আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

বগুড়ায় সিঁদুররাঙা হাসিমুখে দেবীকে বিদায়

বগুড়া সংবাদদাতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উলুধ্বনি, শঙ্খ, ঘণ্টা আর ঢাক-ঢোলের বিদায় সুরে শেষ হলো বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। পুরাণমতে, বিজয়া দশমীর অন্যতম আয়োজন দেবীবরণ। রীতি অনুযায়ী, সধবা নারীরা স্বামীর মঙ্গল কামনায় দশমীর দিন সিঁদুর, পান ও মিষ্টি নিয়ে দুর্গাকে সিঁদুর ছোঁয়ান। দেবীর পায়ে সিঁদুর ছোঁয়ানোর পর সেই সিঁদুর প্রথমে সিঁথিতে মাখান, পরে একে অন্যের সিঁথি ও মুখে মাখেন। মুখ রঙিন করে হাসিমুখে দেবীকে বিদায় জানানো হয়। মেতে ওঠেন সিঁদুর খেলায়। এরপর নেচে গেয়ে দেবীদুর্গাকে বিদায় জানান সনাতন ধর্মালম্বীরা। রোববার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে বগুড়া শহরের মগলিশপুর সার্বজনীন দূর্গা মন্দিরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।

সকাল থেকেই এ মন্দিরে সিঁদুররাঙা পুণ্যার্থীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল। সকালে বিজয়া দশমীর পূজা শেষে মণ্ডপে মণ্ডপে ছিল বিষাদের ছায়া। উলুধ্বনি, শঙ্খ, ঘণ্টা আর ঢাক-ঢোলের বাজনায় ছিল দেবীদুর্গার বিদায়ের সুর।

মন্দিরে আসা প্রিয়াঙ্কা রানি বলেন, পাঁচদিন ধরে নানা আয়োজনে পূজা উদযাপন করা হয়েছে। সিঁদুর খেলা, নেচে গেয়ে উদযাপন করা হয়েছে। মা দুর্গাকে বিদায় জানাতে হচ্ছে এতে কিছুটা খারাপ লাগছে। আগামী বছর আবারও ফিরে আসবে।

সনাতন ধর্ম মতে, মহালয়ার দিন ‘কন্যারূপে’ ধরায় আসেন দশভুজা দেবী দুর্গা, বিসর্জনের মধ্যদিয়ে তাকে এক বছরের জন্য বিদায় জানানো হয়। তার এই ‘আগমন ও প্রস্থানের’ মধ্যে আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠী থেকে দশমী তিথি পর্যন্ত হাসি-আনন্দ আর পূজা-অর্চনার মধ্যদিয়ে পাঁচদিন চলে দুর্গোৎসব। দোলায় বা পালকিতে আগমনের পর এবার দেবী দুর্গার গমন হয় ঘোটক বা ঘোড়ায় চড়ে।

রোববার বিজয়া দশমী, সকালে ‘বিহিত পূজা’ আর ‘দর্পণ বিসর্জনের’ মধ্যদিয়ে বিদায় জানানো হয় দেবী দুর্গাকে। আর বিকালে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়েই শেষ হয় বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের পাঁচ দিনব্যাপী এ দুর্গোৎসব।

বগুড়া জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী জেলার ১২টি উপজেলায় ৬২৮টি মণ্ডপে দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরমধ্যে পৌর শহরে পূজার সংখ্যা ছিল ৭৩টি। এ বছর সারাদেশে ৩২ হাজার ৬৬৬টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়।।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া হক কমিটি সূর্যগিরি আশ্রম শাখার উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নাজিরহাট প্রতিনিধি: মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ সূর্যগিরি আশ্রমের উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল বিকালে উপজেলা সদরে সূর্যগিরি আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ লায়ন ডা. বরুণ কুমার আচার্য বলাইয়ের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ফটিকছড়ি থেকে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সরোয়ার আলমগীর।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সাবেক চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন কাঞ্চন, মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুল আলম চৌধুরী, নাজিম উদ্দিন শাহীন, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মো. জালাল উদ্দিন চৌধুরী, মোজাহারুল ইকবাল লাভলু, এন এম রহমত উল্লাহ, সংগঠনের সভাপতি ধীমান দাশ, সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ বৈদ্য, উপদেষ্টা ড. তরুণ কুমার আচার্য্য, কেন্দ্রীয় পর্ষদের সভাপতি বিপ্লব চৌধুরী কাঞ্চন, সাধারণ সম্পাদক টিটু চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুবেল শীল, আহমেদ এরশাদ খোকন, সাংবাদিক জিপন উদ্দিন, শিমুল পাল, বিজন শীল, ঝুমুর সর্দ্দার, মিন্টু দাশ গুপ্ত, সুল্বভ দত্ত, কৃপাঞ্জন আচার্য, সোনা রাম আচার্য, উপদেষ্টা নারায়ন আচার্য। সংগঠনের দুই সদস্যকে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।

মাভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি চাতুয়া শাখার ইফতার মাহফিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ দুবাই চাতুয়া শাখা (প্রস্তাবিত) হক কমিটির এর উদ্যোগে সোমবার ৯ মার্চ বাদ-এ আছর দুবাইয়ের চাতুয়ায় কমিটির অস্থায়ী কার্যালয়ে পবিত্র ইফতার ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ বদিউল আলম বদির সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মঈনুদ্দীন অনিকের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মুহাম্মদ হাসান রেজা আল কাদেরী (মা.জি.আ.)।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মওলানা মুহাম্মদ দিদারুল আলম কেন্দ্রীয় সদস্য, মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেলিম উদ্দিন উপদেষ্টা আজমান শাখা ও উপদেষ্টা কাজী ফয়জুল ইসলাম করিম দুবাই হামরিয়া শাখা ও ব্যবসায়ী আবদুর রহিম।

এতে শত শত আশেকে রাসুল (সাঃ) ও আশেকে মাইজভান্ডারীর উপস্হিতিতে বক্তারা বলেন, ইহকালের শান্তি ও পরকালের মুক্তির জন্য যুগে যুগে আল্লাহর অলিদের আগমন ঘটে পরিশেষে মহান মালিক হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভান্ডারীর যে মিশন হুক্কুল লা হুক্কুল ইবাদত ধারণ করে মানবতার কল্যাণে নিয়োজিত রাখার আহবান জানান।

অত্র কমিটির সিনিয়র সভাপতি এরশাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজান, প্রচার সম্পাদক রাশেদ, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক কামরুল সহ চাতুয়াপার্কিংয়ে কর্মরত প্রবাসী ভাইদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রধান আলোচকের আখেরী মুনাজাত ও ইফতার ও তরারুক বিতরণের মধ্য দিয়ে মাহফিলের সমাপ্তি ঘটে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ