আজঃ মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

অগ্রাধাকিার পাচ্ছে দরিদ্র জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান চট্টগ্রামে রিভিউ হচ্ছে ৪৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকার হালদা প্রকল্প

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদী সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগীদের বিভিন্ন সমস্যা দূরীকরণ ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ৪৬ কোটি ৩৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা ব্যয়ে হালদা প্রকল্পটি রিভিউ হচ্ছে। উক্ত প্রকল্পের মাধ্যমে হালদার দুই পাড়ে রাউজান ও হাটহাজারীর ৬টি পুরাতন হ্যাচারি সংস্কার করে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, হ্যাচারির পুকুর সংস্কার, বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজের ম্যুরাল নির্মাণ, ডিমসংগ্রহকারী ও মৎস্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান, হালদা রক্ষায় অভিযান পরিচালনা ও আইন বাস্তবায়ন, দরিদ্র জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান এবং ওয়ার্কশপ, সেমিনার ও গবেষণা করা হবে। এর আগে ‘হালদা নদী প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প দ্বিতীয় পর্যায়’ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করে সরকার।
প্রকল্প থেকে বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল নির্মাণ বাদ দেওয়া হয়েছে। এটির নির্মাণ খরচ ছিল ৭ কোটি টাকা। ম্যুরাল নির্মাণের এ টাকা দিয়ে বিকল্প কিছু নির্মাণের চিন্তা ভাবনা করছে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। এ ক্ষেত্রে নদীর পাড়ে দুই উপজেলা রাউজান ও হাটহাজারীতে মিনি ল্যাবসহ মৎস্য অফিস নির্মাণ, নদীর কুম খনন অথবা দুই উপজেলায় নতুন করে আরো দুটি হ্যাচারি নির্মাণের জন্য প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে প্রস্তাব উঠেছে। তবে এখনো কোনটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা করে প্রকল্পের জন্য সংশোধিত ডিপিপি তৈরি করা হবে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। তবে তখন অর্থ ছাড় দিতে পারেনি মন্ত্রণালয়। তাতে প্রকল্প কাজে গতি ছিল না। এর কিছু দিন পর থেকে টাকা বরাদ্দ শুরু হলে প্রকল্প কাজে গতি আসে। কিন্তু ৫ আগস্ট দেশের ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর প্রকল্প নিয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রণালয়। প্রকল্প থেকে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে রাউজান অংশে বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল নির্মাণের অংশটি বাদ দেওয়া হয়। এ টাকা দিয়ে বিকল্প কিছু করার চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রায় ৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের মাধ্যমে দুই দশক আগে হালদা নদীর পাড়ে রাউজানের বিনাজুরী ইউনিয়নের কাগতিয়া, গহিরার মোবারকখীল ও পশ্চিম গহিরা এবং হাটহাজারীর উত্তর মাদার্শার মাছুয়াঘোনা, শাহ মাদারি ও মদুনাঘাট বড়ুয়াপাড়ায় ৬টি হ্যাচারি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নির্মাণগত ত্রটি, সময় মতো সংস্কার, তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হ্যাচারিগুলো থেকে প্রকৃত সুফল পায়নি ডিম সংগ্রহকারীরা। এরমধ্যে সংস্কারের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে রাউজানের বিনাজুরী ইউনিয়নের কাগতিয়া হ্যাচারি। ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে পশ্চিম গহিরা হ্যাচারিও। এ নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে ডিম সংগ্রহকারীদের। বর্তমানে রাউজানের গহিরার মোবারকখীল, হাটহাজারীর উত্তর মাদার্শার মাছুয়াঘোনা, শাহ মাদারি ও মদুনাঘাট বড়ুয়াপাড়ার হ্যাচারি চালু থাকলেও নিয়মিত সংস্কারের অভাবে এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা না থাকায় সবগুলো হ্যাচারি থেকে প্রকৃত সুফল পাচ্ছে না ডিম আহরণকারীরা। তাতে বিভিন্ন সময়ে মারা যায় রেণু। নতুন প্রকল্পটির মাধ্যমে এই ৬ হ্যাচারি সংস্কার করা হবে।
হালদা গবেষক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হালদা রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়ক প্রফেসর ড. মো. মঞ্জুরুল কিবরীয়া বলেন, প্রকল্পে কোন কোন বিষয়গুলো রয়েছে তা এখনো জানি না। ২০১৬ সালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. আইনুন নিশাত এর নেতৃত্বে বুয়েট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ে একটি যৌথ গবেষণা সম্পন্ন করে। গবেষণায় ২৭টি কর্ম পরিকল্পনা ও সুপারিশ প্রণয়ন করা হয়। এসব কর্ম পরিকল্পনা ও সুপারিশ হালদা প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা না হলে তাতে কোন সুফল মিলবে না। তাছাড়া ফটিকছড়ির হারুয়ালছড়ি ও ভুজপুরে হালদা বিধ্বংসী রাবার ড্যাম এবং নদীর উজানে মানিকছড়িতে ধ্বংসাত্মক তামাক চাষ বন্ধে কোন সিদ্ধান্ত আছে কিনা তা নিয়েও অজানায় রয়ে গেছি। চলতি বছরের ২৬ জুন থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে হালদায় ৭টি ব্রড মাছ ও দুটি ডলফিনের মৃত্যু হয়। এই মৃত্যুর কারণ নির্ণয় ও প্রতিকারের ব্যবস্থা নিতে হবে প্রকল্পের মাধ্যমে। অন্যথা প্রকল্পের সুফল পাবে না হালদা সংশ্লিষ্টরা। তাই হালদা প্রকল্পে কী কী বিষয় রয়েছে তা জানা দরকার, যদি না থাকে তাহলে রিভিউ করে সংশোধনি আনতে হবে।
অন্যদিকে হালদা প্রকল্প পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, রিভিউ হচ্ছে হালদা প্রকল্প। প্রকল্প থেকে বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল নির্মাণ বাদ দেওয়া হয়েছে। এটির নির্মাণ খরচ ছিল ৭ কোটি টাকা। এ টাকা দিয়ে বিকল্প কিছু নির্মাণের চিন্তা ভাবনা করছে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। এ ক্ষেত্রে নদীর পাড়ে দুই উপজেলা রাউজান ও হাটহাজারীতে মিনি ল্যাবসহ মৎস্য অফিস নির্মাণ, নদীর কুম খনন অথবা দুই উপজেলায় নতুন করে আরো দুটি হ্যাচারি নির্মাণের জন্য প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে প্রস্তাব উঠেছে। তবে এখনো কোনটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা করে প্রকল্পের জন্য সংশোধিত ডিপিপি তৈরি করা হবে বরে তিনি জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মহাসমাবেশ ২৫ জানুয়ারী ২১ বছর পর চট্টগ্রামে আসছেন তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২১ বছর পর আগামী ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামে বিএনপির নির্বাচনি মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে দলটির এ শীর্ষ নেতার উপস্থিত থাকার কথা আছে। সেই কর্মসূচিতে যোগ দিতে একদিন আগেই তিনি চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন, এমন তথ্য দিয়েছেন দলটির নেতারা। সমাবেশের প্রস্তুতির জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নগরীর মেহেদিবাগের বাসভবনে যৌথসভা আহ্বান করেছেন।

চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সভায় উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, তারেক রহমান সর্বশেষ চট্টগ্রামে এসেছিলেন ২০০৫ সালে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনি প্রচারণায় এসে তিনি নগরীর লালদিঘী ময়দানে জনসভা করেছিলেন। এরপর এক-এগারো পরবর্তী জরুরি অবস্থায় তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন এবং একপর্যায়ে দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন। দেড় দশক পর দেশে ফিরে তিনি পিতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বরণের স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রাম শহরে আসছেন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে।

নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, ২৫ জানুয়ারি সকাল ১১টায় নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে বিএনপির নির্বাচনি সমাবেশ হবে। সমাবেশের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। ‘উনি (তারেক রহমান) ২৪ জানুয়ারি রওনা দেবেন। প্রাথমিকভাবে আমরা বার্তা পেয়েছি যে, ২৪ তারিখ উনি নোয়াখালী, ফেনী, মিরসরাই এবং ফাইনালি সীতাকুণ্ড হয়ে চট্টগ্রাম শহরে আসবেন। ২৪ তারিখ রাতে উনি এখানে একটা হোটেলে অবস্থান করবেন। পরদিন সকালেই প্রোগ্রামটা করে উনি হয়তো-বা চলে যাবেন। প্রোগ্রামটা যদিও এখনো ফাইনালি সাজানো হয়নি। উনি কি বিমানে আসবেন না-কি সড়কপথে আসবেন, সেটা এখনো ফাইনাল হয়নি। তবে উনি ২৪ তারিখ রাতে চট্টগ্রামে অবস্থান করবেন, এটা ফাইনাল হয়েছে এবং ২৫ জানুয়ারি উনি সমাবেশ করবেন ইনশল্লাহ।

নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে এখন সমাবেশের জোর প্রস্তুতি চলছে। মাঠটিকে সংস্কারের মাধ্যমে সমাবেশের উপযোগী করা হচ্ছে। একইসঙ্গে মঞ্চ স্থাপনের প্রাথমিক কাজও শুরু হয়েছে। পলোগ্রাউন্ড ময়দানে গিয়ে মাঠের সার্বিক অবস্থা, মঞ্চ স্থাপন, প্রবেশ ও বহির্গমন পথ, পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা, নিরাপত্তা প্রস্তুতি এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত বিষয় খতিয়ে দেখেন। একইসঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্তদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, আমরা আসলে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান এবং আনন্দিত। আমি যখন ২০১২ সালে দলের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলাম, আমরা একটা ঐতিহাসিক মহাসমাবেশ এখানে (পলোগ্রাউন্ড) করেছিলাম। এটাই ছিল আক্ষরিক অর্থে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চট্টগ্রামে শেষ সমাবেশ। এরপর আর সমাবেশ হয়নি। উনি ২০১৭ সালে আরেকবার এসেছিলেন, সেটা ছিল পথসভা, উনি সরাসরি রোহিঙ্গাদের দেখতে গিয়েছিলেন এবং দেখে চলে এসেছিলেন। পথে পথে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষ দেশনেত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছিল।

এর আগে, আমাদের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান, উনি চট্টগ্রামে শেষ সমাবেশটা করেছিলেন লালদিঘীর ময়দানে ২০০৫ সালে মেয়র নির্বাচন উপলক্ষ্যে। ২১ বছর পার হয়ে গেছে। ২১ বছর পর উনি চট্টগ্রামে আসছেন। এখন চট্টগ্রামের মানুষের মধ্যে অনেক উন্মাদনা। এখানে শুধু আমাদের দলীয় নেতাকর্মী নয়, চট্টগ্রামের মানুষ উনাকে দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন। চট্টগ্রামবাসী উনাকে সাদর আমন্ত্রণ জানানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
চট্টগ্রামের মহাসমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ২৫ ডিসেম্বর উনি যখন ফিরলেন, তখন কিন্তু দেশের মানুষ বার্তা দিয়েছে যে উনাকে তারা কতটা ভালোবাসে। সেভাবে চট্টগ্রামের মানুষও একটা বার্তা উনাকে দেবে বলে আমাদের বিশ্বাস। চট্টগ্রামবাসীও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছেন উনি কী বার্তা নিয়ে আসবেন। আমরা আশা করি জনসমাবেশটি জনসমুদ্রে পরিণত হবে।

সমাবেশের সময় আমাদের ২৫ জানুয়ারি সকাল ১১টায় বলা হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে ১০টায় টাইম দেওয়া হচ্ছে, বাট সকাল থেকেই সবাই চলে আসবে। উনি হয়তো সমাবেশস্থলে আসতে সকাল ১১টা নাগাদ হতে পারে। আমি সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, শুধু নেতাকর্মীদের নয়, আমি চট্টগ্রামবাসীকে আহ্বান জানাই, অত্যন্ত আনন্দমুখর পরিবেশে ফেস্টিভ মুডে উনাকে বরণ করে নেবেন। চট্টগ্রামকে নিয়ে উনার কী প্ল্যান আছে, দেশকে নিয়ে উনার কী প্ল্যান আছে অবশ্যই সেগুলো উনি বলবেন, একটা সুন্দর বার্তা চট্টগ্রামবাসীর জন্য দেবেন।

৪০০ কোটি টাকার ষড়যন্ত্র টিকে নাই ৪ মিনিটও চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির সরওয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বহাল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বহাল রয়েছে। তার প্রার্থী বাতিলের দাবিতে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুরুল আমীনের আপিল খারিজ করে দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন। রোববার (দুপুরে জামায়াত প্রার্থীর আপিলটি শুনানির জন্য তোলা হলে শুরুতেই তা বাতিল করে দেন কমিশন।

এর আগে বুধবার দুপুরে নির্বাচন কমিশনে সরওয়ার আলমগীরের বিরুদ্ধে ৪০০ কোটি টাকা ঋণখেলাপীর তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে তাঁর প্রার্থিতা বাতিলের আপিল করেন নুরুল আমীন।

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার আলমগীর বলেন, আমি মাঠের মানুষ। মাঠে ছিলাম, মাঠে আছি, মাঠেই থাকবো ফটিকছড়িবাসীর সাথে। সব ষড়যন্ত্র এভাবেই উড়ে যাবে জনগণের ভালোবাসায়। পরাজয় নিশ্চিত জেনে তারা মিথ্যাকে আঁকড়ে ধরেছে’। তিনি বলেন, ৪০০ কোটি টাকার ষড়যন্ত্র টিকে নাই ৪ মিনিটও।

আলোচিত খবর

সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে সোমবার ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তার এই ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ