আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থানান্তরের প্রতিবাদে মানববন্ধন

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহীতে শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থানান্তরের প্রতিবাদে মানববন্ধন কীা হয়। রাজশাহীর সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র নাটোরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। ‘রাজশাহীর সর্বস্তরের জনগণ ও দুস্থ শিশুদের অভিভাবক’-এর ব্যানারে বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে নগরের সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে রাজশাহীর সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের উপ-প্রকল্প পরিচালক কামাল উদ্দিন চৌধুরীকে ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর’ উল্লেখ করে তার অপসারণও দাবি করেন বক্তারা। তারা বলেন, রাজশাহী বিভাগীয় শহর। এ শহর থেকে কোনো প্রতিষ্ঠান স্থানান্তর করতে দেওয়া হবে না। এর আগে রেলওয়ে স্টেশন, টিভি সেন্টার ও পোস্টাল একাডেমিসহ কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান ষড়যন্ত্র করে অন্য জেলায় নেওয়ার পাঁয়তারা করা হয়। সেই সময়ে রাজশাহীর মানুষ তা রুখে দেয়। এবারও তাই করা হবে।

সমাজসেবক ওয়ালিউল হক বাবুর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন, রাজশাহী মহানগর জাতীয় পার্টির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন মিন্টু, অভিভাবক শিরিলা হেমব্রম ও রোজিবা বেগম। রাজশাহী মহানগর জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন আলী মানববন্ধন পরিচালনা করেন।

পথশিশুসহ ঝুঁকিপূর্ণ ও নির্যাতিত শিশুদের নানা হয়রানি থেকে সুরক্ষা দিতে রাজশাহীতে একটি ভবন ভাড়া নিয়ে সমন্বিত শিশু সুরক্ষা কেন্দ্র চালু করা হয়। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘সার্ভিসেস ফর চিলড্রেন এট রিস্ক’ প্রকল্পের আওতায় ২০১২ সালের নভেম্বরে কেন্দ্রটি চালু করা হয়। বর্তমানে এখানে ১৪০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশু আছে।এটি স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানতে চাইলে বিভাগীয় সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক সৈয়দ মোস্তাক হাসান বলেন, ‘নাটোরে আমাদের নিজস্ব জায়গা আছে। সেখানে ভবন করা হবে। রাজশাহীতে প্রতিমাসে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ভবন ভাড়া লাগছে। রাজশাহীতে যদি পরবর্তীতে জায়গার ব্যবস্থা হয়, সেক্ষেত্রে এখানেও সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র করা হবে।’

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ