার পরপরই আমার মেয়েকে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল নিয়ে চিকিৎসা করায়।
আমি থানায় অভিযোগ দায়ের করছি। প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি জানাচ্ছি।

এনিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই সাত্তার জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে আসছি। ভিকটিমদের পরিচিত আত্মীয় হয় সেই। প্রায় যাওয়া আসা করতো। তবে তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ হলেই দ্রুত মামলা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে বিয়ের প্রলোভনে নারীকে ধর্ষণ মামলায় প্রবাসী গ্রেফতার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর চাঁন্দগাও থানার ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মো.লোকমান হাকিমকে (৩২) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭ এর সদস্যরা। গ্রেফতার লোকমান কর্ণফুলী থানার চরপাথরঘাটা আজিমপাড়ার বাদশা মিয়ার ছেলে।
র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, ভিকটিম পেশায় একজন টেইলার্স কর্মী। কর্ণফুলী এলাকায় মো. লোকমান হাকিমের সাথে ভিকটিমের সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরিচয় থেকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ২০ নভেম্বর লোকমান দেশে আসেন এবং ২৪ নভেম্বর ভিকটিমকে কক্সবাজার নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করেন। পরে ভিকটিম বিয়ের চাপ দিতে থাকলে পরে কোর্ট ম্যারেজের কথা বলে চান্দগাঁও থানা থানা এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে পুনরায় শারীরিক সম্পর্ক করেন। এসময় লোকমান কৌশলে মোবাইলে ভিডিও করে নেন। পরে ভিডিওগুলো

ভিকটিমের ইমুতে পাঠিয়ে ১ লাখ টাকা দাবি করে অন্যথায় ভিডিওগুলো সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় ভিকটিম চান্দগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তিনি আরও জানান, গত রোববার রাত ৮টায় গোপন খবরের ভিত্তিতে নগরীর বাকলিয়া থানাধীন নতুর ব্রিজ বাস স্টেশন এলাকা থেকে আসামি মো. লোকমানকে গ্রেফতার করা হয়।

ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।আহত ওসমান হাদীর সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। এছাড়া চিকিৎসা কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন।


একই সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত ও ব্যাপক তদন্ত চালিয়ে হামলায় জড়িত সবাইকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ, প্রত্যক্ষদর্শীর তথ্য গ্রহণ, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং হামলার পেছনে কোনো সংগঠিত পরিকল্পনা থাকলে তা উন্মোচনের জন্য তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে বলেছেন।

আলোচিত খবর

আরব আমিরাতে ভিসা সংকটে বড় হুমকির মুখে বাংলাদেশি শ্রমবাজার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যের  অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা জটিলতায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বাংলাদেশি কর্মীরা। নতুন ভিসা ইস্যু বন্ধ থাকা এবং অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন প্রবাসীরা। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালালেও কবে ভিসা উন্মুক্ত হবে— সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানাতে পারছে না বাংলাদেশ মিশন। বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আমিরাত সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।

ভিসা জটিলতা শ্রমবাজারের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রভাব পড়ছে প্রবাসীদের কর্মসংস্থান, আয়-রোজগার এবং দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশি কর্মীদের বিরুদ্ধে ভিসার মেয়াদ শেষে অবৈধভাবে বসবাস, লিঙ্গ পরিবর্তন, সনদ জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ ওঠায় ভিসা নীতিতে কড়াকড়ি করেছে আমিরাত সরকার। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন বাংলাদেশিরা।

এদিকে দুবাইয়ে স্কিল ভিসা চালু থাকলেও সেখানেও কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। গ্র্যাজুয়েশন সনদ ছাড়া বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া হচ্ছে না। সনদকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, পরে দূতাবাস বা কনস্যুলেটের যাচাই এবং শেষে আমিরাতের বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হচ্ছে। দীর্ঘ ও জটিল এ প্রক্রিয়ায় হতাশ কর্মপ্রত্যাশীরা।

বাংলাদেশ মিশনের তথ্যানুসারে, স্কিল ভিসায় সনদ জালিয়াতি ঠেকাতে তিন মাস আগে চালু করা হয়েছিল বারকোড ব্যবস্থা। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই সেটিও জাল করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে ইউএই সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযোগ আসছে। রাষ্ট্রদূতের মতে, বাংলাদেশিদের মানসিকতা না বদলালে ভিসা সংকট নিরসন সম্ভব নয়।

আবুধাবি বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ বলেন, “গত সাত মাস ধরে ভিসা ইস্যুতে চেষ্টা চালিয়েও কোনো অগ্রগতি হয়নি।কবে হবে সেটিও অনিশ্চিত। আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি, তবে বিষয়টি পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। ”

 

জনশক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা পরিবর্তনের জটিলতা দ্রুত সমাধান না হলে অনেক বাংলাদেশি কর্মীকে দেশে ফিরে যেতে হতে পারে। অনেকেই জানেন না, ভিসা বাতিল হলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে প্রবাসীদের মানসিক চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে বর্তমানে যারা আমিরাতে অবস্থান করছেন, তারা পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়।

বাংলাদেশি প্রবাসী সংগঠকরা মনে করেন, এ অচলাবস্থা কাটাতে সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি প্রবাসীদেরও ভিসা নীতিমালা মেনে চলা জরুরি। নইলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজারে বাংলাদেশ বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ