আজঃ শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

সিএমপির ইপিজেড থানা পুলিশের অভিযানে অপসোনিন ফার্মা লি. থেকে চুরি হওয়া ১৭ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা মূল্যমানের ৩০ ড্রাম কেমিক্যাল  উদ্ধার

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অপসোনিন ফার্মা লিমিটেড কোম্পানির PHAR.RAW MAT-SORBITOL 70% SOLUTION BP কেমিক্যাল ৩২০ ড্রাম, যার আনুমানিক মূল্য- ১কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা যা চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের বিল অব এন্ট্রি নং- সি ১৬৪৪১২১ মূলে ইপিজেড থানাধীন লেবার কলোনিস্থ ওভারফ্লো ইয়ার্ড থেকে বরিশাল জেলার কোতোয়ালী থানাধীন রূপাতলী Opsonin Pharma Ltd. ফ্যাক্টরিতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাদী মোঃ সালাউদ্দিন (৪৫)-কে মনোনীত করা হয়। তিনি উক্ত মালামালসমূহ ইপিজেড থানাধীন লেবার কলোনিস্থ ওভারফ্লো ইয়ার্ড থেকে বরিশাল জেলার কোতোয়ালী থানাধীন রুপাতলী Opsonin Pharma Ltd ফ্যাক্টরিতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য মোট ৮টি ট্রাক ভাড়া করেন। পরবর্তীতে ১০ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ৮ ঘটিকার সময় ইপিজেড থানাধীন লেবার কলোনিস্থ ওভারফ্লো ইয়ার্ড থেকে বর্ণিত মালামালসমূহ ৮টি ট্রাক যার প্রত্যেকটি গাড়িতে ৪০ ড্রাম যার আনুমানিক মূল্য ২৩ লক্ষ টাকা লোড করে বরিশাল জেলার কোতোয়ালী থানাধীন রূপাতলী Opsonin Pharma Ltd ফ্যাক্টরিতে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা করে। গাড়িসমূহ রওয়ানা দেওয়ার পর প্রত্যেক গাড়ির ড্রাইভার এবং মালিকের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করলেও একটি ট্রাকের মালিক ও চালক এলোমেলো কথাবার্তা বলতে থাকে এবং একপর্যায়ে গাড়িতে কিছুটা সমস্যা পরিলক্ষিত হয় বলে নির্ধারিত ভাড়া থেকে কিছু টাকা প্রদান করার জন্য বলেন।

১২ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ১২ ঘটিকার সময় বরিশাল জেলার কোতোয়ালী থানাধীন রূপাতলী থেকে বাদীর ম্যানেজার মোঃ মাকসুদ মোবাইল ফোনে বাদীকে জানান ওই ট্রাকটি  গন্তব্যে পৌঁছায়নি এবং গাড়ির মালিক ও চালকের মোবাইল ফোন দুটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বাদী মোঃ সালাউদ্দিন (৪৫) ইপিজেড থানায় এজাহার দায়ের করলে মামলা রুজু হয়।

মামলা রুজু হওয়ার সাথে সাথে সিএমপির বন্দর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার শাকিলা সোলতানা মহোদয়ের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশিদ ও বন্দর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহমুদুল হাসানের তত্ত্বাবধানে ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আখতারউজ্জামানের নেতৃত্বে ইপিজেড থানা পুলিশের একটি আভিযানিক টিম এসআই সাজ্জাদ হোসাইন, এসআই শেখ তারিকুল ইসলাম, এসআই জয়নাল আবেদীন, এএসআই শরীফুল ইসলাম ও এএসআই মাসুদ আলমের সমন্বয়ে গত ২৪ সেপ্টেম্বর আনুমানিক ১০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড থানাধীন ফৌজদারহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অপসোনিন ফার্মা লিমিটেডের চোরাই যাওয়া ৩০ ড্রাম কেমিক্যাল উদ্ধার করেন, যার মূল্য আনুমানিক ১৭ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে ৬৩০ কার্টন সিগারেট ও স্মার্টফোন জব্দ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে দুইজন যাত্রীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ সিগারেট ও কয়েকটি স্মার্টফোন জব্দ করেছে কাস্টমস ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। মঙ্গলবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে পরিচালিত অভিযানে এগুলো জব্দ করা হয় বলে বুধবার সকালে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আটক যাত্রীরা হলেন, বাঁশখালীর মোহাম্মদ আরাফাত এবং আমিরাবাদের মোহাম্মদ রায়হান।

বিমানবন্দর কাস্টমস জানায়, জব্দ করা পণ্য ডিপার্টমেন্টাল মেমোরেন্ডাম (ডিএম) মূল্যে বাজেয়াপ্ত করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, এনএসআই চট্টগ্রামের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দর কাস্টমস শাখা ও কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স যৌথভাবে এ অভিযান চালায়। এ সময় আবুধাবি থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটের (বিজি-১২৮) দুই যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করে ৬৩০ কার্টন সিগারেট (মন্ড) এবং ৫টি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়।উদ্ধারকৃত পণ্যের মধ্যে সিগারেট থেকে ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা, একটি আইফোন থেকে ৩০ হাজার টাকা এবং চারটি স্যামসাং ফোন থেকে ৬০ হাজার টাকা হিসেবে মোট ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার রাজস্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকি রোধে আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, জড়িত দুই যাত্রীকে মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম-ফেনীতে র‌্যাবের যৌথ অভিযান, ৪৮ হাজার লিটার ফার্নেস অয়েল জব্দ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোজ্যতেল ও জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন এবং সরকারি জমি ও ফুটপাথ দখলের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম ও ফেনীর বিভিন্ন এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে র‌্যাব সদস্যরা। অভিযানে সাড়ে ৪৮ হাজার লিটার ফার্নেস অয়েল জব্দ ও ১২ একর সরকারি জমি উদ্ধার এবং ফুটপাথের ৯টি দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। এছাড়া নানা অনিয়মের দায়ে মোট ৪ লাখ ৬৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। র‌্যাবের চট্টগ্রাম ইউনিটের উদ্যোগে নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, বিপিসি ও বিএসটিআইয়ের সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।সোমবার র‌্যাব-৭ এর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে ভোজ্যতেল, অকটেন, ডিজেল ও ফার্নেস অয়েল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। পাশাপাশি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন এবং সরকারি জমি ও ফুটপাথ দখল করে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে লাইসেন্সের মেয়াদোত্তীর্ণ থাকা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তেল মজুত, অতিরিক্ত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রি এবং স্ট্যাম্পবিহীন ওজন ও পরিমাপ যন্ত্র ব্যবহারসহ নানা অপরাধের দায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া পণ্যের মেয়াদ না থাকা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদন ও মজুত এবং ভুয়া সিল ব্যবহারের দায়ে আরও ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, অভিযানে সরকারি জমি ও ফুটপাথ দখলের অপরাধে অতিরিক্ত ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং ১২ একর সরকারি জমি উদ্ধার ও ফুটপাথের ৯টি দোকান উচ্ছেদ করা হয়। এছাড়া লাইসেন্স ছাড়া অপরিশোধিত ফার্নেস অয়েল আমদানি, পরিবহন, মজুত ও প্রক্রিয়াজাতকরণের অপরাধে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৪৮ হাজার ৫০০ লিটার ফার্নেস অয়েল জব্দ করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ