আজঃ শনিবার ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

কাদিয়ানীদের মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন

এলাহী সাগর,পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গত১৭ অক্টোবর কাদিয়ানীদের মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের প্রত্যাহারের দাবিতে আজ পঞ্চগড় শহীদ মিনার চত্বরে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ পরিষদের উদ্যোগে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ওলামা মাশায়েখ পরিষদের সভাপতি মাওলানা সালমান জাহাঙ্গীর, মুফতি আব্দুল্লাহ আল হুসাইন মাহমুদি, ইসলামী আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ সুলতান মাহমুদ এবং ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি আলহাজ্ব মো. আব্দুল হাই।

সমাবেশে বক্তারা কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের ওপর দায়ের করা মিথ্যা মামলা দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানান। বক্তারা বলেন, কাদিয়ানীবাদীরা নানা ধরনের ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য বিনষ্টের চেষ্টা করছে। মিথ্যা মামলা করে ইসলামপ্রিয় জনগণকে হয়রানি করার এ ষড়যন্ত্র কখনো সফল হবে না। সম্মিলিত খতমে নবুয়তের সদস্য মো. নুর আলম বলেন, “আমরা সব ধরনের অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সচেতন আছি এবং এ জাতীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাব।”মানববন্ধনে শতাধিক আলেম, ওলামা ও সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন। তারা একযোগে কাদিয়ানীদের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দেন।সমাবেশের শেষাংশে বক্তারা দেশব্যাপী ইসলামবিরোধী অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে অবহেলিত ডিসি হিলে রঙের ছোঁয়া।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে বছরের পর বছর অবহেলিত থাকা ডিসি হিলে রঙের ছোঁয়া লেগেছে। উচ্ছ্বসিত নগরের প্রাণকেন্দ্রের নান্দনিক এ পার্কে শ্বাস নিতে আসা নানা বয়সী মানুষ। নন্দনকানন বৌদ্ধ মন্দির সড়কে অবস্থিত ডিসি হিলে সকাল, বিকেল এমনকি সন্ধ্যায়ও এই পাহাড়ের পাদদেশে অনেক মানুষ শ্বাস নিতে আসেন। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে ডিসি হিলের নান্দনিক পরিবেশ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন নিয়মিত প্রাতভ্রমণে আসা নাগরিকগণ।

পাহাড়ের শীর্ষে নবাগত জেলা প্রশাসক (ডিসি) চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সরকারি বাসভবনও অবস্থিত।বিষয়টি তার চোখেও ধরা পড়ে। দ্রুত তিনি প্রাথমিক সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেন। ডিসি হিলের নান্দনিক পরিবেশ আরও দৃষ্টিনন্দন করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে জেলা প্রশাসন সূত্রে।

প্রাথমিক সংস্কারের অংশ হিসেবে বিভিন্ন অবকাঠামোতে নতুন করে সাদা ও লাল রঙের কাজ করা হয় জেলার অভিভাবকের নির্দেশে। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে কিছু ল্যাম্পপোস্টও স্থাপন করা হয়। অবহেলিত ডিসি হিলের এই সামান্য উন্নয়ন কাজেও ভীষণ খুশি প্রাতভ্রমণে আসা বিভিন্ন প্রাতভিত্তিক সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা। তারা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞাকে তার এই ছোট উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানান।

ইতিহাস বলে, ইংরেজ শাসনামলের গোড়ার দিকে এখানে চাকমা রাজার বাড়ি ছিল। পরবর্তীতে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বাসভবন স্থাপিত হওয়ায় কালক্রমে এই পাহাড় ‘ডিসি হিল’ নামে পরিচিতি লাভ করে।
৪২ বছরে পা রাখা শতায়ু অঙ্গনের সদস্যদের পক্ষ থেকে একটি ব্যানার টাঙানো হয়। সেখানে লেখা ছিল “ডিসি হিলকে নতুন রূপে প্রাণবন্ত করে তোলার মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করায় মাননীয় জেলা প্রশাসককে আন্তরিক অভিনন্দন।” ‘ইয়োগা প্রভাতি’ নামের সংগঠনের ব্যানারে লেখা হয় “অবহেলিত ডিসি হিলকে নতুন রূপে সাজিয়ে তোলার মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করায় মাননীয় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।”

প্রভাতী আড্ডা’ নামের সংগঠনের ব্যানারে লেখা হয় “আমাদের সকলের ভালোবাসা ও ভালো লাগার স্থান ডিসি হিল অঙ্গনকে নতুন সাজে সাজিয়ে তোলায় মাননীয় জেলা প্রশাসককে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।” ‘উজ্জীবন’ নামের সংগঠন ব্যানারে লিখে “ডিসি হিলকে নতুন রূপে প্রাণবন্ত করে তোলার মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করায় মাননীয় জেলা প্রশাসককে আন্তরিক অভিনন্দন।”
এ বিষয়ে কথা হয় ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শাহজাহান ভুঁইয়ার সঙ্গে। ডিসির ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন,

“নতুনভাবে সজ্জিত হয়েছে ডিসি হিল। আগে ভাঙাচোরা ছিল, কোনো রং ছিল না। দেখতে বিশ্রী লাগত। এখন রঙ করা হচ্ছে, দেখতে সুন্দর লাগছে।” তিনি আরও বলেন, “লাইটিং করায় জায়গাটা অনেক সুন্দর লাগছে। আগে নিয়মিত ঝাড়ু দেওয়া হতো না। ২০-২৫ দিন পরপর একবার ঝাড়ু দেওয়া হতো। কুকুর পায়খানা করত, পাগলেরা ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখত। ডিসি সাহেব লাইটিং করে আমাদের মনকেও আলোকিত করেছেন। এখন অনেক মানুষ ডিসি হিলে যেতে উৎসাহিত হচ্ছেন। ব্যায়াম ও হাঁটাহাঁটি করা মানুষের সংখ্যাও বেড়েছে।”

আরেক প্রাতভিত্তিক সামাজিক সংগঠন ‘উজ্জীবন’-এর সভাপতি মিল্টন ঘোষ বলেন, “আমরা ২০০৪ সাল থেকে ডিসি হিলে আছি। আমি দায়িত্ব পালন করছি ২০১৫ সাল থেকে। আমাদের মধ্যে কেউ চাকরি করেন, কেউ ব্যবসা করেন। দৈনন্দিন চাপ কমানোর জন্য আমরা প্রতিদিন সকালে এখানে হাঁটাহাঁটি করি। আমরা জেলা প্রশাসক মহোদয়কে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছি একটি বিশেষ কারণে। দীর্ঘ এই পথপরিক্রমায় কোনো ডিসি মহোদয় এভাবে ডিসি হিল সাজানোর উদ্যোগ নেননি। উনি ব্যতিক্রম। প্রশাসনে থেকে যিনি আমাদের মানসিকভাবে সহযোগিতা করেছেন, তাকে ধন্যবাদ জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এতে তিনি উৎসাহিত হবেন।”

সারাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন প্রাতভিত্তিক সংগঠন শতায়ু অঙ্গনের সভাপতি রুস্তম আলী আক্ষেপের সুরে বলেন, “আগেও অনেক ডিসি ছিলেন, কিন্তু কেউ করেননি। এই ডিসি করেছেন।” ডিসি হিল চট্টগ্রাম শহরের কেন্দ্রবিন্দু। এই পাহাড়কে ঘিরে শহরবাসীর অনেক স্বপ্ন ও ভালোবাসা। আনন্দ নিয়ে বেঁচে থাকার একটি বড় জায়গা হলো এই ডিসি হিল। এটি এমন একটি স্থান, যেখানে হাঁটাহাঁটি করে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। এটি নগরবাসীর খুব প্রিয় জায়গা। সারাদিনের ক্লান্তির পর সেখানে গেলেই মন ভালো হয়ে যায়।

হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর নগরের আন্দরকিল্লাহ শাহী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কাজীর দেউড়ি মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ন্যায়ের পক্ষে আপসহীন এক সংগ্রামী কণ্ঠ।তাঁকে নির্মমভাবে প্রকাশ্যে জুমার নামাজের পর হত্যা করলেও আজও বিচার না হওয়ায় দেশের জনগণ ক্ষুব্ধ। অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শহীদ হাদির হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের আন্দোলন চলবে এবং এই দাবি আদায় করে নেওয়া হবে।

বক্তব্য রাখেন জুলাই ঐক্য চট্টগ্রামের প্রধান সমন্বয়কারী আবরার হাসান রিয়াদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রামের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ইবনে হোসেন জিয়াদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক রাফসান রাকিব, তৌসিফ ইমরোজ, আরমান শাহরিয়ারসহ অন্যান্য নেতারা।

আলোচিত খবর

নতুন রাজনৈতিক মুভমেন্ট এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষা এই পাঁচ মূলনীতি নিয়ে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন-এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।আজ ১৬ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেল চারটায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্ল্যাটফর্মটির ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ঘোষণা করা হয়।

কাউন্সিলের মুখপাত্র হয়েছেন ফেরদৌস আরা রুমী, নাজিফা জান্নাত ও তুহিন খান। তারা একেকজন একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পালাক্রমে এই দায়িত্ব পালন করবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অনার্য মুর্শিদ, অনিক রায়, অনিকেত চার্বাক, অনিন্দ্য পন্ডিত, অনিরুদ্ধ রতন দাস, অনুপম সৈকত শান্ত, অপু সাহা, অমর্ত্য রায়, অলিউর সান, অলিক মৃ, আফজাল হোসেন, আতিকুর রহমান আতিক, আদ্রিতা কবির, আলমগীর কবির মিথুন, আসাদ রেহমান, আশিকুর রহমান অনিক, আহমেদ আন-নাবা, ইমতিয়াজ নাদভী, ইরফান আহমেদ, ইলোরা সুলতানা, ঋভু রহমান, কাওসার শাকিল, কাওসার হামিদ, কে এম সুফিয়ান, কৌশিক আহমেদ, খালিদ হাসান আলো, জাকারিয়া হোসেইন, জান্নাতুল মাওয়া আইনান, জাহিদ জামিল, জাহিদ হোসেন ইনকিয়াদ, টিপু গোস্বামী, তসলিম আহমেদ, তাসলিমা মিজি, তাহমীদুর আর চৌধুরী, তাহসিন আহমেদ অমি, নজরুল ইসলাম, নাজমুল আহমেদ, নাফিসা রায়হানা, নাশাদ ময়ুখ, নাসিরউদ্দিন টগর, নিসর্গ নিলয়, নীলা চাকমা, নূমান আহমাদ চৌধুরী, পারভেজ আলম, পুন্নি কবির, ফজলে রাব্বী খান তাজ, ফয়জুল্লাহ আনান, ফরহাদ নাইয়া, ফারিয়া জামান নিকি, ফেরদৌস আরা রুমী, বাকী বিল্লাহ, বিনয় আমিন, মঈনুল ইসলাম শুদ্ধ, মনোয়ার হোসেন নাইম, মাঈন আহমেদ, মাহবুবুর রহমান, মামুনুর রশিদ, মারুফ বিল্লাহ তন্ময়, মাসুদ রানা, মিম আরাফত মানব, মিতা নাহার, মীর মোকাররম শুভ, মীর হুযাইফা আল-মামদূহ, মুকুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান, মো. হাসিব, মোশফেক আরা শিমুল, মোহন বড়ুয়া, রঞ্জন কুমার দে, রহমত উল আলম, রাজীব চক্রবর্তী সুকান্ত, রাফসান আহমেদ, রাশেদুল কবীর রাফি, রাহাত মুস্তাফিজ, রাহুল দাস, রিয়াদুস সালেহীন জাওয়াদ, রেজওয়ান আমীন, রেজাউর রহমান রিন্টু, রৌদ্র তাপসী, শর্মী হোসেন, শামীম আরা নীপা, শেখ ফাতেমা খায়রুন, সমির সরকার, হাসান ইকবাল সজীব, সমির সরকার, সজীব তানভীর, সাখাওয়াত ফাহাদ, সাদ আহমেদ, সাদিক মোহাম্মদ আলম, সামি মোহাম্মদ, সালেহ রাব্বি, সেতু আরিফ, সৈয়দা নীলিমা দোলা, সোনিয়া আফরোজ যুথী, সৌরভ দেব, হাবিব ইমরান জনি, হাসান সালিহি এবং হাসান সোলাইমান।

নতুন মাত্রায় এফ্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে: সর্বস্তরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সাম্য ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা, সংবিধান সংস্কার, মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের সংস্কার এবং অর্থনৈতিক রূপান্তর।এসময় স্বাগত বক্তব্যে কাউন্সিলের সদস্য অনিক রায় বলেন- আমরা রাজনীতিকে কেবল ভাবাদর্শিক লড়াইয়ে পরিণত করতে চাই না। আবার ওয়েলফেয়ারের নামে পেট্র-ক্লায়েন্ট ভিত্তিক রাজনীতিও আমাদের লক্ষ্য নয়। আমরা চাই রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের একটি মৌলিক রূপান্তর। আমরা চাই একটি মানবিক রাষ্ট্র, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, ন্যায্য অর্থনীতি এবং সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন।তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি পুঁজির গণতান্ত্রিক বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই পারে এই দেশকে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে। এই কারণেই আমরা বলছি আমাদের পথ একটি সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট, সামাজিক গণতন্ত্রের আন্দোলন। এটি কেবল ক্ষমতার লড়াই নয় বরং সমাজকে সুসংহত ও গণতান্ত্রিক করে তোলা এবং মানুষের আত্মসামাজিক মুক্তি নিশ্চিত করার সংগ্রাম। যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি ন্যায্য ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ