আজঃ সোমবার ২২ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামে সনাতন জাগরণ মঞ্চের গণসমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

গত ৫৩ বছরে এদেশে হিন্দু নির্যাতন, খুনের বিচার হয়নি জেলায় জেলায় মহাসমাবেশের ঘোষণা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিগত ৫৩ বছরে এদেশে হওয়া হিন্দু নির্যাতন, খুনের কোনো বিচার হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘি মাঠে বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চের গণসমাবেশে এমন মন্তব্য করা হয়।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দেশব্যাপী মন্দির, হিন্দু বাড়িঘরে হামলা, শিক্ষকদের জোর করে পদত্যাগের প্রতিবাদে এবং ৮ দফা দাবি পুরোপুরি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণসমাবেশে যোগ দিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। এদিকে, গণসমাবেস্থল থেকে প্রতিটি জেলায় মহাসমাবেশ করার কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছে সনাতন জাগরণ মঞ্চ।
গণসমাবেশে চট্টগ্রাম শহর ও বিভিন্ন উপজেলা, কক্সবাজার এবং তিন পার্বত্য জেলা থেকে সনাতনীরা মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। এতে লালদিঘির মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গণসমাবেশ হয়ে ওঠে লোকেলোকারণ্য।
বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার ৫৩ বছরে সনাতনীরা শুধু অবহেলিত ছিল। সরকার আসে সরকার যায় কিন্তু সনাতনীদের ভাগ্য বদলায় না। যেই সরকার ক্ষমতায় থাকে তারা সনাতনীদের দুঃখ দুর্দশাকে লুকানোর চেষ্টা করে। সনাতনীদের সঙ্গে হওয়া অন্যায়, নির্যাতন লুকিয়ে স্বাভাবিকতার কথা বলে। গত ৫৩ বছরে এদেশে হওয়া হিন্দু নির্যাতন, খুনের কোনো বিচার হয়নি। বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে অপরাধীরা বারবার এই ধরণের ঘটনা করতে উৎসাহিত হয়েছে। প্রতিবার ভোট পরবর্তী বা ক্ষমতার পালাবদলের সময় নির্যাতনের খড়গ নেমে আসে হিন্দুদের ওপর। সেটা কেন হবে? কারা দোষী? কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত? তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হলেতো বেরিয়ে আসবে কারা সাম্প্রদায়িক ঘটনার সঙ্গে জড়িত? কেন সরকার সাম্প্রদায়িক ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করছে না।
বক্তারা আরো বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকারকে আমরা ধন্যবাদ দিতে চাই। তারা দুর্গাপূজায় ১ দিন ছুটি বাড়িয়েছে। তবে সেটি পর্যাপ্ত নয়। আমরা চেয়েছি ৫ দিনের ছুটি। সেখানে ২দিন ছুটি কেন? যেই বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে এদেশের ছাত্র জনতা প্রাণ দিয়েছে সেখানে আবার বৈষম্য হবে কেন? ক্ষতিগ্রস্ত সনাতনীদের ক্ষতিপূরণ এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় সংস্কার করার কথা বলেছে সরকার। এটি খুবই ইতিবাচক। খুব দ্রুত এই বিষয়ে কার্যকর প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। এছাড়া ৮ দফা দাবি মেনে নেওয়া কঠিন কিছু নয়। এই সরকার যদি সনাতনীদের ৮ দফা মেনে নেয়। তবে সনাতনীরা আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে। সনাতনীরা আন্দোলন সংগ্রাম করতে জানে, অধিকার আদায়ও করতে জানে। প্রধান উপদেষ্টা শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি যেন সনাতনীদের জন্য শান্তির একটি দেশ প্রতিষ্ঠা করতে পারে সেই আশা করবো আমরা।
দুপুরের পর থেকে লালদিঘীর মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। সনাতনীরা ‘একদফা একদাবি ৮ দফা মানতে হবে’, ‘প্রশাসন নীরব কেন? জবাব চাই দিতে হবে’, ‘আমার মায়ের কান্না… বৃথা যেতে দিব না’, ‘আমার দেশ সবার দেশ, বাংলাদেশ বাংলাদেশ’, ‘অমার মাটি আমার মা, এই দেশ আমরা ছাড়বো না’, ‘রক্তে আগুন লেগেছে, সনাতনীরা জেগেছে’, ‘আমার ঘরে আগুন কেন, জবাব চাই দিতে হবে’, ‘আমার মন্দিরে হামলা কেন, জবাব চাই দিতে হবে’, ‘হিন্দুদের উপর হামলা কেন? জবাব চাই, দিতে হবে’, ‘বৈষম্যহীন বাংলায়, সাম্প্রদায়িকতার ঠাঁই নাই’, ‘কথায় কথায় বাংলা ছাড়, বাংলা কি তো বাপ-দাদার’, ‘লাখো শহীদের বাংলায় সাম্প্রদায়িকতার ঠাঁই নাই’, ‘লড়াই লড়াই লড়াই চাই লড়াই করে বাঁচতে চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ও পুন্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর সভাপতিত্বে এবং স্বতন্ত্র গৌরাঙ্গ দাস ব্রহ্মচারীর সঞ্চালনায় গণসমাবেশে বক্তব্য রাখেন শংকর মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ তপনান্দ গিরি মহারাজ, পটিয়া পাচোরিয়া তপোবন আশ্রমের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ রবীশ্বরানন্দ পুরী মহারাজ, ইসকন প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের অধ্যক্ষ লীলারাজ গৌর দাস ব্রহ্মচারী, বাঁশখালী ঋষিধামের মোহন্ত সচিদানন্দ পুরী মহারাজ, শ্রীমৎ মুরারী দাস বাবাজী, তপোবন আশ্রমনের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ প্রাঞ্জলানন্দ পুরী মহারাজসহ সাংবাদিক, আইনজীবী, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।
আট দফা দাবিগুলো হলো, সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচারের জন্য দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দোষীদের দ্রুততম সময়ে উপযুক্ত শান্তি প্রদান , ক্ষতিগ্রস্থদের যথাপোযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। অনতিবিলম্বে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রনয়ন করতে হবে। সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করতে হবে। হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে হিন্দু ফাউন্ডেশনে উন্নীত করতে হবে। পাশাপাশি বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টিকেও ফাউন্ডেশনে উন্নীত করতে হবে। ‘দেবোত্তর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন এবং অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পন আইন’ যথাযথ বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংখ্যালঘুদের জন্য উপাসনালয় নির্মাণ এবং প্রতিটি হোস্টেলে প্রার্থনা রুম বরাদ্দ করতে হবে। সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা বোর্ড, আধুনিকায়ন করতে হবে। শারদীয় দুর্গাপুজায় ৫ দিন ছুটি দিতে হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মোঃ ইফতেকারুল আলম সায়েম উত্তর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন বুড়িশ্চর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান মোঃ ইফতেকারুল আলম সায়েম। তাঁর এই অর্জনে এলাকায় আনন্দ ও উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।দীর্ঘদিন ধরে ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসা ইফতেকারুল আলম সায়েম সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়ে নেতাকর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন। তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, নিষ্ঠা ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করেছেন বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করেন।

তাঁর মূল্যানের খবরে বুড়িশ্চর ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার পাশাপাশি তরুণ সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

ভাঙ্গুড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে কৃষি শ্রমিক কে মারধরের অভিযোগ, কয়েক ঘণ্টা পর মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে এক কৃষি শ্রমিক কে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের প্রায় চার ঘণ্টা পর জামিল হোসেন (৫০) নামে ওই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার হরিনা গ্রামের আবু মণ্ডলের ছেলে।

অভিযুক্ত ইউসুফ আলী উপজেলার চড়-ভাঙ্গুড়া গ্রামের কুদ্দুস মণ্ডলের ছেলে। তিনি সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা এবং বর্তমানে সদর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০ দিন আগে ধান মাড়াইয়ের কাজ করতে জামিল হোসেন তার মেয়ে, মেয়ের জামাই ও চাচাতো ভাইকে নিয়ে ভাঙ্গুড়ায় আসেন। তারা উপজেলার কৈডাঙ্গা গ্রামে রেললাইনের পাশে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।

নিহতের মেয়ের জামাই আব্দুল কাদের জানান, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ইউসুফ আলী জামিল হোসেনকে ধান মাড়াইয়ের কাজে যেতে বলেন। তিনি কিছুটা দেরি হবে জানালে ইউসুফ আলী ক্ষিপ্ত হয়ে ধান মাড়াই মেশিনের চাবি কেড়ে নেন। পরে চাবি ফেরত চাইলে সেই চাবি দিয়েই তাকে মারধর করা হয় এবং জোরপূর্বক ধান মাড়াইয়ের কাজে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি প্রায় তিন বিঘা জমির ধান মাড়াই করেন।

আব্দুল কাদের আরও জানান, কাজ শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে তারা কৈডাঙ্গা গ্রামে ফিরে আসেন। এ সময় জামিল হোসেন অসুস্থ বোধ করলে পাশের নদীতে গোসল করতে যান। গোসল শেষে ফিরে এসে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান। তিনি আগে থেকেই শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন বলেও জানান পরিবারের সদস্যরা।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, ঘটনার পর ইউসুফ আলীর চাপে তারা দ্রুত মরদেহ নিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে ভাঙ্গুড়া থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউসুফ আলীর বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। তার বাড়িতেও গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নূর-মুজাহিদ স্বপন বলেন, এ ঘটনার বিষয়ে আমি কিছু জানি না।
মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী ভাঙ্গুড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমার জানান, প্রাথমিকভাবে মরদেহের মাথার পেছনে সামান্য কাটা-ছেঁড়ার দাগ পাওয়া গেছে। মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার কারণে ওই আঘাত লেগে থাকতে পারে। শরীরের অন্য কোথাও দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আজম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ