এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ ও শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ চট্টগ্রামে শেখ হাসিনাসহ ৭৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ৭৩৫ জনের নাম উল্লেখ একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ১০০০ থেকে ১২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। সোমবার রাতে নগর পুলিশের কোতোয়ালী থানায় এ মামলা দায়ের করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী স্টাডিজ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তাফহীমুল ইসলাম (২৬)।
মামলায় উল্লেখযোগ্য অন্য অভিযুক্তরা হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক সংসদ সদস্য এম এ লতিফ, মহিউদ্দিন বাচ্চু, নোমান আল মাহমুদ, মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, আবু রেজা মো. নেজামুদ্দিন নদভী, নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহট্যাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন, দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক মুজিবর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ১৪ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে থাকা সক্রিয় শিক্ষার্থীদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ‘রাজাকার’ সম্বোধন করলে আন্দোলনরত ছাত্ররা এর বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ডাক দেন। এর আগে গত ১০ জুলাই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দমন করতে ছাত্রলীগকে নির্দেশনা দেন। এরপর গত ১৬ জুলাই সারাদেশে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে।
গত ৪ আগস্ট নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর আগ্নেয়াস্ত্র, ককটেল, কিরিচ, হকিস্টিক, রামদা নিয়ে হামলা করেন। এছাড়া অভিযুক্তরা ছাত্র-জনতাকে উদ্দেশ্য করে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করে। গুলিবর্ষণের একপর্যায়ে মামলার বাদী তাফহীমুলের ডান হাতের কব্জিতে গুলি লাগে, যা হাতের এক পাশে ঢুকে অন্য পাশ দিয়ে বের হয়ে যায়। পরে তাকে তার সহপাঠীরা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালে চিকিৎসা করান। এরপর তাকে চট্টগ্রাম মেডিলে কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলুল কাদের চৌধুরী জানান, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ ও এক শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৭৩৫ জনের নাম উল্লেখ একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ১০০০-১২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে অবৈধ অস্ত্র ও গুলি রাখার মামলায় যুবককে কারাদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে অবৈধ অস্ত্র ও গুলি রাখার মামলায় মো. হাবিবুল্লাহ ওরফে হাবিব (৩৭) নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন একটি আদালত। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৮ এর বিচারক আফরোজা জেসমিন কলি এ রায় দেন।একই মামলায় তাকে আরও সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।দণ্ডপ্রাপ্ত হাবিবুল্লাহ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার ধানীসাফা ইউনিয়নের সাফা বাজার মাওলানা তাজাম্বার আলী হাওলাদার বাড়ির চুন্নু মিয়ার ছেলে।রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও উপস্থাপিত প্রমাণে অবৈধভাবে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি রাখার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন। এছাড়া অন্য একটি ধারায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০২১ সালের ১৯ জুন নগরের চান্দগাঁও থানার পশ্চিম মোহরা শিল্পনগরী এলাকার মেহরাজ খান চৌধুরী ঘাটসংলগ্ন ইউনিক বোর্ড মিলের (হাবিব কার্টুন ফ্যাক্টরি) ভেতরে অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় হাবিবুল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়।অভিযানে তার কাছ থেকে দুটি দেশীয় তৈরি এলজি ও তিন রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। পরে এ ঘটনায় চান্দগাঁও থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। পরে ২০২১ সালের ২৩ নভেম্বর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে মামলাটির রায় ঘোষণা করেন আদালত।

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন হিসেবে ফাহিম আহমেদ নামে আরও এক তরুণকে আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে সন্দেহভাজন হিসেবে ফাহিম আহমেদ নামে আরও এক তরুণকে আটক করেছে পুলিশ। এর আগে, তুহিন ও আনাস নামের দুই তরুণকে আটক করা হয়।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস।

সহকারী পুলিশ সুপার জানান, অপ্রতিমের নিখোঁজের পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। সেখানে অপ্রতীমের সঙ্গে তুহিনকে দেখা যায়। পরে তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আনাস ও ফাহিম আহমেদকে আটক করা হয়েছে। দুইনজনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এদিকে ফাহিম আহমেদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক। তিনি বলেন, তুহিন ও আনাসকে আটকের পর ফাহিমকে আটক করা হয়।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ