আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

রাজশাহীতে খাদ্যপণ্য পরীক্ষা করবে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহীতে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে ‘ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগার’-এর উদ্বোধন করা হয়। ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যপণ্য পরীক্ষার পাশাপাশি তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল জানানোর লক্ষ্যে রাজশাহী বিভাগের জন্য একটি ‘ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগার’ চালু করা হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনার দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর তাঁর কার্যালয়ে এটির উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে ভোক্তারা নিজেদের আনা খাদ্য নমুনাও বিনা মূল্যে পরীক্ষার সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারটি মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর। তিনি জানান, দিনে পরীক্ষাগারটি যেখানে দরকার, সেখানে নিয়ে যাওয়া হবে। আর রাতে রাখা হবে রাজশাহী সার্কিট হাউসে। রাজশাহীর বাইরের কোনো জেলায় সর্বোচ্চ দুই দিন পর্যন্ত এ পরীক্ষাগার রাখা যাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ‘নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ’ প্রকল্প থেকে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারটি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর দায়িত্বে থাকবেন জেলার নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা। কোন দিন বিভাগের কোন জেলায় এ পরীক্ষাগার থাকবে, সেটির একটি সূচি মাসের শুরুতেই তৈরি করা হবে। রাজশাহী ছাড়া বিভাগের অন্য কোনো জেলায় পরীক্ষাগারটি একবার গিয়ে দুই দিনের বেশি থাকবে না। দিনে প্রয়োজনীয় স্থানে পরীক্ষাগারটিকে নিয়ে যাওয়া হবে আর রাতে রাখা হবে সার্কিট হাউসে।

এ বিষয়ে জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা ইয়ামিন হোসেন জানান, যেসব এলাকায় খাদ্যসামগ্রী বিক্রি হয়, সেখানে এই পরীক্ষাগার নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর খাদ্যপণ্য পরীক্ষা করে তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল জানানো হবে। কোথাও খাদ্যপণ্যে ভেজাল পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে তা ধ্বংস করা হবে। পাশাপাশি ওই সব খাদ্যপণ্য কেনা থেকে বিরত রাখতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হবে।

ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারটির উদ্বোধনের আগে আজ সকালে বিভাগীয় কার্যালয়ে নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) তরফদার মো. আক্তার জামীল, পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি ফয়সাল মাহমুদ, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক আনোয়ারুল কবীর, বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মাহমুদুল ফারুক, বিভাগীয় মৎস্য দপ্তরের উপপরিচালক আবদুল ওয়াহেদ মণ্ডল, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আফরিন প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বর্জ্য এখন একটি সম্ভাবনাময় সম্পদ : চুয়েট ভিসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া মহোদয় বলেছেন, আজকের বিশ্ব বাস্তবতায় বর্জ্যকে আর শুধু অপদ্রব্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বর্জ্য এখন একটি সম্ভাবনাময় সম্পদ। যথাযথ প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বর্জ্যকে রূপান্তর করা যায় সম্পদে, শক্তিতে এবং টেকসই উন্নয়নের হাতিয়ারে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, চুয়েটের মতো প্রযুক্তি-ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব হলো জ্ঞান সৃষ্টি করা, গবেষণাকে বাস্তব সমস্যার সমাধানের সঙ্গে যুক্ত করা এবং নীতিনির্ধারণে প্রমাণভিত্তিক দিকনির্দেশনা প্রদান করা। আমি বিশ্বাস করি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগুলো শুধু গবেষণাপত্রেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং তা জাতীয় নীতি, শিল্পখাতের বাস্তব প্রয়োগ এবং ভবিষ্যৎ গবেষণার দিকনির্দেশনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
সোমবার সকালে চুয়েটের প্রি-ইঞ্জিনিয়ারিং ভবনের ভিডিও কনফারেন্স রুমে রসায়ন বিভাগের উদ্যোগে

“রেডিওঅ্যাকটিভ ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, এনভায়রনমেন্টাল রেমিডিয়েশন, রিসোর্স রিকোভারি এন্ড সার্কুলার-ইকোনমি প্র্যাকটিসেস” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. এ.এইচ. রাশেদুল হোসেন। সেমিনারে কী-নোট স্পীকার ছিলেন জাপানের ফুকুশিমা ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অব

এনভায়রনমেন্টাল রেডিওঅ্যাকটিভিটি (আইইআর) এর অধ্যাপক ড. ঈসমাইল রহমান ও জাপানের কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্ট-ডক্টোরাল রিসার্চার ড. শফিকুর রহমান। রসায়ন বিভাগ এর বিভাগীয় প্রধান ড. মোসাঃ রোকসানা খাতুনের সভাপতিত্বে সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শাশ্বত রবি। এতে সঞ্চালনা করেন রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রাতুল কুমার শীল।

চুয়েটে তিনদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কনফারেন্স শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ মহোদয় বলেছেন, আমাদের একসাথে কাজ করার এবং দেশ ও সমাজের কল্যাণে নতুন কিছু করার এক অসাধারণ সুযোগ এসেছে। এই কনফারেন্স থেকে প্রাপ্ত সমাধানসমূহ আমাদের বৈশ্বিক অবস্থানকে শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মানচিত্রে আমাদের অবস্থানকে সুদৃঢ় করবে। আমি বিশ্বাস করি, এখানে যে জ্ঞান বিনিময় হচ্ছে তা সমাধানের সীমায় সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং নীতিনির্ধারণ, প্রযুক্তি এবং আগামী প্রজন্মের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে।

বুধবার সকালে চুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে যন্ত্রকৌশল বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত শীর্ষক তিনদিনব্যাপী আর্ন্তজাতিক কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনলাইনের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে গেস্ট অব অনার ছিলেন চুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া মহোদয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মেকানিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কাজী আফজালুর রহমান এবং ব্যুরো অব রিসার্চ, টেস্টিং অ্যান্ড কনসাল্টেন্সি এর পরিচালক ও যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. বদিউস সালাম। কনফারেন্স চেয়ার ও চুয়েটের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কনফারেন্স সেক্রেটারি ও যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ সানাউল রাব্বী। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন জাপানের সাগা ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. আকিও মিয়ারা ও নরওয়ের আগডার ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. তরে ভেহুস। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তিলাওয়াত করেন চুয়েট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা ক্বারী নুরুল্লাহ। এতে সঞ্চালনা করেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২০ ব্যাচের শিক্ষার্থী আহাদ বিন আজাদ ও ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী নাভিয়া হাসান নভেলী।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ