সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের নাকের ডগায় সেতুর বেহাল দশা, দূর্ঘটনার আশংকা

আলমগীর হোসেন প্লাবন সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড, পঙ্খীরাজ খালের উপর নির্মিত সেতুটি বহুদিন ধরেই ধসে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে যেন দেখার কেউ নেই। ব্যস্ততম এই রাস্তা দিয়ে চলছে ভারি যানবাহন। যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। এমনটাই শংকা করছেন স্থানীয় বাসিন্দাসহ উপজেলায় আগত বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ । এ দূরাবস্থা সত্বেও সেতুর পূর্ব পাশের অংশের মাঝের অংশে ধস পড়ায় ঝুঁকি নিয়ে ছোট বাহন ও কোম্পানীর ভারি লড়ি,ট্রাক ও পিকআপ চলাচল করছে। ধসে যাওয়ার পর সড়ক ও জনপথ বিভাগ বড় দুইটি লোহার পাত ধসে পড়া স্থানে অস্থায়ীভাবে দিলেও গত বৃহস্পতিবার রাতে এলাকার ছিচকে চোর তিনটি পাত থেকে ২টি পাত চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়ার পর থেকে সেতুটি আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। তাই যেকোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। দ্রুত সেতুটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।

এই সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে বেশ কয়েকটি থানার হাজার হাজার লোকজন। সোনারগাঁ উপজেলার সন্নিকটে হওয়ার কারণে এর গুরুত্বও অনেক। এ সেতু দিয়ে সোনারগাঁ থানা, মেঘনা থানা ও আড়াই হাজার থানার লোকজন চলাচল করে। এছাড়াও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দফতরে যেতে সেতুটি ব্যবহার হয়। সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স , রেজিষ্ট্রি অফিস,সোনালী ব্যাংক , কর্মসংস্থান ব্যাংক,কৃষি ব্যাংক,মুকিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, থানা, ভূমি অফিস,বারদী লোকনাথ ব্রহ্মচারী সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ দফতরে যেতে হলে ব্যবহার করতে হবে এই সেতুটি। বিশেষ করে ঢাকাগামী জনসাধারনকেও এ পথেই যেতে হয়।
শনিবার (১৯ অক্টোবর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কোম্পানী থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক ট্রাফিক সেতুর মাঝখানে দাড়িয়ে সর্তক করে দিচ্ছে যানবাহনকে । তার নির্দেশনার দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাচ্ছে অনেক যানবাহন।

উপজেলা গেট সংলগ্ন সামিয়া লাইব্ররীর স্বাধিকারী শফিকুল ইসলাম জানান, উপজেলা প্রশাসনের নাকের ডগায় হলেও অনেক দিন ধরেই এই সেতুটির বেহাল দশা যেন দেখার কেউ নেই। যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। তাই অতি দ্রুত এই সেতুটি মেরামত করার জন্য দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সোনারগাঁ উপজেলা প্রকৌশলী গনমাধ্যমকে বলেন, এ সড়কটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতায় রয়েছে। এ সড়কে আমাদের দফতরের কিছু করার নেই। তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগকে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু সম্পর্কে অবগত করা হয়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী শাহান ফোরদৌস বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। সেতুটি নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জেলখানায় মায়ের আদ্যশ্রাদ্ধ করার ইচ্ছে চিন্ময়ের, অনুমতি চেয়ে আবেদন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্যারোলে মুক্তির পর এবার চট্টগ্রাম কারাগারে মৃত মায়ের ‘আদ্যশ্রাদ্ধ’ অনুষ্ঠান আয়োজন করতে চান রাষ্ট্রদ্রোহ ও আইনজীবী হত্যার মামলায় কারাবন্দি চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী। এজন্য চিন্ময়ের বড় ভাই রঞ্জন কুমার ধর ধর্মীয় উপকরণ নিয়ে একজন পুরোহিতের কারাগারে প্রবেশ ও শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের অনুমতি চেয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করেছেন।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক বললেন, প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতির প্রয়োজন ছিল। সেটা দেওয়া হয়েছে। এখন যে আবেদন সেটার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতির প্রয়োজন নেই। এটা কারাবিধি অনুযায়ী জেলা সুপার সিদ্ধান্ত নেবেন।

চট্টগ্রাম বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি-প্রিজন্স) মোহাম্মদ ছগির মিয়া বললেন, এ ধরনের আবেদন খুবই রেয়ার। কারাবিধিতে এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা নেই। যেহেতু ধর্মীয় বাধ্যবাধকতার বিষয় আছে এবং বন্দিও একজন বিশেষ বন্দি, তাই সিদ্ধান্ত হতে পারে বিশেষ বিবেচনায়। সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের। জেল কর্তৃপক্ষ কারাবিধির বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর চিন্ময়ের মা সন্ধ্যা রাণী ধর মারা যান। মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাকে পাঁচ ঘন্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দিয়েছিলেন। এরপর রঞ্জন কুমার ধর আরেকটি আবেদন করেন। এতে সনাতন ধর্মীয় অনুশাসন ও শাস্ত্রীয় আচারের কথা উল্লেখ করে চিন্ময়কে কারাগারের ভেতরে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর মায়ের আদ্যশ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়। এজন্য শ্রাদ্ধের সরঞ্জাম নিয়ে হারাধন রুদ্র নামে একজন পুরোহিতকে কারাগারে ভেতরে প্রবেশের অনুমতির আবেদন করা হয়।

চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ইসকনের সাবেক সংগঠক। সম্মিলিত সনাতনি জাগরণ জোট নামে একটি সংগঠনের মুখপাত্রও। জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে হওয়া রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর গ্রেপ্তারের পর থেকে কারাগারে আছেন তিনি। আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাসহ তার বিরুদ্ধে মোট ৬টি মামলা আছে।

ফরিদা ইয়াসমিন চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নির্বাচিত হয়েছেন মিরসরাই থানার ফরিদা ইয়াসমিন। এর আগেও তিনি জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছিলেন। অপরাধ দমন ও মাদক উদ্ধারে বিশেষ অবদানের জন্য মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ সভায় পুলিশ সুপার মাসুদ আলম তার হাতে শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কার তুলে দেন।

পুলিশ জানায়, ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত মিরসরাই থানার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রথম নারী ওসি ফরিদা ইয়াসমিন অপরাধ দমন এবং মাদক উদ্ধার অভিযানে সাফল্য দেখিয়েছেন।এছাড়াও ডাকাতির মালামাল উদ্ধার ও আসামী গ্রেফতার, হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতারসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য তাকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মাসুদ আলম ছাড়াও জেলার অন্যান্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ওসি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, এই সম্মাননা মিরসরাই থানার প্রতিটি পুলিশ সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আমরা সর্বদা কাজ করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ