আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

রাণীশংকৈলে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত

বিজয় রায়, রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কন্যাশিশুর স্বপ্নে গড়ি আগামীর বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত হয়েছে।সোমবার ৩০সেপ্টেম্বর সকালে দিবসটি উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনা সভায় উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
(ইউএনও)রকিবুল হাসান’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আর্নিকা আক্তার, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মোঃ বিপ্লব,পৌর বিএনপি সভাপতি শাহজাহান আলী, অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম,শিক্ষিকা মেহবুবা আখতার প্রমুখ।

এ সময় শিশুদের প্রতি সব ধরনের ভেদাভেদ ও বৈষম্য দূর করে সচেতনতা তৈরিতে পিতামাতারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা ব্যক্ত করেন বক্তারা। এমনকি নানারকম বাধা-বিঘ্ন পেরিয়ে কন্যা শিশুরা এখন পুত্র সন্তানের মতো সমানতালে পরিবার সমাজ ও রাষ্ট্রে অবদান রাখছে।

এছাড়াও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, অধ্যক্ষ মহাদেব বসাক,প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রাহিম উদ্দিন, থানার প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কার্যালয়ের গোলাম রাব্বানী, সাংবাদিক আশরাফুল আলম,কিশোর কিশোরী ক্লাবের শিক্ষার্থী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমল মতি শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
শেষে কয়েকজন শিক্ষার্থীর মঝে পোশাক বিতরণ করা হয়।
রাণীশংকৈলে নবাগত ডিসির সভা বর্জন,
সাংবাদিকদের ক্ষোভ প্রকাশ

বিজয় রায়, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় নবাগত জেলা প্রশাসক (ডিসি)ইশরাত ফারজানা’র সভা বর্জন করেছে উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪ টায় রাণীশংকৈল উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে ঠাকুরগাঁও জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা মতবিনিময় করবেন বলে সাংবাদিকদের ফোন করে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রকিবুল হাসান।সোমবার বিকালে উপজেলা হলরুমে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভায় উপস্থিত হতে থাকেন সাংবাদিকেরা কিন্তু দীর্ঘ এক ঘন্টা সাংবাদিকদের অপেক্ষায় রেখে জেলা প্রশাসক বিভিন্ন পুজা মন্ডপের সভাপতি সম্পাদকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন।পরে ব্যানার পরিবর্তন করে সাংবাদিকদের সভা শুরু হওয়ার আগেই দেখা যায় ব্যানারে লেখা রয়েছে, উপজেলায় কর্মরত কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সুধীজনের সাথে মতবিনিময় সভা তবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় এ রকম কোন লেখা না থাকায় এবং সাংবাদিকদের ফোন করে বলা হয় সিনিয়রা যেন মেনটেন্ট করে বসে আর জুনিয়ররা যেন পিছনে বসে ইউএনও`র এমন নির্দেশনায় সাংবাদিক নেতারা হলরুম থেকে সভা বর্জন করে বেরিয়ে চলে আসে।রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ফারুক আহম্মদ সরকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা এমন আচরণ একজন উপজেলার সর্বোচ্চ কর্মকর্তার কাছে আশা করিনি।এশিয়ান টিভির জেলা প্রতিনিধি আশরাফুল আলম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,সাংবাদিকদের দাওয়াত দিয়ে এমন আচরণ করা ঠিক হয়নি এবং ইউএনও অফিসের ওয়েশ আতিক বলেছেন শুধু মাত্র নাকি সভাপতি সম্পাদকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে এমন কথা বলা সাংবাদিকদের সাথে দুঃখ জনক।প্রেসক্লাব পুরাতনের যুগ্ম আহব্বায়ক মাহাবুব আলম বলেন, আমাকে গতকাল ইউএনও রকিবুল হাসান ফোন করে জানিয়েছেন আপনাদের সকল সাংবাদিকদের দাওয়াত থাকলো নবাগত জেলা প্রশাসক আপনাদের সাথে বিকাল ৪ টায় মতবিনিময় করবেন। সে হিসেবেই প্রেসক্লাবের সকল সদস্যদের জানানো হয়।এখানে এসে দেখি ব্যানারে আমাদের কোন জায়গায় নেই।তাই আমরা সভা বর্জন করে চলে এসেছি এবং যতদিন পর্যন্ত এর কোন ব্যবস্থা না হবে ততদিন উপজেলা প্রশাসনের সকল সংবাদ প্রকাশ বন্ধ রাখবে সাংবাদিকরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত সচিব হলেন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ১১৮ কর্মকর্তা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত সচিব হলেন প্রশাসনের যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ১১৮ কর্মকর্তা। পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের সবাই বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২০তম ব্যাচের।মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই পদোন্নতির তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পদোন্নতির আদেশে উল্লিখিত কর্মস্থল থেকে কোনো কর্মকর্তার দপ্তর বা কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম-ঠিকানা উল্লেখ করে তাকে যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে। জনপ্রশাসন সচিবের কাছে সরাসরি বা ইমেইলে যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে।

পদোন্নতি পাওয়া কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরবর্তীতে কোনো বিরূপ বা ভিন্নরূপ তথ্য পেলে তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন বা বাতিল করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগে বড় পরিবর্তনবর্তমানে ২৮৫ জন অতিরিক্ত সচিব রয়েছেন। নতুন ১১৮ জনকে নিয়ে অতিরিক্ত সচিবরে সংখ্যা হয়েছে ৪০৩ জন। অতিরিক্ত সচিবের স্থায়ী পদের সংখ্যা ২১২ জন হওয়ায় পদোন্নতি পাওয়া বেশির ভাগ কর্মকর্তাকে আগের পদেই (ইনসিটু) কাজ করতে হবে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের এই পদোন্নতির ক্ষেত্রে অনেক যোগ্য ও দক্ষ কর্মকর্তা আবারও বাদ পড়েছেন। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির অপেক্ষায় ছিলেন, তাদের বড় একটি অংশ এই তালিকায় জায়গা পাননি বলে জানা গেছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ