আজঃ সোমবার ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতা ফের হকারদের দখলে।। ভোগান্তিতে যাত্রী পথচারী

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ভুলতা গাউছিয়া এলাকা উচ্ছেদ অভিযানের একমাস পর ফের হকারদের দখলে চলে গেছে। সড়কের দুইপাশে কাঁচাবাজার, মাছ, তরকারি, কাপড়, জুতা ও ফলের পসরা সাজিয়ে ব্যবসায়ীরা কেনাবেচা করছে। বিভিন্ন ধরণের পণ্য কেউ কেউ ভ্যানগাড়ি করে বিক্রি করছে। এ কারণে যান চলাচলের জন্য জায়গা থাকে খুবই কম। তাতে যানজট পোহাতে হয় দূরপাল্লার যানবাহনকে। হাইওয়ে পুলিশের নজরদারীর অভাবে এ অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।
সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, রূপগঞ্জের ভুলতা হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের পাশেই মহাসড়ক অবৈধ দখলদারদের দখলে। সাওঘাট থেকে ভুলতা পর্যন্ত মহাসড়কের একপাশে কাঁচাবাজার ও অপর পাশে কাপড়, জুতা, ফলের দোকানদারদের দখলেই থাকে। ভুলতা ও গোলাকান্দাইল ফ্লাইওভারের নিচে প্রতিনিয়ত বসছে কলা ও আখ বিক্রেতাদের শতাধিক ভাসমান দোকান। মহাসড়ক জুড়ে অরক্ষিত থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। এছাড়াও মহাসড়ক জুড়ে পিকআপ ভ্যান, সিএনজি চালিত অটোরিকশা, ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা, প্রাইভেটকারের একাধিক ষ্ট্যান্ড রয়েছে। ফলে যানজট নিরসন করা যাচ্ছে না। ভুলতা-গোলাকান্দাইল এলাকায় উল্টো পথে সিএনজি ও অটোরিকশা চলাচলের কারণেও নিয়মিত সড়ক দুর্ঘটনা এবং যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
মহাসড়কের নির্দিষ্ট স্থান পর্যন্ত স্থায়ী-অস্থায়ী স্থাপনা বা বাজার বসা সম্পূর্ণ অবৈধ। কিন্তু সড়কের উপর ও সড়ক ঘেঁষে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা র্দীঘদিন ধরে স্থানীয় চাঁদাবাজদের দখলে রয়েছে।
সরকার পতনের পরে রূপগঞ্জ থানার পুলিশ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজে ফিরলেও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতা থেকে রূপসী পর্যন্ত অসহনীয় যানজট থাকে। ফুটপাত হকাররা দখল করে দোকানপাট বসিয়ে রমরমা ব্যবসা বাণিজ্য করে যাচ্ছে। গত একমাস আগে রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হয়। তার কিছুদিন পরেই মহাসড়কের উভয়দিকে এক কিলোমিটার জুড়ে হকারদের ফের দখলে চলে যায়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্বগোলাম ফারুক খোকন বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক রাজধানীর পূর্বাঞ্চলীয় জেলার মানুষদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সড়ক বেদখল হওয়া কারো কাম্য নয়। যেকোন মূল্যে অবৈধ দখলদারীদের উচ্ছেদ করে সড়ক চলাচলের উপযোগী করে তুলতে হবে। স্থানীয় প্রশাসন নজরদারি করলে অব্শ্যই এ সড়কের পথচারী ও যাত্রীদের চলাচলের পথ সুগম হবে।
ভুলতা হাইওয়ে পুলিশের টিআই আশরাফ বলেন, মহাসড়কের নিরাপত্তার স্বার্থে অবৈধ দললদারদের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত আছে। তবে এখান থেকে অন্যত্র ব্যবসায়ীদের সরিয়ে নিতে পারলে যানজট নিরসন সহজ হতো।
রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, জন দুর্ভোগ নিরসনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতা গাউছিয়া অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কঠোরভাবে দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঈশ্বরদী এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে শীতার্ত মানুষের জন্য পাঠানো শীতবস্ত্র হস্তান্তর।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকায় বসবাসকারী ঈশ্বরদীবাসীর সমন্বয়ে গঠিত “ঈশ্বরদী এসোসিয়েশন” ঢাকার পক্ষ থেকে ঈশ্বরদী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড মোঃ আসাদুজ্জামান এর কাছে আন্তরিক সহযোগিতা পৌঁছে দেন।

শীতার্ত মানুষদের পাশে দাঁড়াতে ঢাকা থেকে ছুটে আসেন ঈশ্বরদী এসোসিয়েশন ঢাকা এর সভাপতি ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি ও ঈশ্বরদীর কৃতি সন্তান মোঃ আবু বক্কর তপন।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে ঈশ্বরদী উপজেলা চত্বরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আসাদুজ্জামান এর কাছে এ শীতবস্ত্র হস্তান্তর করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনালের যুগ্ন জেলা ও দায়েরা জজ মোঃ সিরাজুল ইসলাম মামুন, ঈশ্বরদী পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জহুরুল ইসলাম, ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সহ-সম্পাদক শেখ ওয়াহেদ আলী সিন্টু, ঈশ্বরদী শিল্প ও বণিক সমিতির নির্বাহী সদস্য সেলিম আহমেদ, ঈশ্বরদী অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল করিম ফেরদৌস, সংগঠক আফসার আলী, ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন ও পাকশী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সেলিম উদ্দিন প্রমূখ।

আবু বক্কর তপন বলেন, ঢাকাস্থ ঈশ্বরদী এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আমরা সব সময় দুস্থ, গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা, বিভিন্ন উপকরণ এবং শীত মৌসুমে শীতার্ত মানুষদের মাঝে আন্তরিক সহযোগিতা শীতবস্তু পৌঁছে দেই। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ঈশ্বরদী উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে দুস্থ, গরিব ও অসহায় শীতার্ত মানুষদের শীত নিবারণের জন্য ১০০০ টি সোয়েটার ও জ্যাকেট হস্তান্তর করেছি।

তিনি আরো বলেন, এ সমাজের ধনাঢ্য বিত্তমানেরা তাদের হাত প্রসারিত করে অসহায় শীতার্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ালে শীত থেকে তারা রক্ষা পাবে। প্রতিবছর আমরা এভাবে শীতবস্ত্র বিতরণ করে থাকি। আগামীতে ঈশ্বরদী এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আরও বেশি দুস্থ,গরিব ও অসহায় মানুষদের শীত নিবারনে জন্য তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবো।

হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর নগরের আন্দরকিল্লাহ শাহী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কাজীর দেউড়ি মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ন্যায়ের পক্ষে আপসহীন এক সংগ্রামী কণ্ঠ।তাঁকে নির্মমভাবে প্রকাশ্যে জুমার নামাজের পর হত্যা করলেও আজও বিচার না হওয়ায় দেশের জনগণ ক্ষুব্ধ। অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শহীদ হাদির হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের আন্দোলন চলবে এবং এই দাবি আদায় করে নেওয়া হবে।

বক্তব্য রাখেন জুলাই ঐক্য চট্টগ্রামের প্রধান সমন্বয়কারী আবরার হাসান রিয়াদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রামের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ইবনে হোসেন জিয়াদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক রাফসান রাকিব, তৌসিফ ইমরোজ, আরমান শাহরিয়ারসহ অন্যান্য নেতারা।

আলোচিত খবর

নতুন রাজনৈতিক মুভমেন্ট এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষা এই পাঁচ মূলনীতি নিয়ে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন-এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।আজ ১৬ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেল চারটায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্ল্যাটফর্মটির ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ঘোষণা করা হয়।

কাউন্সিলের মুখপাত্র হয়েছেন ফেরদৌস আরা রুমী, নাজিফা জান্নাত ও তুহিন খান। তারা একেকজন একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পালাক্রমে এই দায়িত্ব পালন করবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অনার্য মুর্শিদ, অনিক রায়, অনিকেত চার্বাক, অনিন্দ্য পন্ডিত, অনিরুদ্ধ রতন দাস, অনুপম সৈকত শান্ত, অপু সাহা, অমর্ত্য রায়, অলিউর সান, অলিক মৃ, আফজাল হোসেন, আতিকুর রহমান আতিক, আদ্রিতা কবির, আলমগীর কবির মিথুন, আসাদ রেহমান, আশিকুর রহমান অনিক, আহমেদ আন-নাবা, ইমতিয়াজ নাদভী, ইরফান আহমেদ, ইলোরা সুলতানা, ঋভু রহমান, কাওসার শাকিল, কাওসার হামিদ, কে এম সুফিয়ান, কৌশিক আহমেদ, খালিদ হাসান আলো, জাকারিয়া হোসেইন, জান্নাতুল মাওয়া আইনান, জাহিদ জামিল, জাহিদ হোসেন ইনকিয়াদ, টিপু গোস্বামী, তসলিম আহমেদ, তাসলিমা মিজি, তাহমীদুর আর চৌধুরী, তাহসিন আহমেদ অমি, নজরুল ইসলাম, নাজমুল আহমেদ, নাফিসা রায়হানা, নাশাদ ময়ুখ, নাসিরউদ্দিন টগর, নিসর্গ নিলয়, নীলা চাকমা, নূমান আহমাদ চৌধুরী, পারভেজ আলম, পুন্নি কবির, ফজলে রাব্বী খান তাজ, ফয়জুল্লাহ আনান, ফরহাদ নাইয়া, ফারিয়া জামান নিকি, ফেরদৌস আরা রুমী, বাকী বিল্লাহ, বিনয় আমিন, মঈনুল ইসলাম শুদ্ধ, মনোয়ার হোসেন নাইম, মাঈন আহমেদ, মাহবুবুর রহমান, মামুনুর রশিদ, মারুফ বিল্লাহ তন্ময়, মাসুদ রানা, মিম আরাফত মানব, মিতা নাহার, মীর মোকাররম শুভ, মীর হুযাইফা আল-মামদূহ, মুকুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান, মো. হাসিব, মোশফেক আরা শিমুল, মোহন বড়ুয়া, রঞ্জন কুমার দে, রহমত উল আলম, রাজীব চক্রবর্তী সুকান্ত, রাফসান আহমেদ, রাশেদুল কবীর রাফি, রাহাত মুস্তাফিজ, রাহুল দাস, রিয়াদুস সালেহীন জাওয়াদ, রেজওয়ান আমীন, রেজাউর রহমান রিন্টু, রৌদ্র তাপসী, শর্মী হোসেন, শামীম আরা নীপা, শেখ ফাতেমা খায়রুন, সমির সরকার, হাসান ইকবাল সজীব, সমির সরকার, সজীব তানভীর, সাখাওয়াত ফাহাদ, সাদ আহমেদ, সাদিক মোহাম্মদ আলম, সামি মোহাম্মদ, সালেহ রাব্বি, সেতু আরিফ, সৈয়দা নীলিমা দোলা, সোনিয়া আফরোজ যুথী, সৌরভ দেব, হাবিব ইমরান জনি, হাসান সালিহি এবং হাসান সোলাইমান।

নতুন মাত্রায় এফ্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে: সর্বস্তরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সাম্য ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা, সংবিধান সংস্কার, মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের সংস্কার এবং অর্থনৈতিক রূপান্তর।এসময় স্বাগত বক্তব্যে কাউন্সিলের সদস্য অনিক রায় বলেন- আমরা রাজনীতিকে কেবল ভাবাদর্শিক লড়াইয়ে পরিণত করতে চাই না। আবার ওয়েলফেয়ারের নামে পেট্র-ক্লায়েন্ট ভিত্তিক রাজনীতিও আমাদের লক্ষ্য নয়। আমরা চাই রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের একটি মৌলিক রূপান্তর। আমরা চাই একটি মানবিক রাষ্ট্র, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, ন্যায্য অর্থনীতি এবং সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন।তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি পুঁজির গণতান্ত্রিক বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই পারে এই দেশকে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে। এই কারণেই আমরা বলছি আমাদের পথ একটি সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট, সামাজিক গণতন্ত্রের আন্দোলন। এটি কেবল ক্ষমতার লড়াই নয় বরং সমাজকে সুসংহত ও গণতান্ত্রিক করে তোলা এবং মানুষের আত্মসামাজিক মুক্তি নিশ্চিত করার সংগ্রাম। যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি ন্যায্য ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ