আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ, ২০২৬

লামায় সাবেক মন্ত্রী তাজুলের বাগানে এলজিইডি’র দৃষ্টিনন্দন ব্রীজ ও রাস্তা

বিপ্লব দাশ,বান্দরবান প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বান্দরবানের লামায় সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলামের ব্যাক্তিগত বাগানে যাতায়াতের সুবিধার্থে ক্ষমতার অপব্যাবহার করে স্থানীয় এলজিইডি অফিসের কর্মকতা, কর্মচারী বিশেষ করে কুমিল্লা সিন্ডিকেটের যোগসাজসে নির্মাণ করা হয়েছে ২কোটি ৩১ লাখ ৫৮ হাজার টাকা ব্যায়ে দৃষ্টিনন্দন ব্রীজ।

অনুসন্ধানে জানা যায়,বান্দরবান জেলা এলজিইডি অফিস কর্তৃক উপজেলার সরই ইউনিয়নের জনশূন্য এলাকায় সাবেক মন্ত্রীর ব্যাক্তিগত বাগানে যাতায়াতের সুবিধার্থে ২০২২-২৩ অর্থবছরে একটি ব্রীজের দরপত্র আহবান করা হয়। সে সময় ২কোটি ৩১ লাখ ৫৮ হাজার টাকা ব্যায়ে কাজটি বাস্তবায়নের অফিস কার্যাদেশ পেয়েছিলেন ইনু কনস্ট্রাকশন। আরো জানা যায়,ব্রীজের দুপাশে নির্মাণ করা হয়েছে সরকারি টাকায় রাস্তা। এছাড়া ও বিশাল সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গেছে। স্ত্রী ফৌজিয়া ইসলামের নামে সরই ইউনিয়নে ১০০ একরের বেশি জায়গা কিনেছেন তিনি। মন্ত্রীত্বের প্রভাব খাটিয়ে আরও ৫শ একরের বেশি অসহায় মানুষের জায়গা জবর দখল করে নিয়েছেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দায়িত্বশীল এক ব্যাক্তি জানান, সাবেক মন্ত্রীর এ সকল অপকর্মের অন্যতম সহযোগি লামার এলজিইডি অফিসের সার্ভেয়ার মোঃ জাকির হোসেন মোল্লা ও সাবেক মন্ত্রী একই এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় তাদের মধ্যে ছিল খুব সখ্যতা। প্রায় ১যুগের ও বেশি সময় ধরে বহাল তবিয়তে একই কর্মস্থলে। তার আধিপত্যের কাছে অসহায় ছিল স্থানীয় বাসিন্দা ও তার অফিসের অন্যান্য কর্মকতা,কর্মচারীরা। এর মধ্যে বিগত ২৮-১২-২০২২ সালে বিভিন্ন অভিযোগের কারনে তাকে রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচর এলাকায় স্ট্যান্ড রিলিজ করা হলেও সাবেক মন্ত্রীর আস্থাভাজন হওয়ায় এখনো তিনি লামা এলজিইডি অফিসে কর্মরত রয়েছে।

জানা যায়,নামমাত্র মূল্য দিয়ে ফৌজিয়া ইসলামের নামে ১শ একরের বেশি জায়গা কেনা হয়েছে। জমি কেনায় সরই ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো.ইদ্রিস ও স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় জাল-জালিয়াতির অভিযোগও আছে। জমিতে যাতায়াতের রাস্তা,বৈদ্যুতিক সংযোগ, সীমানা পিলার মাছের প্রজেক্ট,গবাদিপশুর খামারসহ তৈরি করা হয়েছে থাকার জন্য বিলাস বহুল বাড়ি।

ভূমি অফিসের রেকর্ডরুমে ফৌজিয়া ইসলামের নামে অসংখ্য জায়গার জমানবন্দি রয়েছে। সম্প্রতি এসব জায়গার কাগজ দিয়ে নিজ নামে নিয়েছেন রাজার সনদও। এতে থেমে যায়নি সাবেক মন্ত্রী এই তাজুল ইসলামের দাপট। শতাধিক একর জায়গা ক্রয় করলেও ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে দখল করে নিয়েছেন স্থানীয় আশপাশের অসংখ্য গরিব ও অসহায় মানুষের জায়গা।

সরই এলাকার বাসিন্দা আব্দুল ছবুর বলেন,আমাদের তাজুল ইসলামের লোকজন বিভিন্নভাবে হয়রানি করেছে। জায়গাজমি জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে। মামলা দিয়ে এলাকায় থাকতে দেয়নি। দীর্ঘদিন অন্যত্র পালিয়ে ছিলাম। সরকার পতন হওয়ার পর আমরা নিজ বাড়িতে এসেছি। আমাদের জবর দখল করা জায়গা ফেরত চাই।

একই এলাকার আরেক বাসিন্দা হালিমা খাতুন বলেন, বাইরের লোক বান্দরবানে এসে জায়গা কিনতে না পারলেও স্থানীয় চেয়ারম্যান,মেম্বারদের সহযোগিতায় অবৈধভাবে জায়গা ক্রয় ও আমাদের জমি জোরপূর্বক দখল করেছে মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। আমরা দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি চাই,আমাদের জায়গা ফেরত চাই।

এলজিইডি অফিসের সার্ভেয়ার মোঃ জাকির হোসেন মোল্লা বলেন,আমার বাড়ি কুমিল্লা এটি ঠিক আছে কিন্তু সাবেক মন্ত্রীর সাথে আমার মত এত ছোট কর্মচারীর ব্যাক্তিগত সখ্যাত থাকার প্রশ্নই উঠে না। আমি ২০১১ সালের মে মাসে লামায় এলজিইডি অফিসে যোগদান করেছি। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গুলো সত্য নয়।

লামা উপজেলার ৫নং সরই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন,প্রত্যেক ইউনিয়নে জায়গার একটা হোল্ডিং নাম্বার থাকে। আমরা হোল্ডিং নাম্বার দেখে সাবেক মন্ত্রী তাজুল ইসলামের স্ত্রীর নামে প্রত্যয়নপত্র দিয়েছি। তবে আইনগত জায়গা কেনার বিধান না থাকলেও ক্ষমতার প্রভাবে চাপে পড়ে সনদ দিতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান।

লামা উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু হানিফ বলেন,সাবেক মন্ত্রী তাজুল ইসলামের বাগানে নির্মাণ করা ব্রীজটি বান্দরবান জেলা এলজিইডি অফিসের নির্দেশে তত্বাবধান করেছি।এর বাহিরে কিছু আপাতত বলার সুযোগ নাই।

বান্দরবান জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম মজুমদার বলেন,স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলামের ব্যাক্তিগত বাগানে যাতায়াতের রাস্তাটি সরকারি গেজেট ভুক্ত রাস্তা। এখানে নির্মিত ব্রীজটিতে কোন মন্ত্রী বা ব্যাক্তি বিশেষ উপকৃত হল কি হলনা সেটি এলজিইডির দেখার বিষয় নয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঈদ জামাত সকাল ৮টায়, প্রস্তুত চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ময়দান :চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদ-উল-ফিতরের কেন্দ্রীয় জামাত উপলক্ষে চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ঈদগাহ ময়দান সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বুধবার জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। পরিদর্শনকালে মেয়র নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং রমজানের শিক্ষাকে হৃদয়ে ধারণ করে চট্টগ্রামের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- ইসলামিক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোস্তফা মনসুর আলম খান, চসিকের জনসংযোগ ও প্রটোকল কর্মকর্তা আজিজ আহমদ, নির্বাহী প্রকৌশলী আনু মিয়া, মেয়রের একান্ত সহকারী জিয়াউর রহমান জিয়া এবং সমাজকল্যাণ ও সংস্কৃতি কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, প্রায় ৬৫ হাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে বিশাল প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে এবং নিচে কার্পেটিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা মাথায় রেখে ওপরে টারপলিন দেওয়া হয়েছে, যাতে আবহাওয়া প্রতিকূল হলেও ঈদের জামাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে। এছাড়া প্রায় ২৫০টি পাখা, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, ৫০টি মাইক এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গত সাত দিন ধরে চসিকের উদ্যোগে এসব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ আদায় করতে পারেন।

ডা. শাহাদাত বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার মুসল্লি এই কেন্দ্রীয় জামাতে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত মুসল্লির কথা বিবেচনায় রেখে দুটি জামাতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে-প্রথম জামাত সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।তিনি আরও বলেন, মুসল্লিদের নির্বিঘ্ন প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য তিনটি গেট খোলা রাখা হবে, পাশাপাশি পেছনের গেটটিও ব্যবহারের উপযোগী করা হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের ভিড় বা হুড়োহুড়ি না হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বাহিনীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

নগরীর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে চসিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অপরাধ দমনে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় চলছে এবং নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গত ১৬ মাসে চট্টগ্রামে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের মধ্যে একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যা একটি ‘সেফ সিটি’ বা নিরাপদ নগরী গড়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

মাঠ পরিদর্শনকালে মেয়র আরো বলেন, প্রথম ও প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদের খতিব আলহাজ্ব সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী এবং দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক আল কাদেরী।এছাড়া নগরীতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে সকাল ৮টায় ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে যথাক্রমে লালদীঘি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শাহী জামে মসজিদ, হযরত শেখ ফরিদ (রঃ) চশমা ঈদগাহ মসজিদ, সুগন্ধা আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, চকবাজার সিটি কর্পোরেশন জামে মসজিদ, জহুর হকার্স মার্কেট জামে মসজিদ, দক্ষিণ খুলশী (ভিআইপি) আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, আরেফীন নগর কেন্দ্রীয় কবরস্থান জামে মসজিদ, সাগরিকা গরুবাজার জামে মসজিদ এবং মা আয়েশা সিদ্দিকী চসিক জামে মসজিদ (সাগরিকা জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংলগ্ন)।

চট্টগ্রাম কারাগারে ঈদের হাসি ফোটাতে নানা উদ্যেগ, বন্দীরা আপ্যায়িত হবে বিশেষ খাবারে ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদে কারাবন্দীদের মুখে হাসি ফোটাতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ। প্রায় ছয় হাজার বন্দীদের মাঝে কারাগার কর্তৃপক্ষ ছড়িয়ে দিতে চায় ঈদের আনন্দ। ঈদের দিন কারাগারে স্বজনদের কাছে ছুটলেও চার দেয়ালের বাইরে যাবার সুযোগ নেই কারাবন্দীদের। সরকারি নিয়মীতির মধ্যে থেকেই দেখা করতে হয়। এবার ঈদে কারাগারে বন্দীদের পায়েস, মুড়ি, গরুর ও ছাগলের মাংসের ব্যবস্থা থাকবে। তবে ঈদের পরদিন স্বজনরা বাসায় রান্না করা খাবার দিতে পারবেন বন্দীদের। বাহিরের কোন বাবুচি নয়, কারাবন্দী কয়েদীরা এই রান্না করবেন বলে জানা গেছে। এবার কারাবন্দী মায়ের সাথে ৪৫ শিশুও ঈদ করবে বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ শরীফ জানান, বিধি অনুযায়ী আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি ঈদে যেন বন্দীদের মন খারাপ না থাকে। ঈদ উপলক্ষে বিশেষ রান্নার আয়োজন করা হবে কারাগারে। কারাগারের ভেতরে অনুষ্ঠিত হবে ঈদের জামাত। সকাল সাড়ে সাতটায় কারাগারে কর্মরত অফিসার ও কর্মচারীরা নামাজ পড়বেন।

সাড়ে আটটায় অনুষ্ঠিত হবে বন্দীদের ঈদের নামাজ। সকালে বন্দীদের সরবরাহ করা হবে পায়েস, মুড়ি। দুপুরে মুসলিম বন্দীদের জন্য গরুর মাংস। অন্য ধর্মালম্বীদের জন ছাগলের মাংসের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া সবার জন্য থাকবে মুরগির মাংস ও মিষ্টি। রাতে পোলাও এবং পান সুপারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঈদের পরদিন স্বজনরা বাসায় রান্না করা খাবার দিতে পারবেন বন্দীদের।
কারগারসূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম কে›ন্দ্রীয় কারাগারে সাজা, মত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ও হাজতি মিলে বন্দীর সংখ্যা ছিলো প্রায় ছয় হাজার। সেই হিসেবে প্রায় ছয় হাজার বন্দী এবার চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে ঈদ উদযাপন করবেন।

বিপুল সংখ্যাক বন্দীর জন্য কারাগারে উন্নত খাবারের রান্নার আয়োজন করা হয়েছে। করা হয়েছে বাহারি আলোকসজ্জা। ইচ্ছে করলেও কারাবন্দীরা সারাবছর ঘরে রান্নার স্বাদ নিতে পারেন না। তবে ঈদের পরদিন স্বজনরা চাইলে বাড়ির রান্না করা খাবার দিতে পারবেন বন্দীদের।
জানা গেছে, ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম কারাগার ১৯৯৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় কারাগারে উন্নীত হয়। কারাগারের পাঁচ তলা বিশিষ্ট পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ভবনের প্রতিটিতে ৩০০ জন ও কর্ণফুলী, সাংগু ও হালদা ভবনের প্রতিটিতে ২৪০ জন বন্দী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন। পাঁচ কক্ষ বিশিষ্ট দুটি ফাঁসির সেল ভবন, ৩২ কক্ষ বিশিষ্ট একটি সেল ভবন রয়েছে।

এবার পেশাদার কোন বাবুর্চি নয়, কারাবন্দী কয়েদীরা ২৮ চুলায় এসব রান্না তৈরি করবেন। বন্দীদের রান্নার জন্য দুটি রান্না ঘরে ২৮টি চুলা (চৌকা) রয়েছে। এছাড়া চারতলা বিশিষ্ট একটি মহিলা কয়েদি ও দুই তলা বিশিষ্ট মহিলা হাজতি ব্যারাক রয়েছে দুটি। কাগজে কলমে দুই হাজার ২’শ ৪৮ জন বন্দীর ধারণক্ষমতা সম্পন্ন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীর সংখ্যা ছিল প্রায় ছয় হাজার। এদিকে কোন অপরাধ না করেও কারাগারে বন্দী রয়েছে ৪৫ শিশু। নানা অপরাধে জড়িত কারাবন্দী মায়ের সাথে শিশুরাও বন্দী জীবনযাপন করছে। জেলার সৈয়দ শাহ শরীফ জানান, বন্দী মায়ের সাথে শিশুদের ছয় বছর বয়স পর্যন্ত কারাগারে রাখা হয়। কারাগারে থাকা শিশুদের জন্য খেলাধূলা ও পড়াশোনার ব্যবস্থা রয়েছে। ছয় বছর বয়স পার হলেও তাদেরকে সমাজ সেবার আওতাধীন বিভিন্ন শিশু সদনে পাঠানো হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ