কক্সবাজারে বিজিবি’র পৃথক অভিযানে দুই মাদক কারবারি আটক

অন্তর দে বিশাল, কক্সবাজার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)’র পৃথক অভিযানে এক কেজি ৬০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস ও ২৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে বিজিবি। মিয়ানমার থেকে ক্রিস্টাল মেথ আইস আনার সময় টেকনাফ বড়ইতলি থেকে আব্দুর রহমান নামে এক মাদক কারবারি আটক করেন বিজিবির সদস্যরা।

অপরদিকে একই দিন সন্ধ্যা ৬ টার দিকে টেকনাফ বিজিবি শীলখালী চেকপোস্টের টহল দল কক্সবাজারগামী একটি মোটরসাইকেলসহ সৈয়দ আমিন নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করে।

আটকরা হলেন- টেকনাফ বড়ইতলীর মৃত ফেরদৌসের ছেলে মো. আব্দুর রহমান (৪৫) ও সাবরাং আলীর ডেইলের ওমর মিয়ার ছেলে সৈয়দ আমিন (৩৬)।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন টেকনাফ ব্যাটালিয়ন-২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ।

তিনি জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বড়ইতলী নামক এলাকা দিয়ে মাদকের একটি চালান মায়ানমার হতে বাংলাদেশে আসতে পারে।
উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে দমদমিয়া বিওপি’র দুইটি চোরাচালান প্রতিরোধ টহলদল ঐ এলাকায় গিয়ে কয়েকটি উপদলে বিভক্ত হয়ে কেওড়া বাগান এবং নৌ টহলদল নাফ নদীতে কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে। আনুমানিক সন্ধ্যা ৬.৫০ মিনিটের সময় টহলদল একজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে নাফ নদী পার হয়ে একটি পোটলা হাতে নিয়ে বড়ইতলী এলাকার দিকে আসতে দেখে। তার গতিবিধি সন্দেহ হওয়ায় পূর্ব থেকে কৌশলগত অবস্থানে থাকা বিজিবি টহলদল তাকে ঘেরাও করে আটক করে। পরে টহলদল তার হাতে থাকা প্লাষ্টিকের ব্যাগের ভিতর হতে ১.০৬০ কেজি ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার করে।

অন্যদিকে শীলখালী বিজিবি’র অস্থায়ী চেকপোস্টের টহলদল টেকনাফ হতে কক্সবাজারগামী একটি মোটর সাইকেল আটক করা হয়। আটক মোটর সাইকেল চালকের স্বীকারোক্তিতে মোটর সাইকেলের চেইন কভারের পাশে সকজবারের ভিতরে অভিনব পদ্ধতিতে লুকায়িত অবস্থায় ২,৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও আটককৃত আসামীর নিকট হতে একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়। অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য বহনের দায়ে উক্ত মোটর সাইকেলটিও আটক করা করে বিজিবি’র সদস্যরা।

আটককৃত আসামীদের কাছ থেকে জব্দ ক্রিস্টাল মেথ আইস, ইয়াবা ট্যাবলেট, মোটর সাইকেল ও মোবাইল ফোনসহ নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান টেকনাফ ব্যাটালিয়ন-২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কাঁচপুরে ভাঙারি ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী হত্যা: ২৪ ঘণ্টায় রহস্য উদঘাটন, আসামির স্বীকারোক্তি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরে লোমহর্ষক ভাঙারি ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী হত্যা মামলার মূল রহস্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামির মধ্যে শাহিনুর ইসলাম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

​গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে কাঁচপুর সোনাপুর এলাকার পরিত্যক্ত জালালাবাদ ওষুধ কারখানার পেছনের ডোবা থেকে হাত-পা বাঁধা বস্তাবন্দী অবস্থায় আইয়ুব আলীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতের স্ত্রী মোসাঃ মাহফুজা আক্তার বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (‘খ’ সার্কেল) দিপংকর ঘোষের নেতৃত্বে সোনারগাঁ থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই

ঘটনার মূল রহস্য উন্মোচন করে। ​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পূর্বপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও টাকার লোভ দেখিয়ে সহযোগী শাহীনের মাধ্যমে আইয়ুব আলীকে ভাঙারি দোকানে ডেকে আনা হয়। এরপর অত্যন্ত সুকৌশলে তাকে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হল
​১. শাহিনুর ইসলাম (৩০): পিতা- মানিক মিয়া, সাং- মাস্টারপাড়া, থানা- নাগেশ্বরী, জেলা- কুড়িগ্রাম; বর্তমান ঠিকানা- কাঁচপুর উত্তরপাড়া (আলতু মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া)। তিনি আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

জামির হোসেন (৫৭): পিতা- মৃত ছাহাদ আলী, সাং- কাঁচপুর উত্তরপাড়া, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ।​পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ ​সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বাকি পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং ঘটনায় ব্যবহৃত আলামত উদ্ধারে তাদের সাঁড়াশি অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। অপরাধমূলক এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা অন্যান্য জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে। ​

মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-আরাফাত -সাদ্দামসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

একই রায়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা যায়, এ মামলার তদন্ত শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৮ জুন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৭ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তারা। যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। একই দিন অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ