আজঃ রবিবার ৩১ মে, ২০২৬

অগ্রাধাকিার পাচ্ছে দরিদ্র জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান চট্টগ্রামে রিভিউ হচ্ছে ৪৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকার হালদা প্রকল্প

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদী সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগীদের বিভিন্ন সমস্যা দূরীকরণ ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ৪৬ কোটি ৩৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা ব্যয়ে হালদা প্রকল্পটি রিভিউ হচ্ছে। উক্ত প্রকল্পের মাধ্যমে হালদার দুই পাড়ে রাউজান ও হাটহাজারীর ৬টি পুরাতন হ্যাচারি সংস্কার করে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, হ্যাচারির পুকুর সংস্কার, বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজের ম্যুরাল নির্মাণ, ডিমসংগ্রহকারী ও মৎস্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান, হালদা রক্ষায় অভিযান পরিচালনা ও আইন বাস্তবায়ন, দরিদ্র জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান এবং ওয়ার্কশপ, সেমিনার ও গবেষণা করা হবে। এর আগে ‘হালদা নদী প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প দ্বিতীয় পর্যায়’ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করে সরকার।
প্রকল্প থেকে বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল নির্মাণ বাদ দেওয়া হয়েছে। এটির নির্মাণ খরচ ছিল ৭ কোটি টাকা। ম্যুরাল নির্মাণের এ টাকা দিয়ে বিকল্প কিছু নির্মাণের চিন্তা ভাবনা করছে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। এ ক্ষেত্রে নদীর পাড়ে দুই উপজেলা রাউজান ও হাটহাজারীতে মিনি ল্যাবসহ মৎস্য অফিস নির্মাণ, নদীর কুম খনন অথবা দুই উপজেলায় নতুন করে আরো দুটি হ্যাচারি নির্মাণের জন্য প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে প্রস্তাব উঠেছে। তবে এখনো কোনটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা করে প্রকল্পের জন্য সংশোধিত ডিপিপি তৈরি করা হবে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। তবে তখন অর্থ ছাড় দিতে পারেনি মন্ত্রণালয়। তাতে প্রকল্প কাজে গতি ছিল না। এর কিছু দিন পর থেকে টাকা বরাদ্দ শুরু হলে প্রকল্প কাজে গতি আসে। কিন্তু ৫ আগস্ট দেশের ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর প্রকল্প নিয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রণালয়। প্রকল্প থেকে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে রাউজান অংশে বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল নির্মাণের অংশটি বাদ দেওয়া হয়। এ টাকা দিয়ে বিকল্প কিছু করার চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রায় ৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের মাধ্যমে দুই দশক আগে হালদা নদীর পাড়ে রাউজানের বিনাজুরী ইউনিয়নের কাগতিয়া, গহিরার মোবারকখীল ও পশ্চিম গহিরা এবং হাটহাজারীর উত্তর মাদার্শার মাছুয়াঘোনা, শাহ মাদারি ও মদুনাঘাট বড়ুয়াপাড়ায় ৬টি হ্যাচারি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নির্মাণগত ত্রটি, সময় মতো সংস্কার, তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হ্যাচারিগুলো থেকে প্রকৃত সুফল পায়নি ডিম সংগ্রহকারীরা। এরমধ্যে সংস্কারের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে রাউজানের বিনাজুরী ইউনিয়নের কাগতিয়া হ্যাচারি। ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে পশ্চিম গহিরা হ্যাচারিও। এ নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে ডিম সংগ্রহকারীদের। বর্তমানে রাউজানের গহিরার মোবারকখীল, হাটহাজারীর উত্তর মাদার্শার মাছুয়াঘোনা, শাহ মাদারি ও মদুনাঘাট বড়ুয়াপাড়ার হ্যাচারি চালু থাকলেও নিয়মিত সংস্কারের অভাবে এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা না থাকায় সবগুলো হ্যাচারি থেকে প্রকৃত সুফল পাচ্ছে না ডিম আহরণকারীরা। তাতে বিভিন্ন সময়ে মারা যায় রেণু। নতুন প্রকল্পটির মাধ্যমে এই ৬ হ্যাচারি সংস্কার করা হবে।
হালদা গবেষক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হালদা রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়ক প্রফেসর ড. মো. মঞ্জুরুল কিবরীয়া বলেন, প্রকল্পে কোন কোন বিষয়গুলো রয়েছে তা এখনো জানি না। ২০১৬ সালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. আইনুন নিশাত এর নেতৃত্বে বুয়েট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ে একটি যৌথ গবেষণা সম্পন্ন করে। গবেষণায় ২৭টি কর্ম পরিকল্পনা ও সুপারিশ প্রণয়ন করা হয়। এসব কর্ম পরিকল্পনা ও সুপারিশ হালদা প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা না হলে তাতে কোন সুফল মিলবে না। তাছাড়া ফটিকছড়ির হারুয়ালছড়ি ও ভুজপুরে হালদা বিধ্বংসী রাবার ড্যাম এবং নদীর উজানে মানিকছড়িতে ধ্বংসাত্মক তামাক চাষ বন্ধে কোন সিদ্ধান্ত আছে কিনা তা নিয়েও অজানায় রয়ে গেছি। চলতি বছরের ২৬ জুন থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে হালদায় ৭টি ব্রড মাছ ও দুটি ডলফিনের মৃত্যু হয়। এই মৃত্যুর কারণ নির্ণয় ও প্রতিকারের ব্যবস্থা নিতে হবে প্রকল্পের মাধ্যমে। অন্যথা প্রকল্পের সুফল পাবে না হালদা সংশ্লিষ্টরা। তাই হালদা প্রকল্পে কী কী বিষয় রয়েছে তা জানা দরকার, যদি না থাকে তাহলে রিভিউ করে সংশোধনি আনতে হবে।
অন্যদিকে হালদা প্রকল্প পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, রিভিউ হচ্ছে হালদা প্রকল্প। প্রকল্প থেকে বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল নির্মাণ বাদ দেওয়া হয়েছে। এটির নির্মাণ খরচ ছিল ৭ কোটি টাকা। এ টাকা দিয়ে বিকল্প কিছু নির্মাণের চিন্তা ভাবনা করছে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। এ ক্ষেত্রে নদীর পাড়ে দুই উপজেলা রাউজান ও হাটহাজারীতে মিনি ল্যাবসহ মৎস্য অফিস নির্মাণ, নদীর কুম খনন অথবা দুই উপজেলায় নতুন করে আরো দুটি হ্যাচারি নির্মাণের জন্য প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে প্রস্তাব উঠেছে। তবে এখনো কোনটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা করে প্রকল্পের জন্য সংশোধিত ডিপিপি তৈরি করা হবে বরে তিনি জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জঙ্গল সলিমপুরকে আর কোনোভাবেই অপরাধীদের আস্তানা হতে দেয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরকে আর কোনোভাবেই অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, এখানকার অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তবে জঙ্গল সলিমপুরের স্থানীয় প্রকৃত অধিবাসীদের কাউকেই উচ্ছেদ করা হবে না। তাদের কীভাবে পুনর্বাসন করা যায়, সরকার সেই ব্যবস্থা করবে। আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে জঙ্গল সলিমপুরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।


তিনি বলেছেন, এই আলীনগর-জঙ্গল সলিমপুর, এই জায়গাটা আর কোনো বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসীদের এলাকা থাকবে না, অভয়ারণ্য থাকবে না। এর আশেপাশে দুইটা পাহাড় টিলা শ্রেণী আছে-একটা হচ্ছে বেতুয়া আরেকটা চা-বাগান।এই এরিয়াতেও সন্ত্রাসীদের আনাগোনা আছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। সেখান থেকেও তাদেরকে উচ্ছেদ করা হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাঁড়াশি এবং যৌথ অভিযানের মাধ্যমে, পরিকল্পিত অভিযানের মাধ্যমে সারা দেশব্যাপী মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া এবং চাঁদাবাজি-এই চারটাকে আমরা অ্যাড্রেস করেছি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে। এগুলোকে আমরা নির্মূল করার চেষ্টা করব এবং তার জন্য আমরা আইনি সংস্কার করছি। কারণ দেখা যায়, ১৮৬৭ সনের জুয়া আইনের মধ্য দিয়ে জুয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না; এখন অনলাইন জুয়া, অফলাইন জুয়া, বিভিন্ন রকমের মডারেট জুয়া এবং বেটিং চালু হয়েছে অনেক বছর আগে থেকে। এগুলোকে আমরা কখনোই আইনিভাবে অ্যাড্রেস করতে পারছি না। কারণ আইনটাই নেই অথবা আইনটাই দুর্বল। সেই আইনটা আমরা আগামী সেশনে পার্লামেন্টে নিয়ে আসার চেষ্টা করব, তাহলে আইনি কাঠামোগতভাবে এগুলোকে আমরা অ্যাড্রেস করব।

তিনি বলেন, একই সাথে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে আমরা যাতে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করতে পারি সেই সংশোধনীটাও আনব। এখানে হাজার হাজার মাদকের মামলা আছে যেগুলো বছরের পর বছর পেন্ডিং হয়ে আছে, সেগুলো নিষ্পত্তি হবে। এইভাবে আমরা আমাদের দেশকে বাঁচাতে পারি, যুব সমাজকে বাঁচাতে পারি। আর কিশোর গ্যাংয়ের যে উৎপাত হয়েছে সেটার জন্য আমাদের কিছুটা আইনি সংস্কার আনতে হবে। কিশোর গ্যাং বলতে কত বয়স পর্যন্ত তাদেরকে কিভাবে কী সুবিধা দেয়া যায়, কারণ আইনের ফাঁকফোকর গলিয়ে কিশোরদের যে সুবিধা আছে (জুভেনাইল ডিলিনকোয়েন্সি) সেটা তারা নিচ্ছে। এই কিশোররা যারা কিশোর গ্যাংয়ে জড়িত তারা আক্রমণাত্মক ও ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীতে পরিণত হচ্ছে। সুতরাং এখানে আইনের সংস্কার দরকার আছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, পুলিশের আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান, এলজিইডি প্রকৌশলী সহ বিভিন্ন সংস্থার প্রধানরা।

চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের শ্রদ্ধা নিবেদনে প্রতি মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্বাধীনতার মহান ঘোষক ও বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল চট্টগ্রাম মহানগরের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন‌ সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি।

আলোচিত খবর

আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র প্রতিষ্ঠাতা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী শনিবার (৩০ মে)। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাকে হত্যা করে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপি গত ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত আট দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত সারা দেশে বিশেষ পোস্টার প্রকাশ করা হচ্ছে এবং দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করছেন। এছাড়া বিভিন্ন সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।

কর্মসূচিতে রয়েছে, ৩০ মে ভোর ৬টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সব স্তরের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা। দেশের সব জেলা, মহানগর ও অন্যান্য ইউনিটেও একই কর্মসূচি রয়েছে। স্থানীয় সুবিধা অনুযায়ী আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং দুঃস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিও পালন করা হবে।

একই দিন বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করবেন। জিয়ারত শেষে মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতিটি থানায় এবং দেশের অন্যান্য ইউনিটে অসচ্ছল ও দুঃস্থ মানুষের মধ্যে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

পরদিন ৩১ মে দুপুর ২টায় রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। তার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। এজন্য তাকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক বলা হয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে গঠিত সার্ক প্রতিষ্ঠারও স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন তিনি। জাতীয়তাবাদভিত্তিক একটি কালজয়ী রাজনৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ