আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

সিএমএল রোগের ওষুধ ও চিকিৎসা রয়েছে বাংলাদেশে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

হেমাটোলজি বিভাগের আলোচনা সভা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ক্রনিক মায়েলয়েড লিউকেমিয়া রোগের ওষুধ ও চিকিৎসা বাংলাদেশে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চিকিৎসকরা। রোববার চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে হেমাটোলজি বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ তথ্য জানানো হয়। বক্তারা বলেন, যে কোনও বয়সে ব্লাড ক্যানসার হতে পারে। ক্রনিক মায়েলয়েড লিউকেমিয়া (সিএমএল) রক্তের ক্যানসারেরই একটি ধরন।শ্বেতরক্ত কণিকাগুলো যখন মায়েলয়েড টিস্যু থেকে অনিয়ন্ত্রিত হারে তৈরি হতে শুরু করে এবং শরীরে তার উপসর্গ ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়, সেই রোগের নামই সিএমএল।
বিশ্ব ক্রনিক মায়েলয়েড লিউকেমিয়া (সিএমএল) দিবসের এ সভায় বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. গোলাম রাব্বানির সভাপতিত্বে অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহম্মদ জসিম উদ্দিন, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. হাফিজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন, মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আবদুস সাত্তার, শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. বেলায়েত হোসেন ঢালি সহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকরা। সভা সঞ্চালনা করেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের হেমাটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল হাসান।
বক্তারা বলেন, মানুষের বংশগতির বাহক ক্রোমোসোমের ৯ ও ২২ নম্বরের মধ্যে বিনিময়জনিত পরিবর্তনের কারণে এই রোগের উৎপত্তি। সিএমএলের লক্ষণ- অবসাদগ্রস্ততা, ক্ষুধামান্দ্য, ওজন কমে যাওয়া, ঘাম হওয়া, কোনোকিছু ভালো না লাগা, গরম সহ্য করতে না পারা, প্লীহা বড় হয়ে যাওয়া, হঠাৎ জ্বর আসা এবং কারণ ছাড়াই চুলকানি বেড়ে যাওয়া। এসব দেখা দিলে রক্তের পরীক্ষা করাতে হবে। এই রোগের ওষুধ ও চিকিৎসা বাংলাদেশে আছে। নিয়মিত চিকিৎসা নিলে ভালো থাকা যায়।
চিকিৎসকরা বলছেন, দেশে রক্তের ক্যানসারের রোগীদের মধ্যে ৫ থেকে ১০ শতাংশ সিএমএল রোগী। চল্লিশোর্ধ্ব মানুষের রোগটি হওয়ার প্রবণতা বেশি। এ ধরনের ক্যানসারের অন্যতম কারণ হচ্ছে তেজস্ক্রিয়তা। কারণ, তেজস্ক্রিয়তাসংশ্লিষ্ট কাজে পুরুষের অংশগ্রহণই বেশি বলে জানানো হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

চট্টগ্রামে রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে আগুন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম
নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে আগুন
ছবি-৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের (সিসিএস) কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পাহাড়তলী এলাকায় অবস্থিত এই কার্যালয়ে শুক্রবার রাতে কার্যালয়ের একটি অংশে হঠাৎ করে আগুন লাগে। খবর পেয়ে রাত ১১টা ২৫ মিনিটে আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রাম কন্ট্রোল রুম। এদিকে প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।
পাহাড়তলীতে অবস্থিত প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের এই কার্যালয় থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় মালামাল সংরক্ষণ ও সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ