পূর্বধলায় সাবেক সাংসদ ডা. মোহাম্মদ আলী’র মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

মোঃ নুর উদ্দিন মন্ডলা দুলাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার পূর্বধলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত আলহাজ্ব ডাঃ মোহাম্মদ আলী’র ১২ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে পূর্বধলা উপজেলা বিএনপি’র আয়োজনে বৃহস্পতিবার ৩ অক্টোবর ২০২৪ বৃহস্পতিবার আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়া ও আলোচনা সভার পূর্বে সাবেক সাংসদের কবর জিয়ারত ও কোরআন খতম করা হয়। আলোচনা সভায় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব বাবুল আলম তালুকদার এর সভাপতিত্বে পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ সেলিম উদ্দিন এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এড. মাহফুজুল হক।
প্রধান বক্তা হিসেবে মরহুমের কর্মময় জীবন নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন, সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত আলহাজ্ব ডাঃ মোহাম্মদ আলী’র সহধর্মিনী কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ রাবেয়া আলী। এসময় বক্তব্য রাখেন, নেত্রকোনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক তাজেজুল ইসলাম ফরাস, এস এম মনিরুজ্জামান দুদু, মশিউর রহমান মশু, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ রুহুল আমিন ফকির, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম আনার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক ইশতিয়াক আহমেদ বাবু, ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী হাসান সোহেল, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহবায়ক মোঃ আশরাফ হোসেন তালুকদার, বিশকাকুনী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আতিকুর রহমান রনক, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাকিল হায়াত খান বাদশা, বিকাশ ঘোষ, পূর্বধলা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মাহফুজুল হাসান মানার, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সোলায়মান কবির পাপ্পু প্রমূখ। এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি পূর্বধলা উপজেলা শাখা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এছাড়া বিকেলে কলেজ মোড়ে উপজেলা বিএনপির আয়োজনে পূর্বধলা ও ধোবাউড়া আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত আলহাজ্ব ডাঃ মোহাম্মদ আলীর ১২তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান তালুকদার। বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ এর সভাপতিত্বে উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক ইলিয়াস আলী ইদ্রিস মেম্বার এর সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি নেতা রুহুল আমিন, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মিলন আহমেদ দর্পণ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এনামুল হক হলুদ, এস এম মহসিন করিম দোহা, বিএনপি নেতা আব্দুস সামাদ আজাদ, উপজেলা তরুণ দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ হান্নান শহিদ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নদী আছে,ব্রিজ নেই-দুর্ভোগে দুই পাড়ের সাধারণ মানুষ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার চড়-ভাঙ্গুড়া খাঁপাড়া ও সরকার পাড়ার মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে গুমানি নদী। এই গুমানি নদীতে একটি ব্রিজ না থাকায় দুই পাড়ের সাধারণ মানুষ কে ডিঙি নৌকায় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থী, কৃষক ও রোগীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নিত্যদিন।

স্থানীয়দের দাবি, গুমানি নদীর ওপর একটি ব্রিজ নির্মাণ হলে আশপাশের ৩০-৪০টি গ্রামের সাধারণ মানুষের যাতায়াত অনেক সহজ হবে। এই গুমানি নদীর উপর একটি ব্রিজ আছে নৌবাড়ীয়া, এই নৌবাড়িয়া ব্রিজ বা সেতু ঘুরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে প্রায় ছয় থেকে সাত কিলোমিটার পথ কমবে। এতে কৃষকের কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবায় সুবিধা বাড়বে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের দাবি, জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত এই গুমানি নদীতে ব্রিজ বা সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন।এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোন বক্তব্য যায়নি।

নাটোরে বড়াইগ্রামে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নাটোরের বড়াইগ্রামে যাত্রীবাহী দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১২ জন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে উপজেলার থানার মোড় এলাকায় বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।বনপাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জাহেদুল ইসলাম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ