আজঃ বুধবার ১ এপ্রিল, ২০২৬

চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে আহত, প্রায় ২০ লাখ টাকা লুট

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়েআহত করে প্রায় ২০ লাখ টাকা লুট করেছে দুবৃর্ত্তরা। মোহাম্মদ শাহাজাহান প্রকাস আকশ নামে ওই ব্যবসায়ী বর্তমানে চমেক হাসপাতালে মৃত্যর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। মাথার ব্রেইনে রক্তক্ষরণ হওয়ায়, তার অবস্থা আশংকা জনক বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। গত শনিবার রাত ১২টার দিকে নগরীর বায়েজিদ কুঞ্জুছায়া আবাসিক এলাকায় তার নিজ কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বার্মাইয়া সাইফুল বাহিনীর প্রায় ৩০-৩৫ জনের একটি গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে কারখানার ভিতর ঢুকে মারধর করে টাকা পয়সা লুট করে শাহজানকে সড়কে পেলে যায়। ভুক্তভোগীর স্বজন নজরুল ইসলামের দাবি, অস্ত্র নিয়ে গত রবিবার মধ্যরাতে শাহজাহানের কারখানার ভেতর ঢুকে অতর্কিতভাবে তার ওপর হামলা চালায় স্থানীয় অপরাধ চক্র বার্মাইয়া সাইফুল বাহিনীর ৩০/৫৫জন সদস্য। লোহার রড দিয়ে শাহজাহানকে পেটানো হয়। এ সময় তার চিৎকারে আশপাশের মানুষ ছুটে আসলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে অচেতন অবস্থায় শাহজাহানকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান পুলিশ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বায়েজিদ বোস্তামি থানার উপ-পরিদর্শক আরিফুল ইসলাম জানায়, ঘটনাস্থল থেকে অচেতন অবস্থায় আকশকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। হামলাকারী গ্রুপটি ভয়ংকর, এদের মধ্যে কারো কারো নামে ৫০ এরও অধিক মামলা রয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ডে ক্ষোদ পুলিশও অতিষ্ঠ। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে হামলায় সাইফুলের ভাই বার্মাইয়া সবুজ, ফাহিম ও হানিফ, সোর্স সাগর, এমরান ও বাবু সহ আরো কয়েকজন জড়িত বলে দাবি নজরুল ইসলামের। এর আগে গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে খুলশী থানাধীন কর্নফুলি কাচাবাজারে সামনে রেললাইনের পাশের ফুটপাতের দোকানিদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে বার্মাইয়া সাইফুল বাহিনী। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় ওই দোকানিকে মারধর করা হয়। প্রতিবাদ করায় আলাউদ্দিন ও রাশেদ নামে দুই যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে তারা। আহাতরা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানায় পুলিশ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিবকে হুমকি থানায় জিডি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদযাত্রায় বাড়তি ভাড়া আদায় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকে বিভিন্ন সংস্থা, মালিক ও শ্রমিক নেতাদের নামে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে অব্যাহতভাবে নানান হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

এ ব্যপারে স্থানীয় ডেমরা থানায় অনলাইনে জিডি করা হয়। জিডিতে বলা হয়, বিগত দুই দশক ধরে দেশে যাত্রী নিরাপত্তা, দুভোর্গ ও ভোগান্তি লাঘবে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলে আসছেন। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে, পরিবহন মাফিয়ারাদের চাপে তৎকালীন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী তাকে একাধিক মামলা দিয়েছেন, জেলে নিয়েছেন। নতুন সরকারের সময়ে যাত্রী কল্যাণ সমিতির ধারাবাহিক কাজের অংশ হিসেবে বিগত ঈদুল ফিতরে বাড়তি ভাড়া ও ঈদের পরে সড়ক দুর্ঘটনা সংক্রান্ত দুটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকে বিভিন্ন সংস্থা পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও নানামহল থেকে অব্যাহত হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে অভিযোগ সংগঠনটির।

গতকাল ৩০ মার্চ ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন প্রকাশের পর এলাকায় এলে দুপুরের পর থেকে কিছু অবাঞ্ছিত লোকজন তার গতিবিধি লক্ষ্য করছে। তার অফিস, বাসা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আশেপাশে তাঁরা সন্দেহজনকভাবে ঘুরাফেরা, বিভিন্ন লোকজনের কাছে তার ও তার পরিবারের লোকজনের অবস্থান ও কর্মকান্ড সর্ম্পকে খোঁজ খবর নিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে তিনি তার জীবনের নিরাপত্তায় স্থানীয় ডেমরা থানায় সাধারণ ডাইরি করেন। এক অনলাইন ভিডি বার্তায় তিনি তার জীবনের নিরাপত্তায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন

মোজাম্মেল হক চৌধুরীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন নাগরিক ছাত্র ঐক্য।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যাত্রী আন্দোলনের প্রবক্তা বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব ও বিশিষ্ট মানবাধিকার সংগঠক মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরীর ওপর অব্যাহত হুমকি-ধামকি এবং তার জীবনের নিরাপত্তা সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে নাগরিক ছাত্র ঐক্য কেন্দ্রীয় সংসদ।

এক যৌথ বিবৃতিতে নাগরিক ছাত্র ঐক্য কেন্দ্রীয় সংসদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি ও সদস্য সচিব তানভীর ইসলাম স্বাধীন বলেন, দেশের সাধারণ যাত্রীদের অধিকার, নিরাপদ সড়ক এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সোচ্চার থাকা একজন সাহসী কণ্ঠস্বরকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে দমিয়ে রাখার অপচেষ্টা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য হুমকিস্বরূপ।

মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি বলেন,“মোজাম্মেল হক চৌধুরী দীর্ঘ দুই দশক ধরে যাত্রী অধিকার প্রতিষ্ঠা, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পরিবহন খাতে অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন ভূমিকা রেখে আসছেন। ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর তার বিরুদ্ধে যেসব হুমকি দেওয়া হচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই এ ধরনের হুমকি দিয়ে সত্যকে থামানো যাবে না। অবিলম্বে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

তানভীর ইসলাম স্বাধীন বলেন,একজন মানবাধিকার কর্মী ও সামাজিক সংগঠকের ওপর এভাবে নজরদারি, অনুসরণ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি শুধু একজন ব্যক্তির নিরাপত্তা নয়, বরং নাগরিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। আমরা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাই তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন এবং এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মোজাম্মেল হক চৌধুরীর বাসা, অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আশেপাশে সন্দেহজনক লোকজনের অবস্থান এবং তার পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এটি একটি পরিকল্পিত ভীতি সৃষ্টির প্রচেষ্টা, যা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

নাগরিক ছাত্র ঐক্য কেন্দ্রীয় সংসদ মনে করে, যারা জনগণের পক্ষে কথা বলে, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। অন্যথায় সমাজে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।

অতএব, আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরীর জীবনের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে হুমকিদাতাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবেযাত্রী অধিকার আন্দোলনে বাধা সৃষ্টি বন্ধ করতে হবে

নাগরিক ছাত্র ঐক্য কেন্দ্রীয় সংসদ সবসময় অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে এবং জনগণের ন্যায্য অধিকারের পক্ষে দৃঢ় অবস্থানে থাকবে।যাত্রী অধিকার প্রতিষ্ঠা হোক, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত হোক।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ