ফিলিপাইনের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি কাজে লাগাতে স্থানীয় উদ্যোক্তদের আহবান

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির (সিএমসিসিআই) সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিপাইন্স রাষ্ট্রদূত নিনা পাদিলা কেইংলেট’র সিএমসিসিআই’র পরিচালনা পর্ষদ, সদস্য এবং ব্যবসায়ীদের সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। বৃহস্পতিবার উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন সিএমসিসিআই পরিচালক জনাব জাহাঙ্গীর চৌধুরী। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সিএমসিসিআই পরিচালক এম. আব্দুল আউয়াল, এইচ. এম. হাকিম আলী এবং পরিচালক এম. সোলায়মান, এফসিএমএ সহ চেম্বারের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

পরিচালক জাহাঙ্গীর চৌধুরী অতীতেও বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত এবং উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ অত্র চেম্বার পরিদর্শনের কথা স্মরন করে এবারও ব্যস্ততার মাঝে বর্তমান রাষ্ট্রদূত নিনা পাদিলা কেইংলেট’র সিএমসিসিআই পরিচালক সহ অন্যদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে অংশগ্রহন করায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি স্থানীয় উদ্যোক্তদের কৃষি ও খাদ্য উৎপাদন, প্যাকেজিং, তথ্য প্রযুক্তি, ইলেক্ট্রনিক্স এবং পর্যটন খাতে ফিলিপাইনের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে উন্নত কৃষিজাত পণ্য, হালাল পণ্য যেমন ভেজিটেবল অয়েল, মাছ, কসমেটিকস্ সামগ্রী, লুব্রিকেন্ট অয়েল, বায়ো ডিজেল, কোকোনাট মিল্ক ক্রিম ইত্যাদি আমদানিতে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি উভয় দেশের সরকারের পাশাপাশি উভয় দেশের জনগণকে যৌথভাবে শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে আরও বেশি চর্চা করার আহ্বান জানান। এর ফলে দু’দেশের জনগনের মধ্যে আরও বেশি ভাতৃত্ব পূণৃ সম্পর্ক সৃষ্টি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ ব্যাপারে তিনি সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

ভবিষ্যতে ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি দু’দেশের ব্যবসায়ীদের একসাথে কাজ করার প্রতি আহ্বান জানান। রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বাংলাদেশ থেকে ফিলিপাইন আরও বেশি পণ্য আমদানি করতে আগ্রহী বলে জানানো হয়। পরিশেষে পাওয়ার প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে ফিলিপাইনের বিভিন্ন শিল্পখাত সম্বন্ধে উপস্থিত সকলকে সম্যক ধারনা দেয়া হয়।সভায় আরও বক্তব্য রাখেন পরিচালক এইচ. এম. হাকিম আলী, এম. সোলায়মান, এফসিএমএ।

সিএমসিসিআই সদস্য সুলতান মাহমুদ, শহীদুল আলম, মাহতাব উদ্দিন সহ কেডিএস গ্রুপের প্রতিনিধি ওবায়দুর রহমান। পরিশেষে তিনি এ ধরনের একটি প্রাণবন্ত অনুষ্ঠান আয়োজন করায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার সভাপতি সহ উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কৃত্রিম কিডনি তৈরি করে সারা বিশ্বে চমক লাগান চট্টগ্রামের সন্তান ড. শুভ রায়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কিডনি ফেইলিউরে বিশ্বের লাখো মানুষের জন্য যিনি আশার আলো হয়ে এসেছেন, সেই কৃত্রিম কিডনির (Artificial Kidney) উদ্ভাবক একজন বাংলাদেশী বিশ্বখ্যাত বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ার ড. শুভ রায়। তিনি ‘বায়ো-এমইএমএস’ (Bio-MEMS) প্রযুক্তির সাহায্যে বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম কিডনি তৈরি করে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক অভাবনীয় মাইলফলক স্থাপন করেছেন।

​শেকড় ও শিক্ষাজীবন:
১৯৬৯ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করা শুভ রায়ের পৈতৃক নিবাস চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। বাবার পেশাগত কারণে ছোটবেলায় উগান্ডায় চলে যান এবং সেখানেই তাঁর স্কুলজীবন কাটে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়ে তিনি মাউন্ট ইউনিয়ন কলেজ থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে কেস ওয়েস্টার্ন রিজার্ভ ইউনিভার্সিটি থেকে তড়িৎ প্রকৌশল ও ফলিত পদার্থবিজ্ঞানে মাস্টার্স এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

​গবেষণা ও বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার:
১৯৯৮ সালে ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে তাঁর পেশাগত জীবনের সূচনা। দীর্ঘ এক দশক সেখানে স্পাইন রিসার্চ এবং বায়ো-এমইএমএস ল্যাবে কাজ করার পর, ২০০৮ সাল থেকে তিনি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (UCSF) জৈবচিকিৎসা এবং থেরাপিউটিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে নিজের মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।
​চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং আধুনিক প্রযুক্তির এই অপূর্ব সমন্বয়ে ড. শুভ রায়ের অসামান্য কাজ শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, পুরো বিশ্বের জন্য এক বিশাল আশীর্বাদ। এমআইটি, নাসা থেকে শুরু করে বিশ্বমঞ্চে তাঁর এই অসামান্য অর্জনের জন্য চট্টগ্রাম বাসী গর্বিত, বিশ্বের দরবারে বাঙালিরা আবার প্রমান করে দিল আমরা ও পারি। এই বিজ্ঞানী জানাই অভিবাদন বীর চট্টলার গৌরব, এই স্মৃতি অম্লান।

রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে শুরুতে ৩ শত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টরে ফুয়েল লোডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। ২৮ এপ্রিল ফুয়েল লোডিং কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহারে সরকার যে অঙ্গীকার করেছিল, তার একটি এটি।

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী।প্রকল্প পরিকল্পনা অনুযায়ী, জ্বালানি লোডিংয়ের পর তিন মাসের মধ্যে প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে। শুরুতে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে উৎপাদন বাড়ানো হবেো।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ