আজঃ শুক্রবার ১৯ জুন, ২০২৬

রাজশাহীতে খাদ্যপণ্য পরীক্ষা করবে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহীতে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে ‘ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগার’-এর উদ্বোধন করা হয়। ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যপণ্য পরীক্ষার পাশাপাশি তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল জানানোর লক্ষ্যে রাজশাহী বিভাগের জন্য একটি ‘ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগার’ চালু করা হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনার দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর তাঁর কার্যালয়ে এটির উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে ভোক্তারা নিজেদের আনা খাদ্য নমুনাও বিনা মূল্যে পরীক্ষার সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারটি মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর। তিনি জানান, দিনে পরীক্ষাগারটি যেখানে দরকার, সেখানে নিয়ে যাওয়া হবে। আর রাতে রাখা হবে রাজশাহী সার্কিট হাউসে। রাজশাহীর বাইরের কোনো জেলায় সর্বোচ্চ দুই দিন পর্যন্ত এ পরীক্ষাগার রাখা যাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ‘নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ’ প্রকল্প থেকে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারটি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর দায়িত্বে থাকবেন জেলার নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা। কোন দিন বিভাগের কোন জেলায় এ পরীক্ষাগার থাকবে, সেটির একটি সূচি মাসের শুরুতেই তৈরি করা হবে। রাজশাহী ছাড়া বিভাগের অন্য কোনো জেলায় পরীক্ষাগারটি একবার গিয়ে দুই দিনের বেশি থাকবে না। দিনে প্রয়োজনীয় স্থানে পরীক্ষাগারটিকে নিয়ে যাওয়া হবে আর রাতে রাখা হবে সার্কিট হাউসে।

এ বিষয়ে জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা ইয়ামিন হোসেন জানান, যেসব এলাকায় খাদ্যসামগ্রী বিক্রি হয়, সেখানে এই পরীক্ষাগার নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর খাদ্যপণ্য পরীক্ষা করে তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল জানানো হবে। কোথাও খাদ্যপণ্যে ভেজাল পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে তা ধ্বংস করা হবে। পাশাপাশি ওই সব খাদ্যপণ্য কেনা থেকে বিরত রাখতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হবে।

ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারটির উদ্বোধনের আগে আজ সকালে বিভাগীয় কার্যালয়ে নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) তরফদার মো. আক্তার জামীল, পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি ফয়সাল মাহমুদ, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক আনোয়ারুল কবীর, বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মাহমুদুল ফারুক, বিভাগীয় মৎস্য দপ্তরের উপপরিচালক আবদুল ওয়াহেদ মণ্ডল, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আফরিন প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কৃত্রিম কিডনি তৈরি করে সারা বিশ্বে চমক লাগান চট্টগ্রামের সন্তান ড. শুভ রায়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কিডনি ফেইলিউরে বিশ্বের লাখো মানুষের জন্য যিনি আশার আলো হয়ে এসেছেন, সেই কৃত্রিম কিডনির (Artificial Kidney) উদ্ভাবক একজন বাংলাদেশী বিশ্বখ্যাত বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ার ড. শুভ রায়। তিনি ‘বায়ো-এমইএমএস’ (Bio-MEMS) প্রযুক্তির সাহায্যে বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম কিডনি তৈরি করে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক অভাবনীয় মাইলফলক স্থাপন করেছেন।

​শেকড় ও শিক্ষাজীবন:
১৯৬৯ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করা শুভ রায়ের পৈতৃক নিবাস চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। বাবার পেশাগত কারণে ছোটবেলায় উগান্ডায় চলে যান এবং সেখানেই তাঁর স্কুলজীবন কাটে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়ে তিনি মাউন্ট ইউনিয়ন কলেজ থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে কেস ওয়েস্টার্ন রিজার্ভ ইউনিভার্সিটি থেকে তড়িৎ প্রকৌশল ও ফলিত পদার্থবিজ্ঞানে মাস্টার্স এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

​গবেষণা ও বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার:
১৯৯৮ সালে ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে তাঁর পেশাগত জীবনের সূচনা। দীর্ঘ এক দশক সেখানে স্পাইন রিসার্চ এবং বায়ো-এমইএমএস ল্যাবে কাজ করার পর, ২০০৮ সাল থেকে তিনি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (UCSF) জৈবচিকিৎসা এবং থেরাপিউটিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে নিজের মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।
​চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং আধুনিক প্রযুক্তির এই অপূর্ব সমন্বয়ে ড. শুভ রায়ের অসামান্য কাজ শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, পুরো বিশ্বের জন্য এক বিশাল আশীর্বাদ। এমআইটি, নাসা থেকে শুরু করে বিশ্বমঞ্চে তাঁর এই অসামান্য অর্জনের জন্য চট্টগ্রাম বাসী গর্বিত, বিশ্বের দরবারে বাঙালিরা আবার প্রমান করে দিল আমরা ও পারি। এই বিজ্ঞানী জানাই অভিবাদন বীর চট্টলার গৌরব, এই স্মৃতি অম্লান।

রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে শুরুতে ৩ শত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টরে ফুয়েল লোডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। ২৮ এপ্রিল ফুয়েল লোডিং কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহারে সরকার যে অঙ্গীকার করেছিল, তার একটি এটি।

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী।প্রকল্প পরিকল্পনা অনুযায়ী, জ্বালানি লোডিংয়ের পর তিন মাসের মধ্যে প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে। শুরুতে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে উৎপাদন বাড়ানো হবেো।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ