আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে সবজির বাজার ফের চড়া

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ফের বেড়েছে সবজির দাম। শীতের আগাম সবজিতে বাজার ভরে উঠলেও কিন্তু দাম বেড়েছে আবার। গেলো তিন সপ্তাহে নগরে সবজির বাজার নিম্নমুখী থাকলেও এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ছয় সবজির। বিপরীতে দাম কমেছে তিনটির।
নগরীর অক্সিজেন, আতুরার ডিপো, বহদ্দারহাট, চকবাজার, কর্ণফুলী কমপ্লেক্স, কাজীর দেউড়িসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। গেলো এক সপ্তাহের ব্যবধানে ১০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন, পেঁপে, বরবটি ও করলার দাম। এর মধ্যে ১০ টাকা বেড়ে ফুলকপি ১০০-১৪০ ও বাঁধাকপি ৭০, ২০-৪০ টাকা বেড়ে বেগুন ১০০, ২০ টাকা বেড়ে পেঁপে ৬০, ১০ টাকা বেড়ে বরবটি ৭০ এবং করলা ৪০ টাকা বেড়ে ১২০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে, ২০ থেকে ৪০ টাকা কমেছে শিম, কাঁচা মরিচ ও টমেটোর দাম। অন্যান্য সবজির মধ্যে আলু ও মুলা ৭০, শসা ৫০, ঢেঁড়স ও পটল ৬০, লাউ ৪০, মিষ্টি কুমড়া ৬০, গাজর ১৭০ এবং ক্যাপসিকাম ৩০০-৭০০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হয়েছে। এর বাইরে পেঁয়াজ জাতভেদে ১১০ থেকে ১২০, রসুন ২১০ এবং আদা ২৮০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে, ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও কেজিপ্রতি ৩০ টাকা বেড়েছে দেশি মুরগির দাম। নগরে ব্রয়লার মুরগি ১৮০, সোনালি ৩২০ এবং দেশি মুরগি ৫৭০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ৭৫০ থেকে ৯০০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস। মাছের মধ্যে পোয়া ২৬০, লইট্টা ২০০, পাবদা ৫০০, রূপচাঁদা ৬০০, তাইল্লা মাছ আকারভেদে ৫০০-৭০০, তেলাপিয়া ২২০-২৫০, পাঙাস ১৭০-২০০, রুই ৩৫০-৩৮০, কাতল ৪০০, বেলে ২৮০ এবং মৃগেল ৩০০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ