আজঃ শনিবার ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ ও সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানের সাথে ঠাঁই হয়েছে আরো ৫১ জনের।দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সদ্য মেয়র ও প্রাক্তন আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন এবং প্রাক্তন সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্করকেও দেওয়া হয় ‘সম্মানসূচক’ সদস্য পদ। ৫১ জনের মধ্যে ১৬ জন যুগ্ম-আহ্বায়ক ও বাকি ৩৫ জন সদস্য হিসেবে রয়েছেন। এর পূর্বে, গেল ৭ জুলাই এরশাদ উল্লাহ আহ্বায়ক ও নাজিমুর রহমানকে সদস্য সচিব করে ঘোষণা করা হয় নতুন আহ্বায়ক কমিটি। তখন তাদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে ১৪ দিনের সময় বেঁধে দেয় কেন্দ্র।
ঘোষিত এ কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়করা হলেন মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এমএ আজিজ, আব্দুস সাত্তার, সৈয়দ আজম উদ্দিন, এসএম সাইফুল আলম, কাজী বেলাল উদ্দীন, সাফিকুর রহমান স্বপন, হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, শাহ আলম, আর ইউ চৌধুরী শাহিন, শওকত আলম খাজা (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত). ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহম্মেদুল আলম চৌধুরী, শিহাব উদ্দীন মুবিন (প্রচারের দায়িত্বপ্রাপ্ত) ও মনজুরুল আলম মঞ্জু।
বাকি সদস্যরা হলেন মফিজুল হক ভূঁইয়া, ইকবাল চৌধুরী, জয়নাল আবেদীন জিয়া, এমএম হান্নান, নুরুল আলম রাজু, এসএম আবুল ফয়েজ, আবুল হাসেম, ইসকান্দর মির্জা, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, মুজিবুল হক, মো. মহসিন, মো. খোরশেদুল আলম, মো. সালাউদ্দিন, গাজী সিরাজ উল্লাহ, কামরুল ইসলাম, সৈয়দ শিহাব উদ্দীন আলম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, মশিউল আলম স্বপন, মোশাররফ হোসেন ডিপ্তি, মো. জাফর আহম্মদ, একে খান, গাজী আইয়ুব, মাহবুব রানা, এমএ সবুর, নুরু উদ্দিন হোসেন নুরু, মোহাম্মদ আবু মুসা, হানিফ সওদাগর, সরফরাজ কাদের চৌধুরী রাসেল, মোহাম্মদ আজম, মো. ইসমাইল বালি, মো. আশ্রাফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইউছুপ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থী আল্লামা তাহেরীর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে তথ্য সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হবিগঞ্জ-৪ আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত ও বৃহত্তর সুন্নী জোট সমর্থিত মোমবাতি প্রতীকের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আল্লামা মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর বিরুদ্ধে একটি স্বার্থান্বেষী ও কুচক্রিমহল কর্তৃক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও বিকৃত তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে—বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট উক্ত কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি সকালে প্রতিবাদি বিবৃতিতে জানানো হয়, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ফরম অনুযায়ী দাখিলকৃত নির্বাচনী হলফনামার ৬ নং অনুচ্ছেদের “আয়ের উৎস” শিরোনামের ৪ নং ক্রমিকে শেয়ার/বন্ড/সঞ্চয়পত্র/ব্যাংক আমানত/সুদ—এই পাঁচটি খাত একত্রে উল্লেখ করার আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে। উক্ত ফরমে আলাদা আলাদা খাত নির্বাচন বা পৃথকভাবে চিহ্নিত করার কোনো সুযোগ নেই। অতএব, উল্লিখিত খাতসমূহের যেকোনো একটি বা একাধিক উৎস থেকে আয় থাকলে নির্ধারিত ঘরে সম্মিলিত মোট অংক উল্লেখ করাই আইনসম্মত ও বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া।

আল্লামা মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী উক্ত ঘরে ২২,৮৯২ টাকা আয় প্রদর্শন করেছেন, যা শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র কিংবা ব্যাংক আমানত থেকে প্রাপ্ত আয়ও হতে পারে। কিন্তু কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই, নির্ভরযোগ্য দলিল বা আইনসম্মত অনুসন্ধান ব্যতিরেকে শুধুমাত্র “সুদ” শব্দটিকে আলাদা করে উপস্থাপন করে এটিকে সুদের আয় হিসেবে প্রচার করা সম্পূর্ণরূপে অনুমাননির্ভর, ভিত্তিহীন এবং বিদ্বেষপ্রসূত অপপ্রচার—যা প্রচলিত আইন ও সাংবাদিকতার নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

আইনগতভাবে আরও উল্লেখযোগ্য যে, যেকোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হোল্ডারের অ্যাকাউন্টে আমানত বিদ্যমান থাকলে ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রম অনুযায়ী কোথাও “মুনাফা”, কোথাও “ইন্টারেস্ট” অথবা কোথাও “সুদ” নামে একটি নির্দিষ্ট অংক যুক্ত হয়, যা একটি সাধারণ ও প্রচলিত আর্থিক বাস্তবতা। এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ইচ্ছাকৃতভাবে রঙিন ব্যাখ্যার মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা ও ব্যক্তিকে হেয় করার উদ্দেশ্যে উপস্থাপন করা আইনত ও নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি তথ্য সন্ত্রাসের শামিল।

আরও লক্ষণীয় যে, একই নির্বাচনী হলফনামার একই কলামে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বহু প্রার্থীর আয়ের তথ্য বিদ্যমান রয়েছে। চট্টগ্রাম-১৫ আসনে অন্য একটি ইসলামী দলের প্রার্থী কর্তৃক উক্ত কলামে ৬৩,৪৭১ টাকা আয় প্রদর্শিত হলেও তাঁর ক্ষেত্রে কোনো সংবাদমাধ্যম কর্তৃক প্রশ্নবিদ্ধ, বিভ্রান্তিকর বা আক্রমণাত্মক উপস্থাপনা করা হয়নি। পক্ষান্তরে, কেবলমাত্র আল্লামা মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর ক্ষেত্রেই শব্দের অপব্যবহার ও তথ্যের বিকৃত উপস্থাপনার মাধ্যমে একটি বিশেষ বর্ণনা নির্মাণের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এই বৈষম্যমূলক আচরণ আইন ও ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির পরিপন্থী এবং এর পেছনে কারা, কী উদ্দেশ্যে ও কোন স্বার্থে সক্রিয়—তা জাতি জানতে চায়।

আমরা আইনগতভাবে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, নির্বাচনী হলফনামায় কোনো তথ্য গোপন, অসম্পূর্ণ বা বাদ পড়লে প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। সুতরাং আইন মেনে নির্ধারিত ঘরে আয় উল্লেখ করাকে অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন করা অসৎ উদ্দেশ্যপ্রসূত, বিভ্রান্তিকর এবং আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।

বর্তমানে উক্ত ইস্যুকে কেন্দ্র করে কিছু সংবাদমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যে দায়িত্বজ্ঞানহীন, মানহানিকর ও বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তা সংবাদপত্র পরিষদ আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, দণ্ডবিধির মানহানি সংক্রান্ত বিধান এবং সাংবাদিকতার ন্যূনতম নৈতিক মানদণ্ডের পরিপন্থী।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট সংশ্লিষ্ট সকল মহলকে সতর্ক করে দিয়ে স্পষ্টভাবে জানাতে চায়—সত্য গোপন করে বিভ্রান্তিকর উপস্থাপনা, শব্দ ও তথ্য সন্ত্রাস এবং ব্যক্তিগত চরিত্রহনন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রয়োজনে এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নতুন রাজনৈতিক মুভমেন্ট এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষা এই পাঁচ মূলনীতি নিয়ে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন-এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।আজ ১৬ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেল চারটায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্ল্যাটফর্মটির ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ঘোষণা করা হয়।

কাউন্সিলের মুখপাত্র হয়েছেন ফেরদৌস আরা রুমী, নাজিফা জান্নাত ও তুহিন খান। তারা একেকজন একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পালাক্রমে এই দায়িত্ব পালন করবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অনার্য মুর্শিদ, অনিক রায়, অনিকেত চার্বাক, অনিন্দ্য পন্ডিত, অনিরুদ্ধ রতন দাস, অনুপম সৈকত শান্ত, অপু সাহা, অমর্ত্য রায়, অলিউর সান, অলিক মৃ, আফজাল হোসেন, আতিকুর রহমান আতিক, আদ্রিতা কবির, আলমগীর কবির মিথুন, আসাদ রেহমান, আশিকুর রহমান অনিক, আহমেদ আন-নাবা, ইমতিয়াজ নাদভী, ইরফান আহমেদ, ইলোরা সুলতানা, ঋভু রহমান, কাওসার শাকিল, কাওসার হামিদ, কে এম সুফিয়ান, কৌশিক আহমেদ, খালিদ হাসান আলো, জাকারিয়া হোসেইন, জান্নাতুল মাওয়া আইনান, জাহিদ জামিল, জাহিদ হোসেন ইনকিয়াদ, টিপু গোস্বামী, তসলিম আহমেদ, তাসলিমা মিজি, তাহমীদুর আর চৌধুরী, তাহসিন আহমেদ অমি, নজরুল ইসলাম, নাজমুল আহমেদ, নাফিসা রায়হানা, নাশাদ ময়ুখ, নাসিরউদ্দিন টগর, নিসর্গ নিলয়, নীলা চাকমা, নূমান আহমাদ চৌধুরী, পারভেজ আলম, পুন্নি কবির, ফজলে রাব্বী খান তাজ, ফয়জুল্লাহ আনান, ফরহাদ নাইয়া, ফারিয়া জামান নিকি, ফেরদৌস আরা রুমী, বাকী বিল্লাহ, বিনয় আমিন, মঈনুল ইসলাম শুদ্ধ, মনোয়ার হোসেন নাইম, মাঈন আহমেদ, মাহবুবুর রহমান, মামুনুর রশিদ, মারুফ বিল্লাহ তন্ময়, মাসুদ রানা, মিম আরাফত মানব, মিতা নাহার, মীর মোকাররম শুভ, মীর হুযাইফা আল-মামদূহ, মুকুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান, মো. হাসিব, মোশফেক আরা শিমুল, মোহন বড়ুয়া, রঞ্জন কুমার দে, রহমত উল আলম, রাজীব চক্রবর্তী সুকান্ত, রাফসান আহমেদ, রাশেদুল কবীর রাফি, রাহাত মুস্তাফিজ, রাহুল দাস, রিয়াদুস সালেহীন জাওয়াদ, রেজওয়ান আমীন, রেজাউর রহমান রিন্টু, রৌদ্র তাপসী, শর্মী হোসেন, শামীম আরা নীপা, শেখ ফাতেমা খায়রুন, সমির সরকার, হাসান ইকবাল সজীব, সমির সরকার, সজীব তানভীর, সাখাওয়াত ফাহাদ, সাদ আহমেদ, সাদিক মোহাম্মদ আলম, সামি মোহাম্মদ, সালেহ রাব্বি, সেতু আরিফ, সৈয়দা নীলিমা দোলা, সোনিয়া আফরোজ যুথী, সৌরভ দেব, হাবিব ইমরান জনি, হাসান সালিহি এবং হাসান সোলাইমান।

নতুন মাত্রায় এফ্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে: সর্বস্তরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সাম্য ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা, সংবিধান সংস্কার, মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের সংস্কার এবং অর্থনৈতিক রূপান্তর।এসময় স্বাগত বক্তব্যে কাউন্সিলের সদস্য অনিক রায় বলেন- আমরা রাজনীতিকে কেবল ভাবাদর্শিক লড়াইয়ে পরিণত করতে চাই না। আবার ওয়েলফেয়ারের নামে পেট্র-ক্লায়েন্ট ভিত্তিক রাজনীতিও আমাদের লক্ষ্য নয়। আমরা চাই রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের একটি মৌলিক রূপান্তর। আমরা চাই একটি মানবিক রাষ্ট্র, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, ন্যায্য অর্থনীতি এবং সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন।তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি পুঁজির গণতান্ত্রিক বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই পারে এই দেশকে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে। এই কারণেই আমরা বলছি আমাদের পথ একটি সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট, সামাজিক গণতন্ত্রের আন্দোলন। এটি কেবল ক্ষমতার লড়াই নয় বরং সমাজকে সুসংহত ও গণতান্ত্রিক করে তোলা এবং মানুষের আত্মসামাজিক মুক্তি নিশ্চিত করার সংগ্রাম। যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি ন্যায্য ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ