আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

জাতীয় এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জেলা পর্যায়ের সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখছেন সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম।

১৫ উপজেলার ৪ হাজার ৩৮৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩ লাখ ৫১ হাজার কিশোরীকে এইচপিভি প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সমন্বয় সভায় চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধের লক্ষ্যে সারাদেশের ন্যায় আগামী ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার থেকে চট্টগ্রাম জেলায় অনুষ্টিত হবে মাসব্যাপী জাতীয় হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৪। শুক্রবার ও সরকারী ছুটির দিন ব্যতীত মোট ১৮ দিনের প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছাত্রী/ কিশোরী (১০-১৪ বছর) ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত কমিউনিটির ১০-১৪ বছর বয়সী কিশোরীদেরকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই ব্যয়বহুল এইচপিভি টিকা প্রদান করা হবে। ১৭ ডিজিটের জন্মনিবন্ধনের মাধ্যমে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ও জন্মনিবন্ধন বিহীন কিশোরীদেরকে হোয়াইট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে ক্যাম্পেইনের প্রথম ১০দিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র সমূহে এবং পরবর্তী ৮ দিন স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রসমূহে কিশোরীদেরকে এইচপিভি টিকা দেয়া হবে। জেলার ১৫ উপজেলার ৪ হাজার ৩৮৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫ম-৯ম শ্রেণির ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩০ জন কিশোরী ও স্কুল বহির্ভূত কমিউনিটির ৭ হাজার ৫১৮ জন কিশোরীসহ মোট ৩ লাখ ৫১ হাজার ৮৪৮ জন কিশোরীকে এইচপিভি প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সিটি করপোরেশন এলাকায়ও প্রায় ১ লাখ ৩৬ হাজার কিশোরীকে এইচপিভি প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার প্রতিনিধিদের সমন্বিত উদ্যোগে জাতীয় এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন করা হবে। এ লক্ষ্যে আমাদের সকল প্রস্তুুতি রয়েছে। জাতীয় এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত জেলা পর্যায়ের সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকা বিশ্বব্যাপী পরীক্ষিত, নিরাপদ ও কার্যকর। এক ডোজ এইচপিভি টিকা নিলে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যাবে। এটি কৈশোরকালীন স্বাস্থ্যসেবার এক নতুন দিগন্ত। বাংলাদেশে প্রতি বছর হাজার হাজার নারী জরায়ুমুখ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করছে। এই মারাত্মক রোগ প্রতিরোধে বর্তমান সরকার সারাদেশে আবারও বিনামূল্যে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকা প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে। ১০-১৪ বছর বয়সী কোন কিশোরী কেউ যাতে এ টিকা থেকে বাদ না পড়ে সে বিষয়ে বিশেষ নজর রাখা হবে। ইপিআই ভ্যাকসিনের মধ্যে এইচপিভি সবচেয়ে দামী। এবারের লক্ষ্য হলো ৯৫ শতাংশ কিশোরীকে টিকার আওতায় নিয়ে আসা। এইচপিভি ভ্যাকসিন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি রয়েছে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ২ জন সমন্বয়ককে কমিটিতে রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সিভিল সার্জন আরও বলেন, আগামী ২৪ অক্টোবর থেকে দেশের সাতটি বিভাগে কিশোরী ও ছাত্রীদের মাঝে এই টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে, যা চলবে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত। এ ক্যাম্পেইন সফল করতে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জনগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সমূহে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১৫ বছরের কম বয়সী মেয়েদের ৯০ শতাংশকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই টিকা কিশোরীদের মাঝে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর হতে পারেসভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এসআইএমও ডা. এফ.এম জাহিদুল ইসলাম।
চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমওসিএস ডা. মোঃ নওশাদ খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সিইও মোঃ শাব্বির ইকবাল, চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবদুল মান্নান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ শরীফ উদ্দিন, জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মোঃ আরিফ হোসেন, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আবুল কালাম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এস.এম আবদুর রহমান ও জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমওডিসি ডা. মোঃ নুরুল হায়দার, এসএমও ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম, ডিএসএমও ডা. মোঃ ফখরুল আবেদীন ভূইঁয়া, স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়া, জেলা ইপিআই সুপার জয়নাব বেগম, থানা আনসার-ভিডিপি ইনস্ট্রাক্টর ফারজানা নাজনীন, জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী পরিদর্শক মিথিলা দাশ, সমাজসেবা কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দিন, জেলা তথ্য অফিসের সহকারী পচিালক মোঃ বোরহান উদ্দিন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রতিনিধি নাজমুন নাহার প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

সিভাসু’তে ‘দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে শীর্ষক ১০ দিনের প্রশিক্ষণ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘দ্গ্ধুজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক দশ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পিআরটিসি’র বোর্ড মিটিং কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নিবন্ধক মো. ইসমাইল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ঢাকার যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিভাসু’র সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা, লাবাং, বোরহানি, মাঠা ইত্যাদি তৈরির বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিভাসু’র ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো: সাইফুল বারী ও ডা. উম্মে সালমা আমিন,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ, সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বিএসটিআই চট্টগ্রামের ফিল্ড অফিসার (সার্টিফিকেশন মার্কস উইং) প্রকৌ. মো: মাহফুজুর রহমান এবং ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, ঢাকার সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো: শরিফ হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুতুবদিয়া ও চকরিয়া অঞ্চলের দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২৫ জন সমবায় সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ