আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

সিএমপির ইপিজেড থানা পুলিশের অভিযানে অপসোনিন ফার্মা লি. থেকে চুরি হওয়া ১৭ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা মূল্যমানের ৩০ ড্রাম কেমিক্যাল  উদ্ধার

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অপসোনিন ফার্মা লিমিটেড কোম্পানির PHAR.RAW MAT-SORBITOL 70% SOLUTION BP কেমিক্যাল ৩২০ ড্রাম, যার আনুমানিক মূল্য- ১কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা যা চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের বিল অব এন্ট্রি নং- সি ১৬৪৪১২১ মূলে ইপিজেড থানাধীন লেবার কলোনিস্থ ওভারফ্লো ইয়ার্ড থেকে বরিশাল জেলার কোতোয়ালী থানাধীন রূপাতলী Opsonin Pharma Ltd. ফ্যাক্টরিতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাদী মোঃ সালাউদ্দিন (৪৫)-কে মনোনীত করা হয়। তিনি উক্ত মালামালসমূহ ইপিজেড থানাধীন লেবার কলোনিস্থ ওভারফ্লো ইয়ার্ড থেকে বরিশাল জেলার কোতোয়ালী থানাধীন রুপাতলী Opsonin Pharma Ltd ফ্যাক্টরিতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য মোট ৮টি ট্রাক ভাড়া করেন। পরবর্তীতে ১০ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ৮ ঘটিকার সময় ইপিজেড থানাধীন লেবার কলোনিস্থ ওভারফ্লো ইয়ার্ড থেকে বর্ণিত মালামালসমূহ ৮টি ট্রাক যার প্রত্যেকটি গাড়িতে ৪০ ড্রাম যার আনুমানিক মূল্য ২৩ লক্ষ টাকা লোড করে বরিশাল জেলার কোতোয়ালী থানাধীন রূপাতলী Opsonin Pharma Ltd ফ্যাক্টরিতে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা করে। গাড়িসমূহ রওয়ানা দেওয়ার পর প্রত্যেক গাড়ির ড্রাইভার এবং মালিকের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করলেও একটি ট্রাকের মালিক ও চালক এলোমেলো কথাবার্তা বলতে থাকে এবং একপর্যায়ে গাড়িতে কিছুটা সমস্যা পরিলক্ষিত হয় বলে নির্ধারিত ভাড়া থেকে কিছু টাকা প্রদান করার জন্য বলেন।

১২ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ১২ ঘটিকার সময় বরিশাল জেলার কোতোয়ালী থানাধীন রূপাতলী থেকে বাদীর ম্যানেজার মোঃ মাকসুদ মোবাইল ফোনে বাদীকে জানান ওই ট্রাকটি  গন্তব্যে পৌঁছায়নি এবং গাড়ির মালিক ও চালকের মোবাইল ফোন দুটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বাদী মোঃ সালাউদ্দিন (৪৫) ইপিজেড থানায় এজাহার দায়ের করলে মামলা রুজু হয়।

মামলা রুজু হওয়ার সাথে সাথে সিএমপির বন্দর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার শাকিলা সোলতানা মহোদয়ের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশিদ ও বন্দর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহমুদুল হাসানের তত্ত্বাবধানে ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আখতারউজ্জামানের নেতৃত্বে ইপিজেড থানা পুলিশের একটি আভিযানিক টিম এসআই সাজ্জাদ হোসাইন, এসআই শেখ তারিকুল ইসলাম, এসআই জয়নাল আবেদীন, এএসআই শরীফুল ইসলাম ও এএসআই মাসুদ আলমের সমন্বয়ে গত ২৪ সেপ্টেম্বর আনুমানিক ১০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড থানাধীন ফৌজদারহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অপসোনিন ফার্মা লিমিটেডের চোরাই যাওয়া ৩০ ড্রাম কেমিক্যাল উদ্ধার করেন, যার মূল্য আনুমানিক ১৭ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ