আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

গোমস্তাপুরে তন্ময় হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা

বদিউজ্জামান রাজাবাবু চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুরে এসএসসি পরীক্ষার্থী তন্ময় হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীরা।রোববার সকালে খয়রাবাদ তাহিনগর এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি কলেজ মোড়ে গিয়ে আধাঘণ্টা পথ অবরোধ করে রাখে। পরে মিছিলটি উপজেলা পরিষদের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
উল্লেখ্য, ১৩-১০-২০২৪ ইং তারিখ তন্ময়(১৭) নামে একটি ছেলে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের চারদিন পর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের যাদবপুর ঘাটে ভাসমান অবস্থায় লাশ উদ্ধার হয়।
পরিবারের দাবি এটা একটা হত্যাকাণ্ড এর বিচারের দাবিতে কয়েকবার থানায় গেলেও মামলা না নেওয়ার অভিযোগ করেন। থানায় মামলার না নেওয়ার কারণে বিক্ষুব্ধ হয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

এ বিষয়ে গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন মামলা হয়েছে, যেহেতু তার লাশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে সেখানে ইউডি মামলা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে সন্ত্রাসী হামলার মামলাশ ৭ জন গ্রেফতার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার চালিতাবাড়ী গ্রামে মোঃ হাসেম আলীর ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১৩ জন আসামির মধ্যে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে হামলা, মারধর ও এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চালিতাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা মোঃ হাসেম আলীর ওপর পূর্ব বিরোধের জেরে একদল ব্যক্তি হামলা চালায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পক্ষ শিবালয় থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৭ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—১. মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক (৩৫), পিতা: আফছার উদ্দিন
২. পাবেল বেপারী (৩০), পিতা: বরকত আলী
৩. আকিব বেপারী (২৪), পিতা: মজিবর বেপারী
৪. নাইম শেখ (২৮), পিতা: আলেম শেখ
৫. মিন্টু বেপারী (৪০), পিতা: মৃত তমেজ বেপারী
৬. বাসসা বেপারী (৫৫), পিতা: মৃত অছিমদ্দি বেপারী
৭. রওনক মোল্লা (১৯), পিতা: তাইজুল ইসলাম মোল্লা
পুলিশ জানায়, মামলায় মোট ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।
হামলার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শিবালয় থানা পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ