আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের প্রতি আহবান

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ক্লিন এনার্জি”র নামে ভুয়া প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বন্ধের দাবীতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিতব্য ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপ এবং ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ডের বার্ষিক সভার প্রাক্কালে পদযাত্রায় দাবি জানানো হয়। বুধবার চট্টগ্রাম নগরীর সিআরবি শিরিষ তলায় প্রতিবাদী পদযাত্রার আয়োজন করেন আইএসডিই বাংলাদেশ, কোস্টাল লাইভলিহুড এন্ড এনভায়রনমেন্টাল একশন নেটওয়ার্ক এবং বাংলাদেশ ওয়ার্কিং গ্রুপ অন ইকোলজি এন্ড ডেভলপমেন্ট নামের তিনটি পরিবেশবাদি সংগঠন।
প্রচারাভিযানে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন যে, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের উচিত নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সৌর, বায়ু, এবং অন্যান্য কম-কার্বন প্রযুক্তিতে আরও বিনিয়োগ করা এবং জীবাশ্ম জ্বালানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা কার্বন ক্যাপচার ও স্টোরেজের মতো তথাকথিত ক্লিন এনার্জির নামে ভুয়া প্রযুক্তির প্রকল্পগুলো থেকে সরে আসা। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক যে প্রযুক্তির জন্য তহবিল বরাদ্দ করছে তা বাস্তবে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় কার্যকর নয় এবং জলবায়ু পরিবর্তন রোধে নির্ভরযোগ্য ও টেকসই সমাধানের জন্য রিনিউয়েবল এনার্জিতে বিনিয়োগ বাড়ানো।
আইএসডিই বাংলাদেশ এর জলবায়ু পরিবর্তন বিরোধী প্রচারাভিযান কর্মীরা নানান রঙ এর ব্যানার এবং প্লাকার্ড হাতে নিয়ে একটি ভিন্নধর্মী আয়োজন করেন। এর মূল লক্ষ্য ছিলো বিশ্ব ব্যাংকের শীর্ষ স্থানীয় ব্যক্তিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা এবং প্যারিস চুক্তির কথা স্মরণ রেখে শুধুমাত্র নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ করা।
এ সময় বক্তারা উল্লেখ করেন যে, জীবাশ্ম জ্বালানির কারণে নিঃসৃত কার্বনের পরিমাণ কমানোর জন্য প্রকৃত এবং কার্যকরী পদক্ষেপ প্রয়োজন, যা শুধুমাত্র নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমেই সম্ভব। তারা বিশ্বব্যাংকের বর্তমান বিনিয়োগ নীতিমালার সমালোচনা করেন, যেখানে কিছু ক্ষেত্রে এখনো পুরানো এবং অকার্যকর প্রযুক্তির জন্য তহবিল বরাদ্দ করা আছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক নয়।
আইএসডিই বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ও ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বলেন ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের বর্তমান নীতি অনুসারে তারা আর কোনো জীবাশ্ম জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ করবে না বলে জানিয়েছে তারপরেও তারা রূপসা ৮০০ মেগাওয়াট এবং সিদ্ধিরগঞ্জ ৩৩৫ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়েক মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ রয়েছে।তিনি আরো বলেন, বর্তমানে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এমন কিছু প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করছে যেগুলোর প্রভাব অস্বচ্ছ এবং কার্যকারিতা প্রমাণিত নয় যেমন এনার্জি মিক্স এবং কার্বন ক্যাপচার প্রযুক্তি। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এবং আইএমএফের উচিত জীবাশ্ম জ্বালানিতে বিনিয়োগ থেকে বেরিয়ে আসা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা। প্রচারাভিযান আয়োজকরা বিশ্বব্যাংকের প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা তাদের বিনিয়োগ নীতি পুনর্বিবেচনা করে এবং বাংলাদেশে জ্বালানি খাতে নবায়নযোগ্য ও টেকসই জ্বালানিতে বিনিয়োগ নিশ্চিত করে।
এই পদযাত্রা ও প্রতিবাদী মিছিলে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কলামিস্ট মুসা খান, বোয়ালখালী উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সাবেক সভাপতি নুর মোহাম্মদ চেয়ারম্যান, ক্যাব চট্টগ্রাম মহানরের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিশিষ্ঠ নারী নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস, সিএসডিএফ’র সুফিয়া কামাল ফেলো ও নারী নেত্রী সায়মা হক, জাতীয়তাবাদী মহিলা দল চট্টগ্রাম উত্ত্র জেলা সাধারন সম্পাদক লায়লা ইয়াসমীন, সবুজের যাত্রার নির্বাহী পরিচালক সায়েরা বেগম, ক্যাব সদরঘাটের সভাপতি শাহীন চৌধুরী, সমাজকর্মী সাজ্জাদ উদ্দীন, অধিকারের চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রধান ওসমান জাহাঙ্গীর, জেলা সামাজিক উদ্যোক্তা পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক মোহাম্মদ জানে আলম, অধ্যক্ষ চান্দগাও ল্যাবরেটরী স্কুল অ্যান্ড কলেজ ইসমাইল ফারুকী, চট্টগ্রাম কন্ঠের সম্পাদক কমল দাস গুপ্ত, এম এ আওয়াল, ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রামের প্রচার সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম, সাংবাদিক, শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেনী পেশার মানুষ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করে : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেড চিটাগাং ক্যাটল (আরসিসি)-এর গুরুত্ব তুলে ধরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, লাল গরুর দেশ চট্টগ্রাম। দুধ হয়তো কিছুটা কম দেয়, কিন্তু মাংসের দিক থেকে এবং জাতগত বৈশিষ্ট্যে রেড চিটাগাং ক্যাটলের তুলনা পৃথিবীর কোথাও নেই। তাই এই জাত সংরক্ষণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। উপদেষ্টা বুধবার সকালে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি হাব সংলগ্ন মাঠে “চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডেইরি খাতের উন্নয়ন: সম্ভাবনা ও করণীয়” -শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপষ্টো বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে গুঁড়া দুধ আমদানি করে। এই টাকা যদি দেশীয় দুধ উৎপাদন বাড়াতে ব্যয় করা হয়, তাহলে আমদানির প্রয়োজন কমবে। গুঁড়া দুধ তরল দুধে ভেজালের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তাই আমাদের শপথ নিতে আমদানি কমিয়ে দেশীয় তরল দুধের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল ও ভর্তুকি প্রসঙ্গে উপষ্টো বলেন, ব্যাপক আলোচনা ও প্রচেষ্টার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্প খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল রেয়াত এবং ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া সম্ভব হয়েছে। এটি প্রাথমিক উদ্যোগ হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। তিনি খামারি নিবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নিবন্ধন ছাড়া প্রকৃত চিত্র জানা সম্ভব নয়। অনলাইনে নিবন্ধন হলে সব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে এবং নীতিনির্ধারণ সহজ হবে।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিসম্প ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর মাধ্যমে খামারিরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, পিজি গ্রুপ গড়ে উঠেছে এবং অনেকের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে ডেইরি কার্যক্রম। তিনি বলেন, অনেকে বলছেন, লাভ-ক্ষতির হিসাব না করেও এটি এখন তাদের জীবনের অংশ। এর মানে ভবিষ্যতে এখান থেকেই তারা টেকসইভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।
নারীরে উদ্দেশে তিনি বলেন, দুধ শুধু উৎপানের পরিসংখ্যান নয়-মানুষ কতটা দুধ গ্রহণ করছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য দুধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা হাড়ের রোগ ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

এলডিডিপি’র মাধ্যমে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্কুলে দুধ সরবরাহ শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দরিদ্র ও শহুরে শিশুদের জন্য যা কার্যকর উদ্যোগ। তিনি বলেন, বাংলাশে তরুণদের দেশ। ডেইরি ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। আমরা সংগ্রামী জাতি-দেশের উন্নয়নের জন্য এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।

সেমিনারে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাশে ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (কৃত্রিম প্রজনন) মোঃ শাহজামান খান তুহিন, পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. বেগম শামছুননাহার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (পরিচালক) ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেইন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বয়জার রহমান। এছাড়া এলডিডিপিথর আওতায় ডেইরি হাব কার্যক্রম: বাস্তবায়ন, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা শীর্ষক উপস্থাপনা ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক ডা. মোঃ মোস্তফা কামাল।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ