আজঃ বৃহস্পতিবার ৭ মে, ২০২৬

যে প্রত্যাশা জনগণ তাদের কাছ থেকে আশা করেছিলো তা পূরণে বর্তমান সরকার ব্যর্থ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিত্যপণ্যের দাম কমানো, রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা এবং নির্বাচনী ব্যবস্থা সংস্কার করে অবিলম্বে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা, জানমালের নিরাপত্তার দাবি নিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোট, চট্টগ্রাম জেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার বিকাল ৪টায় নগরীর আমতল সংলগ্ন শাহ আমানত মার্কেট চত্বরে সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাসদ(মার্কসবাদী) চট্টগ্রাম জেলা সদস্য আসমা আক্তার, বক্তব্য রাখেন সিপিবি চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি অশোক সাহা, বাসদ চট্টগ্রাম জেলা শাখার ইনচার্জ আল কাদেরী জয় সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার হাসিনার পদত্যাগের পর অন্তবর্তীকালীন সরকার ৩ মাস অতিক্রম করছে। কিন্তু যে প্রত্যাশা জনগণ তাদের কাছ থেকে আশা করেছিলো তা পূরণে বর্তমান সরকার ব্যর্থ হচ্ছে। বাজারের নিত্যপণ্যের দাম ক্রমাগত উর্ধ্বমুখী। বাজারের অসাধু ব্যবসায়িদের সিন্ডিকেট ভেঙে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। দক্ষিণ এশিয়ায় মূল্যস্ফীতি সবচেয়ে বেশি এবং কোনো সূচকই কাজ করছে না। অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ কিংবা জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজ করাটাও জরুরি। অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর চেয়েও সরকারের উপদেষ্টাদের অনাহুত বিতর্কের সৃষ্টি করবার মতন সমন্বয়হীনতা কাজ করছে। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির সাথে সাথে মাজারে হামলা,সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হুমকি ও আক্রমণ, মব কিলিং,শ্রমিক হত্যার মতন ঘটনা ঘটেছে। এই পরিস্থিতি মোটেই প্রত্যাশিত নয়। অবিলম্বে জনসাধারণের প্রয়োজনীয় বিষয়ে উদ্যোগ নিয়ে জনগণের মধ্যে স্বস্তি আনার পাশাপাশি যে বৈষম্যের বিরুদ্ধে জনগণের অভ্যুত্থান ঘটেছে তার আকাঙ্খা পূরণ করার জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেয়া সরকারের প্রধান দায়িত্ব। সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে নির্বাচনী সংস্কার করে রোডম্যপ ঘোষণার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আত্মসাত হওয়া ৬০ লাখ টাকার কাপড়ের রোল নোয়াখালীতে উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ঢাকায় নেওয়ার পথে আত্মসাত হওয়া ১৫৩টি কাপড়ের রোল উদ্ধার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। যার আনুমানিক মূল্য ৬০ লাখ টাকা। এসময় আবুল বাসার (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে কাপড়ের রোলগুলো গুলো উদ্ধার করা হলেও মঙ্গলবার এ তথ্য জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) পুলিশের মো. জামির হোসেন জানান, গত ২৪ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টায় কলম্বিয়া অ্যাপারেলস লিমিটেডের আমদানিকৃত ১৬৩টি বিভিন্ন সাইজের কাপড়ের রোল চট্টগ্রাম বন্দর থেকে গাজীপুর নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। যার আনুমানিক মূল্য ৬০ লাখ টাকা। যাওয়ার পথে কার্ভাডভ্যানটি হালিশহর থানাধীন আব্বাসপাড়া টোলরোডস্থ চিটাগাং ফিলিং স্টেশনে রাখা হয়। এরপর দিবগাত রাত ৩টায় কাভার্ডভ্যানটি গাজীপুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করলেও গাড়ির চালকসহ অন্যরা কাপড়ের রোলগুলো আত্মসাত করেন। এ ঘটনায় হালিশহর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করে ডিবি পুলিশ। গতকাল রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া থানাধীন ১নং হরিণী ইউনিয়নের আজিমনগর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ৯৬টি কাপড়ের রোল উদ্ধার করা হয়। পরে চর জব্বর থানাধীন চর মজিদ ভুঁইয়ার হাট বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আরও ৬৭টি কাপড়ের রোল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আবুল বাসার (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উপকূলে বাড়ছে বজ্রপাতের তাণ্ডব: জীবন রক্ষায় চাই বিশেষ সতর্কতা ও সচেতনতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

​দক্ষিণাঞ্চলের শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত খুলনা জেলার পাইকগাছাসহ উপকূলীয় উপজেলাগুলোতে এখন বোরো ধান কাটার মহোৎসব চলছে। তবে এই উৎসবের আমেজকে বিষাদে রূপ দিচ্ছে আকাশের ‘অগ্নিঝলক’ বা বজ্রপাত। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই অঞ্চলে বজ্রপাতের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার প্রধান শিকার হচ্ছেন খোলা মাঠে কর্মরত কৃষকরা।

​পাইকগাছার বিস্তীর্ণ ফসলি মাঠ এবং লোনা পানির ঘের সংলগ্ন এলাকায় কোনো বড় গাছপালা বা উঁচু স্থাপনা নেই। ফলে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে থাকা কৃষকরাই সরাসরি এর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছেন। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, বঙ্গোপসাগর থেকে আসা গরম ও আর্দ্র বাতাসের সাথে উত্তরের ঠান্ডা বাতাসের সংঘর্ষে এই উপকূলীয় অঞ্চলে মেঘের ঘর্ষণ বেশি হয়, যার ফলে বজ্রপাতের তীব্রতা ও সংখ্যা দুই-ই বাড়ছে।

​সাধারণত চৈত্র-বৈশাখ মাসে খুলনা অঞ্চলে দুপুরের পর থেকেই কালবৈশাখী ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে। ঠিক এই সময়েই কৃষকরা ধান কাটা ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত থাকেন। পাইকগাছার অনেক কৃষকের মতে, হঠাত মেঘ জমলে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আগেই বজ্রপাত শুরু হয়ে যায়। কাছাকাছি কোনো পাকা দালান বা উঁচু গাছ না থাকায় তারা চরম জীবনের ঝুঁকিতে থাকেন।

​বজ্রপাত থেকে বাঁচতে উপকূলীয় এলাকার মানুষের জন্য বিশেষ কিছু পরামর্শ , আকাশে ঘন কালো মেঘ বা বিদ্যুৎ চমকানো শুরু করলে দ্রুত পাকা দালান বা টিনের চালের নিচে আশ্রয় নিন, বজ্রপাতের সময় মাছের ঘের, নদী বা খোলা ধানখেত থেকে দ্রুত সরে আসতে হবে, বড় গাছ বা বিদ্যুতের খুঁটির নিচে দাঁড়ানো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ,ছাতা বা কাস্তের মতো ধাতব হাতলযুক্ত কোনো কিছু এ সময় ব্যবহার করবেন না, .কাজ করার সময় রাবারের জুতো বা গামবুট ব্যবহার করলে কিছুটা সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব, বজ্রপাতের সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।

​বজ্রপাতকে বর্তমানে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি উদ্যোগে তালগাছ রোপণের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। পাইকগাছাসহ দক্ষিণাঞ্চলের কৃষকদের জীবন সুরক্ষায় মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ