আজঃ শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে সবজির বাজারে আগুন

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে সরবরাহ সংকটের অজুহাত দেখিয়ে বাজারে এখনও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের সবজি। কেজি প্রতি ১০০ টাকার নিচে তেমন কোন সবজি মিলছে না বললেই চলে। তবে বিপুল পরিমাণ আমদানির খবরে কমতে শুরু করেছে ডিমের দাম। ডজন প্রতি ডিম এখন ১৭৫/১৮০ টাকা থেকে কমে ১৬৫/১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বাজারে।
আজ শুক্রবার ( ১১ অক্টোবর) নগরীর অক্সিজেন, আতুরার ডিপো, বহদ্দারহাট, চকবাজার, বিবিরহাট, কর্ণফুলী কমপ্লেক্স, কাজীর দেউড়ি, চকবাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে। বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বরবটি ১১০ থেকে ১২০, বেগুন ৯০-১০০, পেঁপে ৪০-৫০, কাঁকরোল ১০০-১২০, মিষ্টি কুমড়া ৫৫-৬০, টমেটো ২২০-২৪০, পটল ৬০-৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এর বাইরে শসা ৭৫-৮০, শিম ১৮০-২০০, বাঁধাকপি ৬৫-৭০, আলু ৫৫-৬০, ঢেঁড়স ৭০, গাজর ১৬০, কাঁচা মরিচ ৩৮০-৪০০, চিচিঙ্গা ৭০, বিলেতি ধনিয়া পাতা ৪০০-৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে, পাইকারিতে দাম কমায় খুচরায় ও কমেছে পেঁয়াজের দাম। তবে পাইকারিতে আদা-রসুনের দাম কমলে ও খুচরায় বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে এই দুই পণ্য। এর মধ্যে পেঁয়াজ ১০০, রসুন ২৪০ এবং আদা ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। লইট্টা, তেলাপিয়া ও পাঙাস মাছের দাম কিছুটা কমলেও অপরিবর্তিত রয়েছে মাংসের দাম। নগরীতে লইট্টা ১৮০-২০০, পাঙাস ও তেলাপিয়া ১৮০-২৪০, নারকেলি ২০০, কাতল ৩২০-৩৫০, রুই ৩৫০-৩৮০, পোয়া ৩০০ এবং পাবদা ৩৮০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। তবে বাজারে এখনও বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে সবধরনের মুরগি। দেশি ৫২০, সোনালি ৩৪০ এবং ব্রয়লার মুরগি ১৯০-১৯৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে চট্টগ্রামের বাজারে। এর বাইরে ৭৮০ থেকে ৯৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বন্দরের বহির্নোঙরে জাহাজ থেকে খালাসের অপেক্ষায় ২১ লাখ টন ভোগ্যপণ্য।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রমজান মাসের চাহিদা মেটাতে আমদানি করা ভোগ্যপণ্য খালাসে দেখা দিয়েছে ধীরগতি। পণ্য সংরক্ষণে পর্যাপ্ত গুদাম না পাওয়া এবং আমদানি বেড়ে যাওয়ায় লাইটার জাহাজের চাহিদাও বেশি থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থানরত ৪৬টি জাহাজে মোট ভোগ্যপণ্যের পরিমাণ ২৩ লাখ ৪৬ হাজার টন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত এসব জাহাজ থেকে ১১ লাখ টন ভোগ্যপণ্য খালাস করা হয়েছে।

খালাসের অপেক্ষায় ছিল প্রায় ১২ লাখ টন। এছাড়া ২৫টি গমবোঝাই জাহাজে আমদানি হয় সাড়ে ১৩ লাখ টন গম। খালাস হয়েছে ৬ লাখ টন। ছোলা, মসুর ডাল ও মটর ডালবোঝাই ৭টি জাহাজে আমদানি হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার টন, খালাস হয়েছে দেড় লাখ টন।
৯টি জাহাজে আছে ৪ লাখ ৩৯ হাজার টন তেলবীজ, যার মধ্যে খালাস হয়েছে তিন লাখ টন।চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন বড় জাহাজ থেকে গড়ে ৫০-৬০ হাজার টন ভোগ্যপণ্য লাইটার জাহাজে স্থানান্তর করার পর বিভিন্ন ঘাটে নিয়ে গিয়ে খালাস করা হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভোগ্যপণ্যের আমদানি বাড়লেও অনেক প্রতিষ্ঠানের পর্যাপ্ত গুদাম নেই। এ কারণে লাইটার জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করতে সময় লাগছে।


বাংলাদেশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেল (ডব্লিউটিসিসি) এর তথ্যমতে, দেড় মাস ধরে দেশের বিভিন্ন ঘাটে পণ্য খালাসের জন্য আটকে আছে ২৬৫টি লাইটার জাহাজ। এর মধ্যে ভোগ্যপণ্যবোঝাই লাইটার জাহাজ ১২২টি। আগে প্রায় ১২০০টি লাইটার জাহাজ পণ্য বোঝাই করতো। এখন জাহাজের সংখ্যা কমে ১ হাজার ২২টিতে এসেছে।এমএসটি মেরিন এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপক মেজবাহ উদ্দিন জানান, অনেক আমদানিকারকের গুদাম না থাকায় তারা লাইটার জাহাজ থেকে দ্রুত পণ্য খালাস করতে পারছে না।

১১৮৮ টন ভারতীয় চাল সোনা মসজিদ বন্দর দিয়ে আমদানি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে আবারও চাল আমদানি শুরু হয়েছে। ভারত থেকে ১ হাজার ১৮৮ মেট্রিক টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল সোনা মসজিদ বন্দর দিয়ে প্রবেশ করে।এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পানামা সোনা মসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের অপারেশন ম্যানেজার কামাল খান।

তিনি জানান-আমদানির অনুমতি পাওয়ার পর গত ২৪ জানুয়ারি থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ১ হাজার ১৮৮ মেট্রিক টন চাল বন্দরে প্রবেশ করেছে।
এদিকে সোনা মসজিদ উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক সমীর চন্দ্র ঘোষ জানান-গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এ বন্দর দিয়ে ৫৬৩ দশমিক ৭ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় সোনা মসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ